মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের দায়িত্ব নিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের দায়িত্ব নিল সরকার

দেশের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো দুই সেনাসদস্যের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। শহিদ সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক ও সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি দুই পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শহিদ হওয়া সেনাসদস্যদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এই কঠিন সময়ে সরকার ও সেনাবাহিনী তাদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের স্থায়ী ঠিকানায় পরিবারের জন্য একটি করে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাদের স্ত্রীদের চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য মাসিক ভাতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎ শেষে শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক ফায়ারিংয়ের সময় গোলা বিস্ফোরণে শহিদ হন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক ও সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।

আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশু কন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব ও মা পারভীন আক্তার।

অন্যদিকে, মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশু কন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক।

সরকারের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি শহিদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ, স্ত্রীদের চাকরি এবং সন্তানদের মাসিক ভাতার মতো দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

সরকারকে না জানিয়েই ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণা!

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
সরকারকে না জানিয়েই ইউপি ভোটের তারিখ ঘোষণা!

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেও এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে অন্য সবার মতো তাঁরাও নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত নির্বাচনের তারিখের বিষয়টি জানতে পেরেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে শুধু এইটুকুই জানাতে চাই, এ ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না এবং সরকারের সঙ্গে কোনো পত্র যোগাযোগ বা অন্য কোনোভাবে আলোচনা হয়নি।”

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তুতি সভা, আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয়ও জড়িত থাকে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “আমি আবারও বলছি, নির্বাচন কমিশন যে তারিখগুলো ঘোষণা করেছে, এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার এ ব্যাপারে কিছু জানে না।”

এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইসির প্রাক্-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে কমিশন জানায়, এবার মোট সাতটি ধাপে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচন আগামী ১২ নভেম্বর শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ইসির প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা বাদে দেশের ৬৩ জেলার সদর বা কাছাকাছি উপজেলার ইউপিগুলো প্রথম ধাপের নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হবে। প্রথম পাঁচটি ধাপেই বেশির ভাগ ইউপির নির্বাচন শেষ করা হতে পারে।

সোমবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইসির প্রাক্-প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা আজ (সোমবার) স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রাক্-প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি এবং সভায় কতগুলো প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত নয়।”

কিশোরগঞ্জে ক্ষুদ্র বেকারি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ক্ষুদ্র বেকারি শিল্প রক্ষায় ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৃহৎ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় কিশোরগঞ্জের ক্ষুদ্র বেকারি শিল্প চরম সংকটে পড়েছে। জেলার শতাধিক ক্ষুদ্র বেকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

ক্ষুদ্র বেকারি শিল্প রক্ষায় সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দাবিতে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ শহরের আখড়া বাজার ব্রিজসংলগ্ন বিজয় চত্বরে মানববন্ধন করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্টরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি বেকারি শিল্পের প্রধান কাঁচামালের দামও বেড়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া না হলে জেলার অনেক ক্ষুদ্র বেকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে কয়েক হাজার শ্রমিক বেকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বক্তারা বেকারি শিল্পের প্রধান কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ভর্তুকি মূল্যে তা সরবরাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের বিল বাণিজ্যিক হারের পরিবর্তে শিল্পহারে নির্ধারণ, ক্ষুদ্র বেকারি মালিকদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ব্যাংকঋণ প্রদান, বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স নবায়ন ও নতুন লাইসেন্স গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং হয়রানি বন্ধের দাবি করেন তারা।

এ ছাড়া বৃহৎ কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতা থেকে ক্ষুদ্র বেকারিগুলোকে রক্ষায় সরকারি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণারও দাবি জানান সমিতির নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. সাব্বির আহমেদ, সহ-সভাপতি মো. বাচ্চু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজিজুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম রাসেল ও উপদেষ্টা সমরেশ চন্দ্র দত্তসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে সমিতির নেতৃবৃন্দ পাঁচ দফা দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেন।

সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশীয় ক্ষুদ্র বেকারি শিল্প এবং এর সঙ্গে জড়িত হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থান রক্ষায় সরকারের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

তাড়াইলে কিশোর তামিম নিখোঁজ, ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে কিশোর তামিম নিখোঁজ, ৮ দিনেও সন্ধান মেলেনি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার মো. তামিম (১৪) নামের এক কিশোর নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পাওয়ায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের।

নিখোঁজ কিশোর মো. তামিম তাড়াইল উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল ইউনিয়নের সাচাইল গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় সহিলাটী উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টার দিকে তামিম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়িতে ফেরেনি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজের সময় তামিমের পরনে ছিল লাল গেঞ্জি ও গাঢ় নীল প্যান্ট। তার উচ্চতা আনুমানিক সাড়ে ৪ ফুট এবং গায়ের রং শ্যামলা। এ ঘটনায় তাড়াইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। জিডি নম্বর-৩১৫।

তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, নিখোঁজ কিশোরের বিষয়ে জিডি পাওয়া গেছে। পুলিশ তাকে উদ্ধারে অনুসন্ধান করছে।

তামিমের বাবা জহিরুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলেটা খুব সহজ-সরল। সে কোথাও একা যায় না। কেউ আমার ছেলেকে দেখে থাকলে দয়া করে আমাদের জানান।’

পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ কিশোরের সন্ধানে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি তামিমের সন্ধান পেলে তার বাবা জহিরুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

যোগাযোগ: ০১৮৪৫-২০৩৩২৮