বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আসছে নতুন শিক্ষাক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আসছে নতুন শিক্ষাক্রম

প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে শিক্ষাক্রম, শিক্ষক, তদারকি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফের যৌথ আয়োজনে ‘মাঠপর্যায় থেকে সংস্কার: বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতিটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। একটি ক্ষেত্রের উন্নয়ন করে অন্যগুলোকে উপেক্ষা করলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না। তাই মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে সমন্বিত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে।

নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা, গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি খেলনাভিত্তিক শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট ও প্রায়োগিক শিখনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া বিদ্যালয়গুলোতে শিখন-সময়ের বৈষম্য কমানো এবং সরকারি-বেসরকারি সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় মানদণ্ড নির্ধারণের ওপর জোর দেন তিনি।

শিক্ষকদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়োগ, প্রাক্‌-চাকরি প্রশিক্ষণ, পদায়ন, পেশাগত উন্নয়ন ও মূল্যায়নকে সমন্বিত করে একটি ‘শিক্ষক নীতিমালা’ প্রণয়নের কাজ চলছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষকদের মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। বর্তমান সরকারের প্রথম অর্থবছরে এ খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই বছরে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতির পাশাপাশি শিক্ষকসংকট দূর করা, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষকদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’- হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’- হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

‘নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য এবং ‘পথ যেন হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) হোসেনপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সামনে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকেরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন। বক্তব্যে তিনি সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নিসচা হোসেনপুর উপজেলা শাখার সদস্যসচিব ও সাংবাদিক সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও নিসচার সদস্য সাংবাদিক মাহফুজ রাজা, উপজেলা শাখার সদস্য ও সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম এবং ওমর ফারুক খান জনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার সদস্য কবি হাদিউল ইসলাম, সাংবাদিক উজ্জ্বল কুমার সরকার, সাগর মিয়া, এস এম রিফাত, এস কে শাহীন নবাব, রিফাত মিয়া, ফরিদা পারভিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সচেতন নাগরিকেরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আকিল উদ্দিন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। অসতর্কতা, বেপরোয়া গতি, ট্রাফিক আইন অমান্য এবং যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে দায়িত্বহীনতার কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার আর্থিক ও মানসিক সংকটের মুখে পড়ছে। তাই সড়ক নিরাপদ করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

তাঁরা আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একার দায়িত্ব নয়। চালক, যাত্রী, পথচারী, পরিবহনমালিক ও সাধারণ নাগরিক—সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। চালকদের নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা, গাড়ি চালানোর সময় মুঠোফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা, বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা জরুরি।

বক্তারা বলেন, যাত্রীদেরও চলন্ত গাড়িতে সতর্ক থাকতে হবে এবং পথচারীদের নির্ধারিত স্থান দিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হবে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট ব্যবহার, গাড়িচালকদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা এবং সড়কে প্রতিযোগিতামূলকভাবে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী মানুষের নিরাপদে সড়ক পারাপারে সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

তাঁদের মতে, ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। শুধু দিবস পালন করেই নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা যাবে না; বরং সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি প্রতিদিনের জীবনে চর্চা করতে হবে। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইন প্রয়োগেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীরা একটি সচেতনতামূলক র‍্যালিতে অংশ নেন। পরে সাধারণ মানুষের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এসব লিফলেটে ট্রাফিক আইন মেনে চলা, সতর্কতার সঙ্গে সড়ক ব্যবহার এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

নিসচা হোসেনপুর উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ জানান, সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তাঁদের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।

বক্তারা আরও বলেন, প্রতিটি জীবনই মূল্যবান। সামান্য অসতর্কতা যেন কোনো পরিবারের শোকের কারণ না হয়, সে জন্য সড়কে চলাচলের সময় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং আইন মেনে চলতে হবে। সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমেই হোসেনপুরসহ সারা দেশে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলা সম্ভব।

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা।

‘সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন’- মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
‘সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন’- মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন স্পিকার

‘সমাজের নিকৃষ্ট লোকেরা এমপি-মন্ত্রী হন’—নিজের এমন মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। সে সময় এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল, যাতে সমাজের ভালো মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতির অবসান হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্পিকার এসব কথা বলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এসব কথা আমি আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করে বলেছি। তারা তখন এমন একটা পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছিল, সমাজের ভালো লোকের নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। আশা করি, এ অবস্থার অবসান হবে। বর্তমান সরকার সবেমাত্র ক্ষমতায় এসেছে।’

নির্বাচনব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তারা তা নেয়নি। নির্বাচনব্যবস্থায় আমূল সংস্কার প্রয়োজন। সমাজের গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরা যাতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। নির্বাচন অবশ্যই নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে। তাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া জরুরি। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এসব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় সুষ্ঠু হয়েছে।

দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদ প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, জেলাটিতে আরও বিপুল পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে তাঁরা আশা করছেন। এসব গ্যাস কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এ বিষয়ে সরকার বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বড় একটি সম্ভাবনা ভোলায় রয়েছে। ভোলার গ্যাসের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের ন্যায্য অধিকার রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন স্পিকার।

এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর এবং ভোলা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রাইসুল আলমসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১১ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় নিখোঁজের তিন দিন পর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে নিখোঁজের তিন দিন পর ডোবা থেকে আব্দুল খালেক (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ধামতী ইউনিয়নের দক্ষিণখার গ্রামের আলী আজ্জমের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আব্দুল খালেক ওই গ্রামের মৃত জুনাব আলীর ছেলে। তাঁর বাবার নাম জমিরউদ্দীন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে পথচারীরা আলী আজ্জমের বসতঘরের পাশের ডোবায় মানুষের মতো কিছু একটা ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে দেবীদ্বার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। দেবীদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম হাসান ও উপপরিদর্শক (এসআই) সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।

নিহতের ছেলে সোহাগ মিয়া মরদেহটি তাঁর বাবার বলে শনাক্ত করেন। তিনি জানান, গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাঁর বাবা নশু মার্কেটে গ্রাম্য চিকিৎসক আলমের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। তিন দিন পর বৃহস্পতিবার তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় আব্দুল খালেকের হাতের মুঠোয় একটি টর্চলাইট পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ডোবায় পড়ে মারা যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।