রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাকে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনা পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পতাকার মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে এ বাহিনীর সুনাম ও পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দেন এবং পরদিন, ২৭ মার্চ, পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পাঠ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাপ্রিয় বাংলাদেশের জনগণ সব সময় সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব ও সাফল্যকে গোটা দেশের সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে।

বর্তমান পরিবর্তনশীল ভূরাজনীতি ও সামরিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও যুদ্ধের ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণভাবে প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সব বন্ধুরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখবে।

এর আগে, অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান, সন্ত্রাস দমন ও শান্তিরক্ষা মিশনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান করেন তিনি।

এ বছর সম্মানজনক এ স্বীকৃতি পেয়েছে ৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।

ভৈরবে চাঁদা নিয়ে বিরোধ, দুই কারখানা মালিককে কুপিয়ে জখম

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
ভৈরবে চাঁদা নিয়ে বিরোধ, দুই কারখানা মালিককে কুপিয়ে জখম

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চাঁদা না পেয়ে একটি কারখানার দুই মালিককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে শহরের চণ্ডিবের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন চণ্ডিবের এলাকার মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে নুরুল হক (৪৫) ও তাঁর ছোট ভাই মাসুদ রানা (৪০)। তাঁরা ওই এলাকায় অবস্থিত খাঁজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক। কারখানাটিতে গুনা (তার) উৎপাদন করা হয়। আহত নুরুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর ভাই মাসুদ রানা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

আহত নুরুল হকের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে তাঁরা দুই ভাই মিলে খাঁজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। কারখানাটি লাভজনক হওয়ার পর থেকে স্থানীয় মোহাম্মদ আলী ও তাঁর ছেলেসহ কয়েকজন তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। প্রথম দিকে ভয়ে তাঁরা মাঝেমধ্যে চাঁদা দিলেও পরে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করায় তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

নুরুল হক বলেন, রোববার দুপুরে তাঁরা দুই ভাই কারখানা থেকে ১৬ লাখ টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিলেন। এ সময় মোহাম্মদ আলী, তাঁর ছেলেসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলায় তাঁদের হাত-পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তাঁরা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।

পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তাঁর ভাই মাসুদ রানাকে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতদের ভগ্নিপতি মো. রবিন মোল্লা বলেন, মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর শ্যালকদের কাছে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় রোববার দুপুরে তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুল করিম বলেন, আহত দুই ভাইয়েরই হাত-পায়ে গুরুতর আঘাত রয়েছে। নুরুল হকের দুই পায়ের মধ্যে একটি ভেঙে গেছে। তাঁর অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, মাসুদ রানাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর তাঁরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ওসির নির্দেশে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে কটিয়াদীতে অসচ্ছল সনাতন পরিবারকে শাড়ি উপহার

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে কটিয়াদীতে অসচ্ছল সনাতন পরিবারকে শাড়ি উপহার

শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী ২০০টি অসচ্ছল পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার ৪৬টি পূজামণ্ডপের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবারগুলোর কাছে এসব শাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

রোববার বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ শাড়ি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনি আক্তার তারানা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন ও শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু ও শফিকুল ইসলাম ফুলু এবং উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব বিপ্লব চন্দ্র রায় নিমাইসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ অতিথিরা অসচ্ছল পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা শাড়ি বিতরণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ৪৬টি পূজামণ্ডপের মাধ্যমে মোট ২০০টি পরিবারের জন্য ২০০টি শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উৎসবের আগে এ ধরনের সহায়তা পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অসচ্ছল পরিবার এ কর্মসূচির আওতায় এসেছে। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মণ্ডপে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মণ্ডপে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে পূজা উদযাপনকারী আয়োজকদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজা মণ্ডপগুলোর অনুকূলে এসব চেক হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদা রহমানসহ স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় পূজা মণ্ডপগুলোর অনুকূলে আর্থিক অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জেলা পরিষদের এ অনুদান দুর্গাপূজা আয়োজনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎসবের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের বিষয়ে অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।