কটিয়াদীতে আল্লামা মামুনুল হক
আগামীর নির্বাচন শুধু প্রতীকের নির্বাচন নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের নির্বাচন
কটিয়াদী গণসমাবেশে মামুনুল হক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আয়োজনে জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি, গণভোট ও নির্বাচনকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের দাবি এবং খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার(২৫ নভেম্বর) দুপুরে কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত গণসমাবেশে কটিয়াদী উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা তাফাজ্জুল হক রাশিদীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “আগামী ফেব্রুয়ারীতে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন শুধু প্রতীকের নির্বাচন নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটের নির্বাচন। তাতে আপনারা হ্যাঁ ভোট দিবেন।”
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের যেসব দেশপ্রেমিক ইসলামী দল ও রাজনৈতিক পক্ষসমূহ বাংলাদেশকে ভালোবাসে, দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেখতে চায় এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ দেখতে চায়, তাদের সবাইকে হাতে হাত রেখে জুলাই চেতনায় নতুন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
গণসমাবেশে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “বাংলাদেশের অতীত ইতিহাস হচ্ছে সংখ্যালঘুদের নিয়ে রাজনীতি করার ইতিহাস। ইসলাম ক্ষমতায় গেলে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ সকল সম্প্রদায় সঠিক অধিকার পাবে। তাদের অধিকার হরণকারীদের কাছ থেকে তা পাই পাই করে আদায় করে দেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হতে হবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ চায় আবারো ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে। বাংলার মানুষ রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ বিদায় করেছে—নতুন কোনো ফ্যাসিবাদের হাতে তারা স্বাধীন বাংলাদেশের মাটি ইজারা দেবে না।”
তিনি জানান, দেশের মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের পক্ষ থেকে যে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে তাকেই বিজয়ী করতে হবে।
গণসমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন কিশোরগঞ্জ–২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম রুহানী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ–১ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা হেদায়েত উল্লাহ হাদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ, মাওলানা ফজলুর রহমানসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দলীয় নেতাকর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ একাধিক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।







