খালেদা-পুত্রকে প্রধানমন্ত্রী দেখে মরতে চেয়েছিলেন মনোয়ারা বেগম, পূরণ হলো বৃদ্ধার ইচ্ছা
“আমি কত দিন আর বাঁচব জানি না, কিন্তু খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী দেখে মরতে চাই।” এই কথাগুলো কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ৯৫ বছর বয়সী অসুস্থ নারী মনোয়ারা বেগমের।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই গুরুতর অসুস্থ শরীর নিয়েও নিজের নাতির হাত ধরে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে নিজের পছন্দের দলের পক্ষে একটি ভোট দিতে পেরে মানসিক প্রশান্তির কথা জানিয়েছিলেন এই বৃদ্ধা।
মঙ্গলবার(১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জিয়া-খালেদাপুত্র তারেক রহমান দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে মনোয়ারা বেগমের বহুদিনের আকাঙ্ক্ষা অবশেষে পূরণ হয়।
ভোটের দিন(১২ ফেব্রুয়ারি) পরিবারের সদস্যদের বারবার নিষেধ অমান্য করে নাতি সুমনের সহায়তায় অটোরিকশায় করে ভোটকেন্দ্রে যান মনোয়ারা বেগম। ভোটদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আর কত দিন বাঁচব জানি না, কিন্তু খালেদার ছেলে তারেক জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী দেখে মরতে চাই।”
আজ সেই কথাই বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
মনোয়ারা বেগমের মতো হাজারো মানুষের ভালোবাসা ও প্রত্যাশা নিয়েই গঠিত হয়েছে নতুন সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকার আগামী দিনে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করবে এবং মনোয়ারা বেগমদের জন্য একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন সচেতন নাগরিকরা।










