বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে স্থান হবে না: জালাল উদ্দিন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্যকারীদের বিএনপিতে স্থান হবে না: জালাল উদ্দিন

সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিএনপিতে কোনো স্থান হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। তিনি বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর পক্ষে কাজ করতে হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে; প্রয়োজনে বহিষ্কারও করা হতে পারে।

রোববার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে উপজেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে হলে দলের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি ত্যাগী, পরীক্ষিত ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দলে কোনো স্থান দেওয়া হবে না। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সম্মানজনক অবস্থানে রাখার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন বলেন, একই পদে একাধিক নেতা দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন। তবে দলীয় প্রক্রিয়ায় শেষ পর্যন্ত একজনকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। মনোনয়নপ্রত্যাশী সবাইকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে এবং নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে দল তাঁর দায়ভার নেবে না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।

মনোনয়ন না পাওয়া নেতাদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে জালাল উদ্দিন বলেন, এবার কেউ মনোনয়ন না পেলেও তাঁর রাজনৈতিক পথ বন্ধ হয়ে যাবে না। ধৈর্য ধরে দলের জন্য কাজ করতে হবে এবং এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। ভবিষ্যতে তাঁদেরও দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তাই ব্যক্তিগত প্রত্যাশার চেয়ে দলের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় জোরদার এবং আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন। সভার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ডা. জহর লাল সাহা, সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, শফিকুর রহমান বাদল, শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ, সৈয়দ আরেফিন তারা, মো. শহিদুল্লাহ ও আতিকুর রহমান আতিক।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুল; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিঠু, শফিকুল ইসলাম ফুলু ও শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার; সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ আলী; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল হক শাহজাহান; কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান বাচ্চু; যুববিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাসুদ; ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক তাসরিফুল হাসিব; শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ; স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. ইলিয়াস আলী; সহযুববিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেতু এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. সানা উল্লাহ, বাবু জীবন চন্দ্র দাস, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল ইসলাম সেবক, সাইফুল মতিন জুয়েল, হাদিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া শ্যামল, মোবারক হোসেন, আব্দুল কুদ্দুছ রতন ও ইলিয়াস কাঞ্চন ভূঁইয়া শরিফসহ উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতারা।

করিমগঞ্জে গভীর রাতে পেট্রোল ঢেলে পিকআপে আগুন

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে গভীর রাতে পেট্রোল ঢেলে পিকআপে আগুন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বাড়ির পাশে পার্ক করে রাখা একটি জেক পিকআপে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে গাড়িটির ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাড়ির মালিক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, করিমগঞ্জ উপজেলার কিরাটন ইউনিয়নের কিরাটন গাংপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহীন ইসলাম (৩৫) জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন জেক পিকআপটি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ন-১৩-৬৬৯০) নিজ বাড়ির সামনে কবরস্থানসংলগ্ন একটি কাঁচা রাস্তায় পার্ক করে রেখেছিলেন। গত সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়ির লোকজনের ডাক-চিৎকারে ঘুম ভাঙলে তিনি বাইরে এসে গাড়িটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুমন (২৮), মো. ইসমাইল (২৭), আতিবুর মিয়াসহ (৩৬) আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গাড়িটির ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। এতে গাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মালিক শাহীন ইসলাম জানান, পিকআপটি ভাড়ায় চালিয়ে তিনি কোনোমতে সংসার চালাতেন। এটি ছিল তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম। গাড়িটি পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ ঘটনায় তিনি করিমগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কিরাটন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান জানান, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতায় কিশোরগঞ্জে যুবদলের লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতায় কিশোরগঞ্জে যুবদলের লিফলেট বিতরণ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা যুবদল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোশতাক আহমেদ শাহীনের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় শহরের বিভিন্ন সড়কে পথচারী, ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

কর্মসূচিতে জেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সরকারের জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ভেদাভেদ ভুলে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, এমপি।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কিশোরগঞ্জ জেলার পরিচালন বাজেটের আওতায় গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ (অফ পেভমেন্ট) কার্যক্রমে নিয়োজিত লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি (এলসিএস) শ্রমিকদের মধ্যে সঞ্চয়ী অর্থের চেক বিতরণ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২৬ সালের ৩০ জুন মেয়াদ শেষে কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২৬ জন শ্রমিকের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও নীতি বাস্তবায়নের অন্যতম চালিকাশক্তি মাঠ প্রশাসন। সরকারের অর্জন ও সাফল্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সরকার জনকল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এসব পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনবান্ধব মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ জন শ্রমিকের হাতে জনপ্রতি ১ লাখ ৯ হাজার টাকার সঞ্চয়ী অর্থের চেক তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিক ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ. এইচ. এম. ইজাজুল হক, ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুসা শেখ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আলী জিন্নাহ এবং কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, চেকপ্রাপ্ত এলসিএস শ্রমিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে বেলা ১১টার দিকে ছয়সূতী ইউনিয়নের জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে রাজস্ব খাতের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কুলিয়ারচরের কালী নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।