বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

বিতর্কিত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে উত্তাল কিশোরগঞ্জ এ সংবাদ সম্মেলন

রেজাউল হক প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:১৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বিতর্কিত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে উত্তাল কিশোরগঞ্জ এ সংবাদ সম্মেলন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ইঙ্গিত অনুযায়ী, আগামী বুধবার (১০ ডিসেম্বর) তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গত ২৩ নভেম্বর হতে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। সারাদেশের মানুষ তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন।

এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপির দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন তালিকা প্রকাশিত হলে কিশোরগঞ্জ-০১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন মো. মাজহারুল ইসলাম। তবে স্থানীয় নেতাকর্মী ও তৃণমূলের বৃহৎ অংশ এই মনোনয়ন প্রত্যাখ্যান করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন মনোনয়নপ্রত্যাশী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা পৃথক কর্মসূচিও পালন করতে থাকেন।

এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৮ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জ শহরের স্টেশন রোডস্থ (ফ্যাসিবাদী আমলের ১৭ বছর যাবৎ জেলা বিএনপির কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত)রেজাউল করিম খানের কার্যালয়ে বিএনপির পাঁচ শীর্ষ নেতা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন—

    সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হিলালী, সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জজ ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল হুসাইন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট শরিফুল ইসলাম ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান জনাব মাসুদ হিলালী তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুরের আপামর জনসাধারণের দুঃখ–দুর্দশা দূর করতে একজন যোগ্য প্রার্থী আশা করলেও এই এলাকায় শকুনের দৃষ্টি পড়েছে। দুইবার কিশোরগঞ্জ পৌরসভা মেয়র প্রার্থী হয়ে একবার জামানত বাজেয়াপ্তসহ গোহারা জনাব মাজহারুল ইসলাম স্বৈরাচারের দোসর, আওয়ামী নেতাদের বাসায় আশ্রয় গ্রহণকারী।

যেখানে সাধারণ কর্মীরা কথায় কথায় মামলা খেয়েছে, সেখানে সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও মাজহার সাহেবের একটিও রাজনৈতিক মামলা নেই—এটা সম্ভব হয়েছে শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত থাকার কারণেই। সংবাদ সম্মেলনে জেলা সভাপতি আলমের দিকে ইঙ্গিত করে আরো বলা হয়, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে সাধারণ সম্পাদক হওয়া এবং অন্যের স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে মনোনয়ন পাওয়া মাজহারুলের মনোনয়ন বাতিল করে যোগ্য, ত্যাগী এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত যে–কোনো একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচি হলো—

    ৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে শহর প্রদক্ষিণ করে মশাল মিছিল। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) হোসেনপুর নতুন বাজারে বিকেল ৪:০০টাতে প্রতিবাদ গণসমাবেশ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জ পুরানথানায় দুপুর ৩টা থেকে অবস্থান কর্মসূচি এবং সেখান থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোওয়াফ, থানায় জিডি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোওয়াফ, থানায় জিডি

কিশোরগঞ্জে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় তার বাবা কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম মোঃ নোওয়াফ হোসেন (১৬)। তিনি কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন আলোর মেলা এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করতেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে নোওয়াফ হোসেন কাউকে কিছু না জানিয়ে ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর ছাত্রাবাস কিংবা বাড়িতে ফিরে আসেননি। নিখোঁজের চার দিন পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বাবা খায়রুল আলম জানান, ছেলেকে উদ্ধারের আশায় আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। খোঁজ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

নোওয়াফ হোসেনের গায়ের রং ফর্সা, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং শারীরিক গঠন মাঝারি। তিনি কিশোরগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন।

পরবর্তীতে বিষয়টি আইনগতভাবে নথিভুক্ত ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণের জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, জিডির ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের শিক্ষার্থীসহ তিন সাইবার প্রতারক গ্রেপ্তার: ফিশিংয়ে কোটি টাকার হাতবদল

গত বছরের ১৭ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার বাসিন্দা খিতিশচন্দ্র রায়ের মোবাইল ফোনে বিকাশ থেকে একের পর এক ক্যাশআউটের এসএমএস আসতে থাকে। বিকাশ অ্যাপে ব্যালেন্স চেক করে তিনি দেখতে পান, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দুই লাখ ২২ হাজার টাকা উধাও হয়ে গেছে। সেখানে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৬০০ টাকা।

ভুক্তভোগী খিতিশচন্দ্র রায় জানান, তাঁর এক ব্যাচমেটের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের সহায়তার জন্য বন্ধুদের কাছ থেকে বিকাশে পাঠানো হয়েছিল এই অর্থ। পরে অসাবধানতাবশত একটি ফিশিং লিংকে ক্লিক করার পরই প্রতারণার শিকার হন তিনি। এ ঘটনায় তিনি তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। উল্লেখ্য, খিতিশচন্দ্র রায় নিজেও পুলিশের একজন পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর)।

অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশ। পাশাপাশি র‍্যাবও প্রতারক চক্র শনাক্তে কাজ শুরু করে। তিন থেকে চার মাস ধরে শতাধিক ফোন নম্বর বিশ্লেষণের পর একটি সন্দেহজনক নম্বর শনাক্ত করে র‍্যাব। সেই সূত্র ধরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে ফ্ল্যাটের ভেতরে ও বাইরে অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরা, একাধিক রাউটার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি সরঞ্জাম দেখতে পায় র‍্যাব। বাড়ির মালিক জানান, অভিযুক্তরা নিজেদের শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সার পরিচয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় সাদমান সাকিব প্রিয়ম, তরিকুল ইসলাম ইমন ও মাহিনুর রহমান মাহি নামের তিন যুবককে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় শতাধিক জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, অর্ধশতাধিক মোবাইল ফোন, প্রিন্টারসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রিয়ম আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। মাহি কিশোরগঞ্জের ইশাখা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবি অধ্যয়নরত। তারা ২০২২ সাল থেকে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার প্রতারণায় জড়িয়ে পড়ে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, তারা ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে বিকাশসহ বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ও ওটিপি সংগ্রহ করে অর্থ আত্মসাৎ করে। এছাড়া ওয়াইফাই রাউটার ও সিসিটিভি ক্যামেরা হ্যাক করে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগও রয়েছে।

একই এনআইডি নম্বর রেখে নাম সামান্য পরিবর্তন করে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একাধিক ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলার কৌশলও তারা ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। ঢাকায় মাসিক প্রায় ৫০ হাজার টাকা ভাড়ার ফ্ল্যাটে বসবাস, দামি মোবাইল ফোন ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করত তারা। এলাকাবাসীর মধ্যেও তাদের জীবনযাপন নিয়ে আগে থেকেই সন্দেহ ছিল।

এক প্রতিবেশী বলেন,
“মাঝেমধ্যে প্রাইভেট কার আসত, দামি জিনিসপত্র ব্যবহার করত। তখন বুঝিনি, এখন বোঝা যাচ্ছে টাকার উৎস কী ছিল।”

পুলিশ জানিয়েছে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ জব্দের জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।