মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, তদন্তে কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ড, তদন্তে কমিটি গঠন

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ কমিটি গঠন করা হয়।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. গোলাম রহমানকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং গণপূর্ত বিভাগের বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, সোমবারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক গোলাম রহমান ভূঁইয়াকে। তিনি নিজে সদস্যসচিবের দায়িত্বে আছেন। কমিটিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের দুজন এবং ফায়ার সার্ভিসের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, লিফটে আগুন লাগার ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তদন্ত কমিটি তা খতিয়ে দেখবে। আগুন লাগার ঘটনায় কারও গাফিলতি ছিল কি না, থাকলে তা চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সুপারিশ করা হবে। তদন্তে অন্য কোনো বিষয় উঠে এলে সেগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিট থেকে ৬টা ২০ মিনিটের মধ্যে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের বহির্বিভাগে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি স্টেশনের ১০টি ইউনিট কাজ করে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের বিভিন্ন তলায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। এ সময় অনেকে হুড়োহুড়ি করে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে আহত হন। অগ্নিকাণ্ডের পর পদদলিত হয়ে ছয়জনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার এস এম হুমায়ুন কবির সরকার জানান, ওই তথ্য সঠিক নয়। প্রশাসনের যাচাইয়ে মৃতদের তালিকায় থাকা একজনকে জীবিত পাওয়া যায়। তালিকায় থাকা আরও দুজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন বলে তাঁদের পরিবার নিশ্চিত করেছে। হাসপাতালে আনার সময়ই তাঁদের মৃত্যু হয়েছিল। অন্যদের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিভাগীয় কমিশনার আরও জানান, হুড়োহুড়ি ও আতঙ্কের কারণে কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে পদদলিত হয়ে কেউ মারা যাননি। ফায়ার সার্ভিসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তবে এর পর বিভিন্ন পক্ষ থেকে আবার দুজনের প্রাণহানির তথ্য প্রাথমিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে বলে জানানো হয়। সর্বশেষ বিভিন্ন সূত্রে চারজনের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া গেছে। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ও মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে অগ্নিকাণ্ডের পর চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের পরিবার পদদলিত হয়ে নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। তাঁরা হলেন ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের শাহজাহান (৪০) এবং তারাকান্দা উপজেলার বালিখা গ্রামের কুলসুমা (৩৫)।

এদিকে ফুলবাড়িয়া উপজেলার জাহানারা (৫০) নামে একজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১০ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর প্রাথমিকভাবে লিফটে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ, এ ঘটনায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না এবং থাকলে কার দায় রয়েছে—এসব বিষয় তদন্তের পর জানা যাবে।

হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। একই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মাধবদী এলাকার মৃত ইল্লাল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশকে ঘেরাও করে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন।

রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একাধিক দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে, অর্থাৎ পালানোর প্রায় দশ ঘণ্টার মধ্যে, মাধবদী এলাকায় তাঁকে হাতকড়াসহ পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া, পুলিশের কাজে বাধা এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৫৩ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এসআই শরাফিন মিয়া, কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। পরে তাঁরা কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

রেনু মিয়াকে আটকের পর তাঁর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ সাতজন নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মোছা. ইতি আক্তার, মোছা. সাদিয়া, মোছা. আকলিমা আক্তার ও রত্নাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্য তিন নারীর বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ একজন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।

ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ২৯

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ২৯

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রাতভর পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাং সদস্য এবং ২৬ মামলার আসামিসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত ভৈরব শহরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে ১৫ জুন ও ১৩ আগস্ট পৃথক সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ৯২ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ২৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ১৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২৯ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। এ সময় আটক ১৮ জনকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করা হয়। তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করলে মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ভৈরব ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাধিকবার ভৈরবের অভিভাবকদের সচেতন করা হয়েছে, তাঁদের সন্তানরা যেন রাত ১২টার পর প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যায়। এর আগেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ভৈরবের বেশ কয়েকটি ঘটনা নিয়ে সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভৈরবের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। সন্তানদের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে সন্তানদের ছাড়িয়ে নিতে থানার চত্বরে অভিভাবকেরা ভিড় করেন। এ সময় তাঁদের উদ্দেশে সচেতনতামূলক ও সতর্কতামূলক বক্তব্য দেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ। তিনি বলেন, রাত ১২টার পর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে থাকা যাবে না। এর আগে দু’দফায় ৯২ জনকে আটকের পর মূল আসামিদের রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন থেকে থানায় এলে আর ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জানান, ২৬ মামলার আসামি সোহাগ মিয়া (৩২) ও চার মামলার আসামি হাসান মিয়াসহ (২৩) ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে। রাতভর বিশেষ অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মাদক মামলায় একজন, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় দুজন, জিআর/সিআর পরোয়ানাভুক্ত চারজন ও সন্দেহভাজন চারজনসহ বিভিন্ন মামলায় ১৮ জন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনলাইন জুয়া, মাদক সেবন ও মাদক রাখার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। আটক ১৮ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের পৃথক দুটি অভিযানে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৪-এর সিপিসি-২-এর একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি মো. ফরিদ মিয়ার (৪৫) বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানার হাবিব নগর নাকভাঙ্গা বাজার বৌলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদ মিয়া বৌলাই এলাকার মন্নাফ মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ফরিদ মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-২৫(৬)১৪-এর আসামি। ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) সারণির ৭(ক) ধারায় আদালত তাঁকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনি ওই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

অপর একটি আভিযানিক দলও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি মো. রুবেল ফকিরের (৩৫) অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে একই দিন রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানার লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল ফকির বেরুয়াইল কলাপাড়া এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিন ফকিরের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, রুবেল ফকির কিশোরগঞ্জ সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৪৭(৫)১৯-এর আসামি। ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় আদালত তাঁকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনিও ওই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে র‌্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে।