কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানী ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে আগুন
©aa
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েত–এর প্রধান বিমানবন্দর কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি জ্বালানি ট্যাংক ও একটি ভবনে আগুন ধরে যায়।
রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যেতে পারে) কুয়েত সরকার জানায়, ভোরে দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা কয়েকটি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ ড্রোন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-আতওয়ান জানান, সশস্ত্র বাহিনী ভোরের দিকে আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী ড্রোনের একটি ঢেউ মোকাবিলা করেছে।
তিনি বলেন, হামলার লক্ষ্য ছিল কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক, যা দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত। হামলার পর বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংক ও Public Institution for Social Security–এর প্রধান ভবনে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই স্থানের আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে নির্বাপন করেন।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে। বিভিন্ন এলাকায় যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার সময় ঘটে।
এর আগে শনিবার ভোরেও কুয়েতের আকাশসীমায় প্রবেশ করা সাতটি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানায় দেশটির সামরিক বাহিনী। সেগুলো দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে ধ্বংস করা হয়। তবে ধ্বংসাবশেষ পড়ে কিছু সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান–এর ওপর যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা শুরু করে। এরপর থেকে ইরানি বাহিনী ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র জানিয়েছে।







