কুলিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা অভিযান
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে পৌরসভা। ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করার পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আওতায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক সাফফাত আরা সাঈদ। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়াসিম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পীযুষ কান্তি ঘোষ এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য প্রতিটি নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, পরিত্যক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
তাঁরা আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগও জরুরি। বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সবাই সচেতন হলে মশার প্রজননস্থল কমানো এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।
কুলিয়ারচরকে পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুর ঝুঁকিমুক্ত রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।












