শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি, বিদ্যুৎ সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে অনুমোদিত ৭৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৬৩৮ জন। ফলে ১০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শূন্য পদ পূরণসহ চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনবল সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামের ঘাটতিও রয়েছে।

বর্তমানে হাসপাতালে তিন শিফটে ডায়ালাইসিস সেবা চালু রয়েছে। তবে প্রায় ২০০ রোগী ডায়ালাইসিসের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন। রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও ডায়ালাইসিস মেশিন প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে এমআরআই, সি-আর্ম, এন্ডোস্কোপি, কলোনোস্কপি, অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ, ইউরোলজি অপারেশন সেট, ল্যারিঙ্গোস্কোপ, ওপিজি ডেন্টাল এক্স-রে ও ল্যাপারোস্কোপিক মেশিন প্রয়োজন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি হৃদরোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণে ক্যাথল্যাব স্থাপনের দাবিও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া বার্ন ইউনিট, ইউরোলজি, নিউরোসার্জারি, ইমার্জেন্সি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। এসব বিভাগ চালু হলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হাসপাতালটিতে ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন না থাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে পৃথক বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, হাসপাতালের সামনের রাস্তা প্রশস্তকরণ, ইনসিনারেটর ও ইটিপি চালু, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং আনসার সদস্য বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রোগীসেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে হাসপাতালটিকে অটোমেশনের আওতায় আনার কথাও জানানো হয়।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলাল উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুর রহমান, হাসপাতালের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীদের সেবার মান আরও উন্নত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনস্বার্থে হাসপাতালের সার্বিক সেবাব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা হাসপাতালের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমস্যা, রোগীসেবা, চিকিৎসা কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে।

১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জে ‘গ্রন্থাগারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান (ভিপি সোহেল)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. ইয়াসমিন আহমেদ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহকারী পরিচালক আজিজুল হক সুমন এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. ইকরামুল কবির।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিনন্দ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পাঠাগারের সভাপতি আমিনুল হক সাদী এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা বর্তমান বাস্তবতায় একটি আদর্শ গ্রন্থাগার কেমন হওয়া উচিত, বেসরকারি গ্রন্থাগার নির্দেশিকা, সফটওয়্যার ও অনুদানের জন্য আবেদন এবং গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়- সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, বই আদান-প্রদান, রেফারেন্স ও সাময়িকী ব্যবস্থাপনা, গ্রন্থাগারে পাঠোপকরণ সংরক্ষণ, ছাঁটাইকরণ ও প্রতিষেধক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তরুণ প্রজন্মকে গ্রন্থ ও গ্রন্থাগারমুখী করতে গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় এবং বেসরকারি গ্রন্থাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিটিং বিষয়েও বক্তারা আলোচনা করেন।

কর্মশালায় হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন, হাওরে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি ও বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য ও জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ১৩টি উপজেলার ৬০ জন গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বৌলাইয়ে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বৌলাইয়ে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

কিশোরগঞ্জে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২-এর একটি আভিযানিক দল।

গ্রেপ্তার মো. বাবুল মিয়া (২৭) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার দক্ষিণ রাজকুন্তি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।

এসআরবি-১৪ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাবুল মিয়ার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর থানার বৌলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাবুল মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-১৩(১)১৮-এর আসামি। ওই মামলায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার সারণির ৯(ক) অনুযায়ী আদালত তাঁকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকে তিনি ওই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিকলীতে ২৪ ঘণ্টা পরেও নৌকা বাইচে নিখোঁজ মাঝির সন্ধান মেলেনি

শেখ ওবায়দুল হক সম্রাট প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
নিকলীতে ২৪ ঘণ্টা পরেও নৌকা বাইচে নিখোঁজ মাঝির  সন্ধান মেলেনি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার সময় নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া মাঝি কফিল উদ্দিনের(৪৫) ২৪ ঘণ্টায়ও সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ মাঝির সন্ধানে দুই দিন ধরে নিকলী থানা পুলিশ ও স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। অভিযান জোরদার করতে জেলা সদর থেকে ডুবুরি দলের সদস্য বাড়ানো হয়েছে।

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ঘোড়াউত্রা নদীর গভীরে নৌকা বাইচ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ কফিল উদ্দিন(৪৫) উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ সেপ্টেম্বর নিকলী বেরিবাঁধ এলাকায় সম্মিলিত নাগরিক সমাজের ব্যানারে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়। এতে কিশোরগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে প্রতিযোগী নৌকা অংশ নেয়। বেরিবাঁধ-সংলগ্ন হাওরে পানি স্বল্পতার কারণে আয়োজক কমিটি খরস্রোতা ঘোড়াউত্রা নদীতে নৌকা বাইচের আয়োজন করে।

নৌকা বাইচ দেখতে শত শত নৌকায় হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত হন। নির্ধারিত স্থান থেকে উপজেলার গুরুই ইউনিয়ন থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া কফিল মাঝির নৌকাটি নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে তিনি নৌকার পেছন দিক থেকে পানিতে পড়ে যান। এ সময় নৌকায় থাকা কয়েকজন মাঝি বিষয়টি দেখতে পান। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন মাঝি কফিল উদ্দিনকে উদ্ধারের জন্য নদীতে ঝাঁপ দেন। তবে তাঁকে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজক কমিটিকে জানানো হয়।

খবর পেয়ে নিকলী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে থানা পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। দুই দিন ধরে অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ কফিল উদ্দিনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় গুরুই ইউনিয়নে কফিল উদ্দিনের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিকলী থানার এসআই রুমান বলেন, “এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ কফিল উদ্দিনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সর্বসাধারণ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে হাওর এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। বিষয়টি যথাযথ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”

এদিকে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে নৌকা বাইচ চলাকালে দুর্ঘটনা বা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসকে আগাম অবহিত করা হয়নি। এ নিয়ে সচেতন স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে।

নিকলী স্থল কাম নদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের একমাত্র নদী ফায়ার স্টেশন হওয়া সত্ত্বেও এখানে কোনো ডুবুরি নেই। প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষ দুর্ঘটনার শিকার হলে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও ডুবুরি না থাকায় উদ্ধারকাজের গতি ব্যাহত হয়। দুর্ঘটনা ঘটলে জেলা অফিস থেকে ডুবুরি দল আসার পর উদ্ধারকাজ শুরু হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক(ডিএডি) মোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ফায়ার সার্ভিসে সব জেলায় ডুবুরি নেই। কিশোরগঞ্জে ডুবুরি থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। ডুবুরি সাধারণত মাঝামাঝি কোনো স্টেশনে থাকে, যেখান থেকে বেশি এলাকায় দ্রুত যাতায়াত করা সম্ভব।”