সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের বিষয়েও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কয়েক দিন ধরে নানা আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নানা বিষয় ছড়িয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনের কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি বলেন, আগামীতে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তাদের এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর—এসব পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বা প্রয়োজন হবে না।

একই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই। সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি নিজে সংসদ সদস্য হলেও তাঁর ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি।

তিনি জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনে নেই, সংবিধানেও নেই। যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রশ্ন ওঠে না, তাই স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তাঁর মতে, এটি রাখা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। একজন সমাজসেবক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া না করলেও স্বশিক্ষিত হতে পারেন।

মীর শাহে আলম বলেন, আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া না করেও কেউ স্বশিক্ষিত হতে পারেন। এমনও হতে পারে, কেউ কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাননি, কিন্তু তিনি মেধাবী এবং তাঁর মধ্যে আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান রয়েছে। তাঁরও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে।

সেই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা বয়সের বাধ্যবাধকতাও নেই। ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে।

হোসেনপুরে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ দাওয়াতী গণসংযোগ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে জামায়াতে ইসলামীর বিশেষ দাওয়াতী গণসংযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে ৩০ দিনব্যাপী ‘দাওয়াতী দশক’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশেষ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. আমিনুল হকের আহ্বানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইসলামের আদর্শের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া হয়।

উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক জৈনউদ্দিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এডিএম মুহিবুল্লাহ, হোসেনপুর পৌরসভা সভাপতি রহমত আলী মাস্টার, যুব বিভাগের সভাপতি মো. আরফান হোসেন বাবরসহ স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা নাজমুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক জৈনউদ্দিন বলেন, একটি সৎ, চরিত্রবান ও মানবিক সমাজ গঠনে দাওয়াতী কাজের বিকল্প নেই। সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে সত্য ও সুন্দর পথে আসার আহ্বান জানানোর লক্ষ্যেই এ দাওয়াতী দশকের আয়োজন করা হয়েছে।

সমাবেশ শেষে হোসেনপুর উপজেলার কুড়িঘাট মোড় থেকে হাসপাতাল মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। এ সময় পথচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে ইসলামী জীবনদর্শনের পরিচিতিমূলক লিফলেট ও বই বিতরণ করা হয়।

নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এ দাওয়াতী দশকের মাধ্যমে হোসেনপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংগঠনের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও গণসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা পলাতক

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন রেনু মিয়া নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রেনু মিয়া ওই এলাকার ইল্লাত মিয়ার ছেলে। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় করা একটি মামলার আসামি রেনু মিয়া। মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। তবে এ সময় কোনো ধরনের হট্টগোল হয়নি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় রেনু মিয়া কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলায় ইউপি নির্বাচন

আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউপি নির্বাচন হবে আগামী ১২ নভেম্বর।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলায় তিনটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কারণ, এ দুই জেলায় উপজেলার সংখ্যা বেশি। এ ছাড়া যেসব জেলায় ১০টি বা তার বেশি উপজেলা রয়েছে, সেসব জেলার দুটি করে উপজেলায় প্রথম ধাপে ভোট হবে। এসব মিলিয়ে প্রথম ধাপে মোট ৮০টি উপজেলা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আদালতের রায়ের কারণে দুটি উপজেলায় নির্বাচন করতে হবে। আর বাকি উপজেলাগুলো বেশি সংখ্যক উপজেলা থাকা জেলাগুলোতে আনুপাতিক হারে সমন্বয় করে প্রথম ধাপে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ষষ্ঠ ও সপ্তম ধাপকে অপেক্ষাকৃত হালকা রাখা হবে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, দ্বিতীয় ধাপে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।