বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

তেলের পাম্পে ‘তেল নেই’ ঘোষণা: যুদ্ধের ছায়া, নাকি কৃত্রিম সংকট?

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তেলের পাম্পে ‘তেল নেই’ ঘোষণা: যুদ্ধের ছায়া, নাকি কৃত্রিম সংকট?

প্রতীকী ছবি

রাজধানী ঢাকার রাজপথে গতকাল এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের ছবি ফুটে উঠেছে। একদিকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশ্বাস—‘তেলের কোনো অভাব নেই, মজুত পর্যাপ্ত’; অন্যদিকে সাধারণ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা—‘পাম্পে তালা, মাইকে তেল নেই ঘোষণা’। মধ্যপ্রাচ্যের ইরানইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ যেন হাজার মাইল দূরের বাংলাদেশের তেলের বাজারেও এসে লেগেছে।

গতকাল সকাল থেকে ঢাকা শহরের অলিগলি ও প্রধান সড়কগুলোতে যে হাহাকার দেখা গেছে, তা কেবল তেলের সংকট নয়; বরং সাধারণ মানুষের জীবন–জীবিকার ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই রাজধানীর চিত্র বদলাতে শুরু করে। বিকেলে যেখানে দীর্ঘ সারি ছিল, শনিবার সকালে সেখানে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা কিংবা ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড।

অথচ গতকালই জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে দাবি করেন, দেশে তেলের কোনো সংকট নেই এবং আগামী সপ্তাহেই নতুন তেলের জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। কিন্তু মন্ত্রীদের এই আশ্বাস মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো স্বস্তি ফেরাতে পারেনি। বরং পাম্প মালিকদের একাংশের রহস্যময় আচরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্থবিরতা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

রাজধানীর তেজগাঁও, সাতরাস্তা ও ধানমন্ডি এলাকার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রবেশপথ দড়ি দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। কর্মচারীরা অলস সময় পার করছেন।

পাম্প মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কমে গেছে। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) বলছে ভিন্ন কথা। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পাম্প মালিকদের একটি অংশ ভবিষ্যতে দাম বাড়ার আশায় তেল মজুত করে রাখছে অথবা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

মগবাজারের একটি পাম্পের ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “গতকাল রাতেও তেলের জন্য মানুষ মারামারি করেছে। আমাদের যে পরিমাণ তেল ছিল, তা রাতেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে ডিপো থেকে গাড়ি আসেনি।”

তবে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কিছু পাম্প পরিচিত গ্রাহকদের কাছে বা বেশি দামে গোপনে তেল বিক্রি করছে। এই অরাজকতা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর কোনো নজরদারি চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এর প্রভাব এখনই তেলের ‘শূন্য মজুত’ পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা নয়। তাদের মতে, এটি মূলত একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক সংকট’।

এই সংকটের পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হচ্ছেঃ  ১. প্যানিক বায়িং: অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করছেন।  ২. গুজব: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে’ ধরনের বার্তায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পাম্পে ভিড় করছেন।  ৩. বাজার নিয়ন্ত্রণহীনতা: সরকারের আশ্বাসের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মিল না থাকায় মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দ্রুত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে এবং পাম্পগুলোতে তদারকি বাড়ানো না হলে এর প্রভাব সরাসরি নিত্যপণ্যের বাজারেও পড়তে পারে। পরিবহন ধর্মঘট বা ভাড়া বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

যারা দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাদের কথা বিবেচনায় রেখে সরকারকে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরাঃ ডিপো থেকে সরবরাহ ত্বরান্বিত করা: বর্তমান মজুত থেকে দ্রুত পাম্পগুলোতে তেল পৌঁছে দেওয়া।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: তেল থাকা সত্ত্বেও ‘নেই’ বলে বিক্রি বন্ধ রাখা পাম্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।  সঠিক তথ্য প্রকাশ: প্রতিদিন কোন পাম্পে কত তেল সরবরাহ হচ্ছে, তা সরকারিভাবে প্রকাশ করা।

যুদ্ধ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তেই হোক না কেন, তার মাশুল যেন দেশের খেটে খাওয়া মানুষকে দিতে না হয়—এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার বকেয়া পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় পৌরসভা কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসিন খন্দকার। তিনি বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বকেয়া কর আদায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে উৎসবমুখর পরিবেশে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেলায় করদাতাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, যাতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে বকেয়া পরিশোধে আগ্রহী হন।

পৌর প্রশাসক বলেন, “পৌরসভা আমাদের সবার। সময়মতো পৌরকর পরিশোধ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা চাই, এই মেলার মাধ্যমে মানুষ সহজ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের বকেয়া পরিশোধ করুক।” এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মেলার প্রচার-প্রচারণা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও মিঠামইন ফেরিঘাটে দীর্ঘদিনের টোল আদায় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিন এই দুটি ফেরিঘাট দিয়ে কৃষকদের যাতায়াতে কোনো প্রকার টোল বা টাকা নেওয়া হবে না।

সম্প্রতি বালিখোলা ফেরিঘাটে অতিরিক্ত ও অবৈধ টোল আদায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বোরো মৌসুমে ধান পরিবহনের সময় এমন হয়রানিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

কৃষকদের এই দুর্ভোগ লাঘবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের সমন্বয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে টোলমুক্ত রাখার এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল সরেজমিনে ফেরিঘাট পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন। তিনি জানান, বোরো মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান নির্বিঘ্নে পরিবহনের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের স্বার্থে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত টোল আদায় বা জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার ঘটনা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, ধান কাটার মৌসুমে ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছিল, যা তাদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল। টোলমুক্ত সিদ্ধান্তে তাদের খরচ কমবে এবং ফসল পরিবহন সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় কৃষকের লাভের অংশ কমিয়ে দেয় এবং বাজার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক স্বস্তিই নয়, বরং কৃষিবান্ধব নীতিনির্ধারণের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ধারিত টোল কাঠামো এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত উপজেলা অষ্টগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি সরাসরি কৃষকদের জমিতে গিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে তাদের অধিকাংশ জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেকেই সারা বছরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল কৃষকদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, সরকার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “হাওরের কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি।”

প্রশাসকের এই মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি ও আশ্বাসে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান স্বপন,সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু,ইটনা উপজেলা বিএনপির সিনয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ইয়াকুব, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. আলী রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়াসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।