সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ১৪৩২

পাকুন্দিয়ায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকুন্দিয়ায় ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাকুন্দিয়া থানাধীন নরপতি সাকিন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সেলিম হোসাইন রকির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের রোববার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দিনদুপুরে সরকারি গাছ কেটে উজাড়, মিঠামইনে ক্ষোভের স্রোত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
দিনদুপুরে সরকারি গাছ কেটে উজাড়, মিঠামইনে ক্ষোভের স্রোত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় দিনদুপুরে সরকারি সড়কের পাশে ২০টি গাছ কেটে উজাড় করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বেড়িবাঁধের পাশে দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকা সরকারি গাছগুলো হঠাৎ করেই কেটে ফেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রকাশ্যে শ্রমিক নিয়ে করাত দিয়ে গাছ কাটা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো তদারকি ছিল না। এতে পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সম্পদ লুটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের নীরবতাকে কাজে লাগিয়ে গাছগুলো কেটে নিয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউই ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি।

মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আবদুল্লাহ বিন শফিক বলেন, “সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। পরবর্তীতে খবর পেয়ে স-মিল থেকে ১০টি গাছ জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

স্থানীয় পরিবেশ সচেতনরা বলছেন, সরকারি গাছ জনগণের সম্পদ। এভাবে দিনের আলোতে গাছ কেটে নেওয়া প্রশাসনিক তদারকির ঘাটতির প্রমাণ। তারা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।

ভৈরবে পাদুকা–প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, পুড়েছে অর্ধকোটি টাকার বেশি মালামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পাদুকা–প্লাস্টিক কারখানায় আগুন, পুড়েছে অর্ধকোটি টাকার বেশি মালামাল

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় একটি পাদুকা ও প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধকোটি থেকে দেড় কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভৈরব উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শম্ভুপুর এলাকার সালাম পাদুকা মার্কেটসংলগ্ন রেনু ট্রেডার্স অ্যান্ড প্লাস্টিক কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, সকালবেলা কারখানা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে এলাকাবাসী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় পরে নদী, কুলিয়ারচর ও নন্দিয়া ফায়ার সার্ভিসের মোট পাঁচটি ইউনিট যৌথভাবে কাজ করে।

প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে এর আগেই কারখানার কাঁচামাল, উৎপাদিত পণ্য ও যন্ত্রপাতি পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

কারখানার মালিক শরিফুল ইসলাম রনি বলেন, ঈদ সামনে রেখে বিপুল পরিমাণ মালামাল মজুত ছিল। আগুনে প্রায় অর্ধকোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, “ঋণ পরিশোধ করব কীভাবে, শ্রমিকদের বেতনই বা দেব কীভাবে—এ চিন্তায় আমি দিশেহারা।”

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানাটিতে প্রায় ৭০ জন শ্রমিক কর্মরত ছিলেন। তবে তারা নিরাপদে বের হয়ে আসায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. আল আমিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তবে তদন্ত শেষে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে।


শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল ১০টায়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল ১০টায়

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুল হাসান মারুফ সভা পরিচালনা করেন।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং সুধী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

এ সময় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুতকরণ, মুসল্লিদের প্রবেশ ও বের হওয়ার সুব্যবস্থা, চিকিৎসা সহায়তা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সভা থেকে জানানো হয়, আসন্ন ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের প্রধান ও একমাত্র জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের জামাত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।