রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিচারিক ডিক্রি কার্যকরে বাজিতপুরে উচ্ছেদ অভিযান, বিরোধপূর্ণ জমি উদ্ধার

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিচারিক ডিক্রি কার্যকরে বাজিতপুরে উচ্ছেদ অভিযান, বিরোধপূর্ণ জমি উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ডিক্রি (Decree) অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে বিরোধপূর্ণ জমির দখল প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাজিতপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ খানের আদেশক্রমে এ উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। জানা যায়, বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়নের দক্ষিণ সরারচর গ্রামের বাসিন্দা মো. আফজাল হোসেন ১৭ অক্টোবর ২০১৬ ইং তারিখে বাজিতপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে রেজিস্ট্রি নং–৩৯৭২ অনুযায়ী সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে আরএস ৫৪৩৮ নং দাগে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ ভূমি ক্রয় করেন।

দীর্ঘদিন জমির দখল না পাওয়ায় তিনি ২০২৩ সালে আদালতে ১৩৫ নং অন্যপ্রকার স্বত্ব ও খাস দখল সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানি শেষে আদালত ৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বাদীর পক্ষে রায় প্রদান করেন এবং উক্ত রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি জারি করা হয়।

আদালতের জারিকৃত ডিক্রির আলোকে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় উক্ত দাগের মোট ২৭ শতাংশ জমির মধ্যে ১.২৫ হিস্যা থেকে ৩.২৫ শতাংশ ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে স্থাপিত গাছপালা ও খড়ের টাল অপসারণ করা হয়। পরে আদালতের ডিক্রি অনুযায়ী জমির দখল গ্রহণ করে প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে নতুন টিনের ছাপড়া নির্মাণ করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু বক্কর সিদ্দিক, সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের নাজির আশরাফুল কবীর তুষার, বাজিতপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল ইসলামসহ ১০–১২ জন পুলিশ সদস্য (নারী ও পুরুষ), সরারচর ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আকমল হোসেন এবং উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির নজরুল ইসলাম। এছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বিবাদী আব্দুস সালাম বলেন, “আমি উচ্চ আদালতে আপিল করব।”

অন্যদিকে বাদী আফজাল হোসেন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে সমাজের বিভিন্ন শালিস দরবারে গিয়েও কোনো সমাধান পাইনি। শেষ পর্যন্ত আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়েছে। আজ আদালতের ডিক্রির মাধ্যমে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।”

অভিযান চলাকালে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ডিজেল-কেরোসিন-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল ২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
ডিজেল-কেরোসিন-পেট্রোল-অকটেনের দাম বাড়ল ২০ টাকা

দেশের বাজারে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের তথ্য জানানো হয়েছে। পুনর্নির্ধারিত দাম সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ চার ধরনের জ্বালানি তেলের প্রতিটির দাম লিটারে ২০ টাকা করে বেড়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। ফলে রোববার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে অর্থাৎ সোমবারের শুরু থেকেই ভোক্তারা নতুন দামে জ্বালানি তেল কিনবেন।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে এতদিন দেশে পুরোপুরি সমন্বয় করা হয়নি বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় না করায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদর অনুযায়ী, ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা এবং এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা হচ্ছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ডিজেলেই বছরে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত লোকসান হতে পারে। লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ালে বছরে বিপিসির লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের তুলনায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে জ্বালানি তেলের দাম বেশি থাকায় সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিপিসির লোকসান কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং পাচারের ঝুঁকি কমানোর বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ৩১ আগস্ট নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা ও পেট্রোল ১৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই দামই এক সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর ছিল।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এসে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একসঙ্গে লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ল। সোমবার থেকে নতুন নির্ধারিত দামেই দেশের বাজারে এসব জ্বালানি তেল বিক্রি হবে।

পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে: ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে: ফজলুর রহমান

সংগ্রহীত ছবি

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, পরিবেশ ও জনবলের অভাবে হাসপাতালগুলো বাজে অবস্থায় আছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তিনি চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের পরিবেশ, জনবলসহ সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালগুলো পরিবেশ ও জনবলের অভাবে বাজে অবস্থায় আছে।’

স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস. এম. কামাল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মনির উদ্দিন চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী এনামুল হক মোল্লা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজাদুর রহমান সুজনসহ আরও অনেকে।

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখানে জরুরি বিভাগে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবলের সংকটে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে খাল খননে ভাঙা ভবনের অংশ পড়ে আছে রাস্তায়, দেখার কেউ নেই

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখননের কাজ প্রায় শেষের দিকে। তবে খাল খননের জন্য ভেঙে ফেলা একটি পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে গাংগাটিয়া বাজারের রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বরাদ্দকৃত ৭০ লাখ ৮৫ হাজার ১৩১ টাকা ব্যয়ে ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খালটির পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সৈয়দপুর থেকে লাখুহাটি হয়ে পানান বিল পর্যন্ত খালটির খনন দৈর্ঘ্য ২.৩৬০ কিলোমিটার।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গাংগাটিয়া বাজারের ক্ষুদিরাম রবী দাসের বাড়িসংলগ্ন স্থানে খালের ওপর বেশ কিছু দোকানপাট গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে কয়েকটি দোকান ছিল পাকা ভবনে। খাল খননের কাজের প্রয়োজনে এসবের মধ্যে একটি পাকা ভবন ভেঙে ফেলা হয়। তবে ভেঙে ফেলা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ এক মাসের বেশি সময় ধরে বাজারের রাস্তায় পড়ে আছে। এতে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম খালটির পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে খননকাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গাংগাটিয়া বাজার এলাকায় প্রায় ৩০০ ফুট খননকাজ এখনো অবশিষ্ট রয়েছে।

খননকাজ চলমান থাকা খালটি ঘুরে দেখা যায়, আব্দুল আজিজ উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ দিকে শত শত মানুষের চলাচলের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি ভেঙে খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ডাংরি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রিয়াদ জানান, ভেকু দিয়ে খাল খননের সময় রাস্তার পাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ মাটি ভরাট না করায় রাস্তাটি ধসে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল হক জানান, ভেঙে ফেলা দোকানের পাকা ভবনের পরিত্যক্ত অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় যানবাহন ও পথচারীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। দ্রুত এসব অংশ অপসারণের দাবি জানিয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

গাংগাটিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় ভেঙে ফেলা ভবনের অংশ রাস্তায় পড়ে থাকায় চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে। বাজারের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা ভবনের অংশবিশেষ অপসারণের দাবি জানান তিনি।

অটোরিকশাচালক সবুজ মিয়া জানান, রাস্তার ওপর ভেঙে ফেলা পাকা ভবনের অংশ পড়ে থাকায় যানবাহন নিয়ে চলাচল করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।

খাল খনন প্রকল্পের সভাপতি ও গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তাঁর মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা আক্তার জানান, “আমি নতুন এসেছি, খোঁজ নিয়ে দেখছি।”