বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হাসপাতালের ফটক ঘিরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, রোগী টানতে দালালচক্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাসপাতালের ফটক ঘিরে ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক, রোগী টানতে দালালচক্র

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পেছনের ফটক ঘেঁষেই গড়ে উঠেছে অন্তত ৯টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। হাসপাতালের ২০০ গজের মধ্যে রয়েছে অর্ধশতাধিক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। শুধু জেলা সদরের এই হাসপাতাল নয়, জেলার ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশপাশেও একই চিত্র দেখা গেছে।হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনেরা ফটকে পৌঁছানোর আগেই তাঁদের ঘিরে ধরেন বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দালালেরা। নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এতে একদিকে যেমন রোগীরা বাড়তি খরচের মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁদের স্বজনেরাও।জুলাইয়ের শেষ দিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার দালালচক্রের তৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও কিশোরগঞ্জে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর আশপাশেই গড়ে উঠেছে একাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। ভৈরব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে রয়েছে তিনটি, পাকুন্দিয়ায় পাঁচটি, করিমগঞ্জে চারটি, কটিয়াদীতে ছয়টি, নিকলীতে চারটি, মিঠামইনে দুটি এবং বাজিতপুরে তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তাড়াইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় রয়েছে দুটি বেসরকারি হাসপাতাল ও সাতটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। হোসেনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে রয়েছে চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও একটি ক্লিনিক। কুলিয়ারচর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেও একটি ক্লিনিকের অবস্থান দেখা গেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসাসুবিধা নেই। এরপরও গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগীদের বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করে সেখানে নেওয়া হয়। কম খরচে উন্নত চিকিৎসা, দ্রুত পরীক্ষার রিপোর্টসহ নানা সুবিধার কথা বলে রোগীদের ভর্তি করানোর অভিযোগ রয়েছে। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে রোগীর কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়।শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রোগী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর সঙ্গে হাসপাতালের কিছু চিকিৎসকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। নার্সদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায়।কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আশপাশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালের পেছনের ফটক ঘেঁষে রয়েছে অন্তত ৯টি প্রতিষ্ঠান। ২০০ গজের মধ্যে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার।অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাঁদের হয়ে নিয়োজিত দালালেরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করালে সময় বেশি লাগবে—এমন কথা বলে রোগীদের বাইরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।গত ১৩ আগস্ট জেনারেল হাসপাতালে আসা এক রোগীর স্বজন ইয়াছিন বলেন, তাঁর ভাতিজার রক্ত পরীক্ষা করানোর সময় একজন ব্যক্তি তাঁকে জানান, হাসপাতালে পরীক্ষা করলে রিপোর্ট পেতে তিন দিন লাগবে। বাইরে করলে এক ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে। পরে বাধ্য হয়ে তিনি বাইরে পরীক্ষা করান।শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে গড়ে উঠেছে পাঁচটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব প্রতিষ্ঠানের সামনে বড় বড় সাইনবোর্ডের পাশাপাশি রোগী আকর্ষণে দালালদের তৎপরতা দেখা যায় বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিয়ে রোগীদের একাংশের অসন্তোষও রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গুরুতর ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের অনেক সময় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে নিরুৎসাহিত করা হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সময়মতো না পাওয়া এবং রোগী ভালোভাবে পরীক্ষা না করেই অন্য প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।একই অভিযোগ করেছেন ১৩ আগস্ট হাসপাতালে আসা রোগী আনোয়ার হোসেন। তাঁর ভাষ্য, টিকিট কাউন্টার থেকে হাসপাতালের বাইরের অংশ পর্যন্ত দালালদের তৎপরতা রয়েছে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা না করালে চিকিৎসক ওষুধ দেবেন না—এমন ভয় দেখানোর অভিযোগ করেন তিনি।তবে হাসপাতালের প্যাথলজি ও রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের ইনচার্জ মিজবাহ উদ্দিন আহমদ নিঝুম বলেন, হাসপাতালের আউটডোর প্যাথলজি বিভাগ সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চালু থাকে। ইনডোরের জরুরি প্যাথলজি সেবাও ২৪ ঘণ্টা দেওয়া হয়। একইভাবে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগও ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে।হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে থাকা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সরিয়ে নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর অনুমোদনের বিষয়ে কিশোরগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন নাজমুল আলম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। ওই চেকলিস্টে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দূরত্বের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই।তিনি বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং ড্রাগ ও নারকোটিক-সংক্রান্ত ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে। সবকিছু পর্যালোচনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে থাকে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।