রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার- জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার- জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

আবুধাবিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিমের আগ্রাসী শুরুর পরও ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিতে পারেনি দলটি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। এই হারে সিরিজের ফাইনালে ওঠার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে তাওহিদ হৃদয়দের জন্য।

রোববার (১৮ অক্টোবর) আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে বড় লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক দুর্বলতার আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকল ম্যাচটি। ২৪০ রানের বেশি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের সর্বশেষ ১০ ম্যাচের আটটিতেই হার এসেছে।

লক্ষ্য তাড়ায় সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে আক্রমণাত্মক শুরু করেন তানজিদ হাসান তামিম। দুজনের ব্যাটে দ্রুত রান আসতে থাকায় বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনাও জোরালো মনে হচ্ছিল। তবে সপ্তম ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সৌম্য ফিরলে ভাঙে ৪৭ রানের উদ্বোধনী জুটি। সেখান থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়।

তানজিদও নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। একাধিকবার ক্যাচের সুযোগ থেকে বেঁচে গেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৯টি চার ও একটি ছক্কায় ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। আউট হওয়ার আগের বলেও থার্ড ম্যানে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি, তবে ফিল্ডারের ভুলে সে যাত্রায় বেঁচে যান।

তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে অভিজ্ঞ নাজমুল হোসেন শান্তও থিতু হতে পারেননি। ব্র্যাড ইভান্সের ভেতরের দিকে ঢোকা ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাবেক অধিনায়ক। এ সময় একটি রিভিউও নষ্ট করে বাংলাদেশ।

এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ও দলকে বিপর্যয় থেকে উদ্ধার করতে পারেননি। জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা স্পিনের বিপক্ষে সামনের পায়ে এসে সুইপ ও রিভার্স সুইপ খেললেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা ব্যাকফুটে খেলার কৌশলে সফল হননি। এলবিডব্লিউ হয়ে হৃদয় ফেরেন ২১ বলে ১৩ রান করে। একইভাবে ১৮ বলে ১১ রান করে আউট হন মোসাদ্দেক হোসেন। হৃদয়ের উইকেট নিয়ে উল্লাস করেন সিকান্দার রাজা।

হৃদয়ের পর ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ফিরিয়ে দেন সাইফ হাসানকেও। কিছুটা থিতু হওয়ার পর কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন সাইফ। পরে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নুরুল হাসান সোহানও বড় কোনো অবদান রাখতে পারেননি। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংস আরও চাপে পড়ে।

একপর্যায়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৪৭ রান করা বাংলাদেশ ১২৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বসে। পরে টেলএন্ডারদের ব্যাটে হারের ব্যবধান কিছুটা কমে। তবে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলতে পারেনি দলটি। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্র্যাড ইভান্স ৪৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন।

এর আগে টস হেরে বোলিংয়ে নেমে শুরুতেই জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডারে ধস নামান বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ। তাঁর বোলিংয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। তবে সেখান থেকে দলকে ঘুরে দাঁড় করান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেইলর।

চতুর্থ উইকেটে এই দুই ব্যাটারের ১৫০ রানের জুটি জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয়। সেঞ্চুরি থেকে অল্পের জন্য দূরে থাকা আরভিন ১০৬ বলে ৯৩ রান করেন। অন্যদিকে টেইলর ১০১ বলে করেন ৮১ রান। তাঁদের ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ৪৪ রান দিয়ে ৩টি এবং শরিফুল ইসলাম ৪৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। তবে ব্যাটিংয়ে বড় ধসের কারণে বোলারদের লড়াই কাজে আসেনি। ৯৯ রানের এই পরাজয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ বাংলাদেশের জন্য আরও কঠিন হয়ে গেল।শুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার—জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশশুরুটা দুর্দান্ত, শেষটা হতাশার—জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হারল বাংলাদেশ

ভৈরবে চাঁদা নিয়ে বিরোধ, দুই কারখানা মালিককে কুপিয়ে জখম

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
ভৈরবে চাঁদা নিয়ে বিরোধ, দুই কারখানা মালিককে কুপিয়ে জখম

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চাঁদা না পেয়ে একটি কারখানার দুই মালিককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে শহরের চণ্ডিবের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন চণ্ডিবের এলাকার মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে নুরুল হক (৪৫) ও তাঁর ছোট ভাই মাসুদ রানা (৪০)। তাঁরা ওই এলাকায় অবস্থিত খাঁজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক। কারখানাটিতে গুনা (তার) উৎপাদন করা হয়। আহত নুরুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর ভাই মাসুদ রানা ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

আহত নুরুল হকের অভিযোগ, কয়েক বছর আগে তাঁরা দুই ভাই মিলে খাঁজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। কারখানাটি লাভজনক হওয়ার পর থেকে স্থানীয় মোহাম্মদ আলী ও তাঁর ছেলেসহ কয়েকজন তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। প্রথম দিকে ভয়ে তাঁরা মাঝেমধ্যে চাঁদা দিলেও পরে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করায় তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

নুরুল হক বলেন, রোববার দুপুরে তাঁরা দুই ভাই কারখানা থেকে ১৬ লাখ টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হচ্ছিলেন। এ সময় মোহাম্মদ আলী, তাঁর ছেলেসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলায় তাঁদের হাত-পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তাঁরা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।

পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুরুল হকের শারীরিক অবস্থার অবনতি বিবেচনায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তাঁর ভাই মাসুদ রানাকে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতদের ভগ্নিপতি মো. রবিন মোল্লা বলেন, মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর শ্যালকদের কাছে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় রোববার দুপুরে তাঁদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুল করিম বলেন, আহত দুই ভাইয়েরই হাত-পায়ে গুরুতর আঘাত রয়েছে। নুরুল হকের দুই পায়ের মধ্যে একটি ভেঙে গেছে। তাঁর অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, মাসুদ রানাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর তাঁরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ওসির নির্দেশে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুর্গাপূজা উপলক্ষে কটিয়াদীতে অসচ্ছল সনাতন পরিবারকে শাড়ি উপহার

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
দুর্গাপূজা উপলক্ষে কটিয়াদীতে অসচ্ছল সনাতন পরিবারকে শাড়ি উপহার

শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী ২০০টি অসচ্ছল পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার ৪৬টি পূজামণ্ডপের মাধ্যমে উপকারভোগী পরিবারগুলোর কাছে এসব শাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

রোববার বিকেলে কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ শাড়ি বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনি আক্তার তারানা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন ও শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু ও শফিকুল ইসলাম ফুলু এবং উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্যসচিব বিপ্লব চন্দ্র রায় নিমাইসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ অতিথিরা অসচ্ছল পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা শাড়ি বিতরণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার ৪৬টি পূজামণ্ডপের মাধ্যমে মোট ২০০টি পরিবারের জন্য ২০০টি শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উৎসবের আগে এ ধরনের সহায়তা পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলো কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপের মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অসচ্ছল পরিবার এ কর্মসূচির আওতায় এসেছে। ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মণ্ডপে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মণ্ডপে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ

শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে পূজা উদযাপনকারী আয়োজকদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজা মণ্ডপগুলোর অনুকূলে এসব চেক হস্তান্তর করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদা রহমানসহ স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় পূজা মণ্ডপগুলোর অনুকূলে আর্থিক অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জেলা পরিষদের এ অনুদান দুর্গাপূজা আয়োজনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উৎসবের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের বিষয়ে অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করা হয়।