রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৭ ১৪৩২
রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৭ ১৪৩২

কটিয়াদীতে পুলিশের জব্দ করা মালামাল ছিনিয়ে নেয়ায় জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে পুলিশের জব্দ করা মালামাল ছিনিয়ে নেয়ায় জামায়াত–শিবিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ

(উপরে) পুলিশের জব্দ করা পাইপ, (নীচে)জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুনের উগ্র আচরণ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে অন্যত্র সরানোর সময় জব্দ করা মালামাল পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে প্লাস্টিকের বস্তায় করে ৮৪টি হাফ ইঞ্চি, ২.৫ ফুট দৈর্ঘ্যের প্লাস্টিক পাইপ, চারটি কাঠের লাঠি এবং কয়েকটি ফেস্টুন অন্যত্র সরানোর সময় ঝাকালিয়া মডেল স্কুলের সামনে বিষয়টি স্থানীয়দের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। পরে তারা কটিয়াদী মডেল থানায় খবর দেয়।

খবর পেয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুল্লাহ খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মালামালগুলো জব্দ করে। পুলিশ জানায়, বিষয়টি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট হওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ঘটনাস্থলে আসার জন্য অবহিত করা হয়।

তবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় জব্দকৃত মালামাল থানায় নেওয়ার উদ্যোগ নিলে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুন ও কটিয়াদী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সিয়ামের নেতৃত্বে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা পুলিশের কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে তারা জব্দকৃত মালামাল পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার কিছুক্ষণ পর নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীরা পুলিশের কাজে বেআইনিভাবে বাধা দিয়েছেন। তাদের দাবি, নির্বাচনের দিন নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব পাইপ ও লাঠি জামায়াতের কার্যালয়ে মজুত রাখা হয়েছিল।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোজাম্মেল হক জোয়ারদার বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা। এসব পাইপ আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবীরা নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করে থাকেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসান আল মামুন কটিয়াদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুল ইসলামের হাত ধরে টান দেন এবং উগ্র আচরণ করেন। এ সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনাও দেখা যায়।

ঘটনার বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “ঘটনাটি সত্য। ম্যাজিস্ট্রেট আসার আগেই জামায়াত–শিবিরের নেতাকর্মীরা পাইপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম জোর করে নিয়ে চলে যান।”

ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকাবাসী এ ঘটনাকে ন্যক্কারজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, পুলিশের সঙ্গে এ ধরনের উদ্ধত আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। স্থানীয়দের দাবি, বিএনপি হোক বা জামায়াত—যে কোনো দল আইন ভঙ্গ করলে অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত।

ধানের শীষের জোয়ারে কিশোরগঞ্জ শহর, বিএনপির বিশাল মিছিলে জনস্রোত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
ধানের শীষের জোয়ারে কিশোরগঞ্জ শহর, বিএনপির বিশাল মিছিলে জনস্রোত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। এরই অংশ হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থনে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় শহরের পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে কালীবাড়ী মোড়, আখড়াবাজারসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পুরাতন স্টেডিয়ামে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারের অংশগ্রহণে মিছিলটি জনস্রোতে পরিণত হয়। ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা হাতে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানে বলেন—“আমরা সবাই একজোট, ধানের শীষে দেব ভোট”, “মাজহারুল ভাইয়ের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন”, “তারেক জিয়ার সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন।”

এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মানুষ আবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, “ধানের শীষ শুধু একটি দলের প্রতীক নয়, এটি দেশবাসীর আবেগ, আশা ও প্রত্যাশার প্রতীক।” আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাঈল মিয়া, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু নাসের সুমন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

কটিয়াদীতে ধানের শীষের প্রার্থীর সঙ্গে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের মতবিনিময় সভা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ধানের শীষের প্রার্থীর সঙ্গে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের মতবিনিময় সভা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কটিয়াদী উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের সঙ্গে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার রাতে কটিয়াদী পশ্চিমপাড়া শ্রী শ্রী লক্ষ্মীনারায়ণ জিউর আখড়ায় অনুষ্ঠিত সভায় আখড়ার সভাপতি বাবু দিলীপ কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহিদুল ইসলাম সেলিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু ও শফিকুর রহমান বাদল। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিটু ও শফিকুল ইসলাম ফুলু বক্তব্য রাখেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক বাবু জীবন চন্দ্র দাস, সাংবাদিক বেণী মাধব ঘোষ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী স্বপন কুমার সাহা, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কটিয়াদী উপজেলা শাখার সদস্যসচিব বিপ্লব চন্দ্র রায় নিমাইসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “আপনারা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ভোট দেবেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে যেমন মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা দেওয়া হবে, তেমনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরের পুরোহিতদেরও সম্মানী ভাতা প্রদান করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাই। আপনারা আমাকে বিজয়ী করলে আপনাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার দায়িত্ব আমি নিজে নেব। আপনারা নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে বসবাস করবেন—কেউ ভয়ভীতি বা হুমকি দিতে পারবে না।”

কিশোরগঞ্জ–১ আসনে তীব্র লড়াইয়ের আভাস, জটিল হচ্ছে ভোটের সমীকরণ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ–১ আসনে তীব্র লড়াইয়ের আভাস, জটিল হচ্ছে ভোটের সমীকরণ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর) আসনে দিন দিন বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সম্ভাব্য ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাসে ভোটের মাঠ জমে উঠেছে, একই সঙ্গে জটিল হয়ে উঠছে নির্বাচনী সমীকরণ। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও তাদের কর্মী–সমর্থকদের প্রচারণায় সরগরম পুরো এলাকা।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৭৮৩ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৫০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন। আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮১টি এবং বুথ সংখ্যা ১ হাজার ১৮টি। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে নতুন করে ৮৪৯টি গোপন কক্ষ যুক্ত করা হয়েছে।

প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী এই সংসদীয় আসনে দুটি পৌরসভা—কিশোরগঞ্জ ও হোসেনপুর—এবং মোট ১৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদরে ১১টি এবং হোসেনপুর উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন অন্তর্ভুক্ত।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া এই প্রার্থীর মনোনয়ন ঘিরে শুরুতে দলের ভেতরে কিছুটা বিভক্তি দেখা দিলেও নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঐক্যের ডাক জোরালো হচ্ছে।

অন্যদিকে বিএনপির সাবেক মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোরগ প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। বিগত দুই নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে তার ব্যক্তিগত ভোটব্যাংক রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সজীব বলেন, “এবার মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ধানের শীষ ও মোরগ প্রতীকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।” বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী এ আসনে প্রার্থী না দেওয়ায় ভোটের হিসাব নতুন করে কষা হচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।

এদিকে ১১ দলীয় জোটের শরিক দুইটি ইসলামী দলের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। খেলাফত মজলিসের দেয়ালঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী শায়খুল হাদিস মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী পাল্টাপাল্টি প্রচারণা চালাচ্ছেন। এতে ইসলামী ধারার ভোটারদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ পর্যায়ে এসে বড় দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের সুর শোনা যাচ্ছে। মান–অভিমান ভুলে নেতাকর্মীরা এক মঞ্চে আসার চেষ্টা করছেন। সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, নির্ধারিত তারিখে একটি শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।