বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রশাসনে পক্ষপাতের অভিযোগ

সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির অভিযোগ, সরকারের কিছু উপদেষ্টার বক্তব্য ও কার্যক্রমে নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল ও পদায়নে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে নেতারা মনে করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের এখনই এমন আচরণ ও পদক্ষেপ নিতে হবে, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিরপেক্ষ চরিত্রের অনুরূপ হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে ফেরার পর বিএনপি নেতারা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, যেখানে প্রশাসনিক রদবদল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল এবং নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে দলের উদ্বেগ জানানো হবে।

প্রশাসনে পক্ষপাতের অভিযোগ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা গণমাধ্যমকে জানান, প্রশাসনে রদবদল ও পদায়নে কিছু উপদেষ্টা “বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে” কাজ করছেন। তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকা তৈরিতে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে—যার প্রমাণ দলটির কাছে রয়েছে।

নেতারা বলেন, নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। বিএনপি মনে করে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলের আস্থা অর্জনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দৃশ্যমান নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করা।

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল নিয়ে উদ্বেগ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ২ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত করার নির্দেশ দেয়। এতে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুতের কথা বলা হয়।
বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, এই তালিকা প্রণয়নে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এজন্য তারা ইসিকে সতর্কভাবে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রশাসনিক রদবদল নিয়েও প্রশ্ন

বৈঠকে বলা হয়, ৫ আগস্টের পর প্রশাসনে যেসব রদবদল হয়েছে, সেখানে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ের কিছু কর্মকর্তা ও নতুন করে একটি দলের ঘনিষ্ঠদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। নেতাদের মতে, এটি প্রশাসনের নিরপেক্ষ অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

জুলাই সনদে স্বাক্ষর বিষয়ে সিদ্ধান্ত

বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, বিএনপি “জুলাই সনদ”-এ স্বাক্ষর করবে। তবে দলটি আগে সনদের চূড়ান্ত খসড়া বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আগামী ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদ দলের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন বলে জানা গেছে।

প্রচারণা জোরদার ও অপপ্রচার মোকাবিলা

নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে বিএনপির প্রচারণা কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে বলে বৈঠকে স্বীকার করা হয়। এজন্য দলের মিডিয়া সেল ও কমিউনিকেশন টিমকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার মোকাবিলা ও নিজস্ব ন্যারেটিভ জোরদার করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির অভিমত

স্থায়ী কমিটির আলোচনায় নেতারা বলেন, কিছু উপদেষ্টার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, তারা সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছেন। তবে বিএনপি চায় না—এতে জনমনে নতুন উদ্বেগ বা বিভাজন সৃষ্টি হোক।
নেতারা জোর দিয়ে বলেন,

“যেহেতু নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হওয়ার কথা, তাই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত নিজেদেরকে নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো করে গড়ে তোলা—যাতে প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে।”

বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

সংগ্রহীত ছবি

শ্রম আইনসংক্রান্ত একটি মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে নাভানা গ্রুপ ও আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাজেদুল ইসলাম শুভ্র বনানীর একটি ভবনে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত থেকে পুলিশ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা দীর্ঘ সময় গেট না খোলায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাতভর ভবনের বাইরে অবস্থান করতে হয়। ঘটনাস্থলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ভবনের ভেতরে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি, যার মধ্যে চালক ও দেহরক্ষীও ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতে দায়ের করা একটি শ্রম বিরোধসংক্রান্ত মামলায় আদালতের রায় দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলাটি আফতাব অটোমোবাইলসের সাবেক এক কর্মকর্তার পাওনা অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত বিরোধ থেকে উদ্ভূত বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সফিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটিকেও প্রতিপক্ষ করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, শ্রম আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় গত ৩ মে ২০২৬ সংশ্লিষ্ট আদালত সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেপ্তারের পর সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

মশিউর রহমান চন্দন প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় গাঁজা সেবনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিচার শেষে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার দ্বীপেশ্বর গ্রামের আব্দুল মোতালিবের ছেলে রফিক মিয়া (৫০), একই গ্রামের মৃত আব্দুলের ছেলে কাসেম (৫৮) এবং পূর্ব দ্বীপেশ্বর গ্রামের হাসিম উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়া (২৩)।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, রফিক মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড, কাসেমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ইমন মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকার একটি দোকানে মাদক সেবনের অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তিনজনকে আটক করা হলে তারা গাঁজা সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরবর্তীতে আদালত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “হোসেনপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে চটকদার প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে শফিক নজরুলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। তদন্তের স্বার্থে চক্রের অন্য সদস্য, অর্থ লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে শফিক নজরুল নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো প্রতারণার সঙ্গে জড়িত নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আদালতে তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে দেওয়া তার সাজেশন থেকে প্রশ্ন কমন এসেছিল এবং সে কারণে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিল ও জামিনের আবেদন জানায়। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘LAW DOCTOR’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ‘১০০টি এমসিকিউ পড়লেই নিশ্চিত পাস’—এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, শফিক নজরুল নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে পরীক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন এবং পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করতেন।

একজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তার কাছ থেকে মোট ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং ধাপে ধাপে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। তবে ১২ জুন অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি প্রতারণার অভিযোগ এনে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।