বছরের পর বছর এক্স-রে মেশিন বিকল, বাইরে ছুটছেন তাড়াইলের রোগীরা
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি বছরের পর বছর ধরে অকেজো থাকায় বন্ধ রয়েছে এক্স-রে সেবা। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের এক্স-রে করাতে হচ্ছে বাইরে গিয়ে। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এক্স-রে মেশিন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এর পাশাপাশি এক্স-রে মেশিনটিও বছরের পর বছর ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীরা এখান থেকে এক্স-রে করাতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাঁদের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করাতে হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে শতাধিক রোগীর ভিড়। তাঁদের মধ্যে অনেক রোগীকেই অন্যান্য পরীক্ষার পাশাপাশি এক্স-রে করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু হাসপাতালে মেশিনটি অকেজো থাকায় এসব রোগীকে বাইরে গিয়ে এক্স-রে করাতে হচ্ছে।
পুরুরা গ্রামের রোগী মানিক মিয়া বলেন, “মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালের বাইরে থেকে আমার হাতের এক্স-রে করাইতে হইছে। এতে ৪০০ টাকা লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রেটা করাইতে পারলে অনেক কম টাকা লাগতো।”
জাওয়ার গ্রামের বাসিন্দা রুশিয়া বেগম বলেন, “বুকের এক্স-রে করান লাগছে। হাসপাতালে এক্স-রে অয় না। হের লাগি ৪০০ টেকা দিয়া বাইরে থেইক্কা করান লাগছে। ফের বাড়ি গিয়া টেকা জোগাড় কইরা আইনা কাম সারা লাগছে।”
এ বিষয়ে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজিবের বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ও হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।














Warning: Array to string conversion in /home/dkishoreganj/public_html/wp-content/plugins/gs-facebook-comments/public/class-wpfc-public.php on line 311
Array