শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ ১৪৩২
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ ১৪৩২

প্রশাসনে পক্ষপাতের অভিযোগ

সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির অভিযোগ, সরকারের কিছু উপদেষ্টার বক্তব্য ও কার্যক্রমে নিরপেক্ষতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিশেষ করে প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল ও পদায়নে পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে নেতারা মনে করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের এখনই এমন আচরণ ও পদক্ষেপ নিতে হবে, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিরপেক্ষ চরিত্রের অনুরূপ হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে ফেরার পর বিএনপি নেতারা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, যেখানে প্রশাসনিক রদবদল, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল এবং নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে দলের উদ্বেগ জানানো হবে।

প্রশাসনে পক্ষপাতের অভিযোগ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা গণমাধ্যমকে জানান, প্রশাসনে রদবদল ও পদায়নে কিছু উপদেষ্টা “বিশেষ রাজনৈতিক দলের পক্ষে” কাজ করছেন। তিনি দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার তালিকা তৈরিতে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে—যার প্রমাণ দলটির কাছে রয়েছে।

নেতারা বলেন, নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। বিএনপি মনে করে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলের আস্থা অর্জনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দৃশ্যমান নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করা।

ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার প্যানেল নিয়ে উদ্বেগ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গত ২ সেপ্টেম্বর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত করার নির্দেশ দেয়। এতে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুতের কথা বলা হয়।
বিএনপির নেতারা অভিযোগ করেন, এই তালিকা প্রণয়নে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠীর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এজন্য তারা ইসিকে সতর্কভাবে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রশাসনিক রদবদল নিয়েও প্রশ্ন

বৈঠকে বলা হয়, ৫ আগস্টের পর প্রশাসনে যেসব রদবদল হয়েছে, সেখানে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ের কিছু কর্মকর্তা ও নতুন করে একটি দলের ঘনিষ্ঠদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। নেতাদের মতে, এটি প্রশাসনের নিরপেক্ষ অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

জুলাই সনদে স্বাক্ষর বিষয়ে সিদ্ধান্ত

বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, বিএনপি “জুলাই সনদ”-এ স্বাক্ষর করবে। তবে দলটি আগে সনদের চূড়ান্ত খসড়া বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আগামী ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সালাহউদ্দিন আহমদ দলের পক্ষে স্বাক্ষর করবেন বলে জানা গেছে।

প্রচারণা জোরদার ও অপপ্রচার মোকাবিলা

নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ে বিএনপির প্রচারণা কার্যক্রমে ঘাটতি রয়েছে বলে বৈঠকে স্বীকার করা হয়। এজন্য দলের মিডিয়া সেল ও কমিউনিকেশন টিমকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার মোকাবিলা ও নিজস্ব ন্যারেটিভ জোরদার করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির অভিমত

স্থায়ী কমিটির আলোচনায় নেতারা বলেন, কিছু উপদেষ্টার বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, তারা সরকারের নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছেন। তবে বিএনপি চায় না—এতে জনমনে নতুন উদ্বেগ বা বিভাজন সৃষ্টি হোক।
নেতারা জোর দিয়ে বলেন,

“যেহেতু নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হওয়ার কথা, তাই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত নিজেদেরকে নিরপেক্ষ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো করে গড়ে তোলা—যাতে প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে।”

ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কটিয়াদীতে এনসিপির প্রচার কর্মসূচি

মিজানুর রহমান প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের পক্ষে কটিয়াদীতে এনসিপির প্রচার কর্মসূচি

কিশোরগঞ্জ–২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের গণভোটকে কেন্দ্র করে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর উদ্যোগে ব্যাপক প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা বাজার এলাকায় এ প্রচারণা কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক আবু সাঈদ (উজ্জ্বল)। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং গণভোটের গুরুত্ব ও দেশের উন্নয়নে ভোটাধিকার প্রয়োগের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রচারণাকালে আবু সাঈদ উজ্জ্বল বলেন, “দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের মতামতের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কোনো বিকল্প নেই। জনগণই রাষ্ট্রের মালিক—এই মালিকানা প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সচেতনভাবে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এই গণভোট দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই সব ধরনের ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে সবাইকে নির্ভয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

এ সময় এনসিপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। প্রচারণা চলাকালে লিফলেট বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে গণভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান আরও জোরদার হয়।

বাজিতপুরে মার্কিন সিনেটর বড় ভাই দেশে এসে ভোট চাইলেন ছোট ভাইয়ের পক্ষে

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে মার্কিন সিনেটর বড় ভাই দেশে এসে ভোট চাইলেন ছোট ভাইয়ের পক্ষে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে স্বতন্ত্র বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের হাঁস প্রতীকের বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল তিনটায় বাজিতপুরের ঐতিহাসিক ডাক বাংলার মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় হাজারো মানুষের ঢল নামে, যা একপর্যায়ে মহাসমাবেশে রূপ নেয়।

জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের বড় ভাই, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এবং তিনবারের মার্কিন সিনেটর শেখ মুজাহিদ রহমান চন্দন। তিনি বলেন, “আমি যদি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর হতে পারি, তাহলে আমার ভাই কেন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য হতে পারবে না? গত ৪৬ বছর ধরে আমি বিদেশে অবস্থান করছি। এই সময়ে বাংলাদেশ অনেক উন্নয়ন করলেও বাজিতপুর ও নিকলী এখনো পিছিয়ে রয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হাঁস মার্কায় ভোট দিয়ে আমার ভাইকে জয়যুক্ত করুন।”

তিনি আরও বলেন, বাজিতপুর–নিকলীর মানুষ যদি ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে দাঁড়ায়, তবে এ জনপদে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব।

জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “আমি আপনাদের কাছে একটি মাত্র ভোট ভিক্ষা চাই। আমাকে একটি ভোট দিন—আমি আপনাদের পাঁচ বছর নিরাপত্তা দেব। ইনশাল্লাহ, আপনারা দরজা খোলা রেখেই নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন।”

তিনি বলেন, “দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে আমি বাজিতপুর–নিকলীর মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থাকব। দল-মত নির্বিশেষে—হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ—সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই এলাকাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে চাই।”

দলীয় বহিষ্কার প্রসঙ্গে ইকবাল বলেন, “আমার দলের যেসব নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের মাধ্যমে এই অন্যায়ের জবাব দেওয়া হবে। এই বিজয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উপহার হিসেবে দেওয়া হবে।”

জনসভায় বাজিতপুর পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। এতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয় এবং ডাক বাংলার মাঠে সৃষ্টি হয় এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক জনসমাবেশ।

স্কুলশিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’-এর স্লোগান: ২ শিক্ষকসহ বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
স্কুলশিক্ষার্থীদের দিয়ে ‘ধানের শীষ’-এর স্লোগান: ২ শিক্ষকসহ বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের শোকজ

স্কুলশিক্ষার্থীদের দিয়ে নির্বাচনী স্লোগান দেওয়ানোর অভিযোগে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জালাল উদ্দীনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কমিটির চেয়ারম্যান ও সিভিল জজ খাদিজা আক্তারের স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে এ শোকজ দেওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) পাকুন্দিয়া উপজেলার ছোট আজলদী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিএনপি প্রার্থী জালাল উদ্দীনের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়ানো হয়। স্লোগানগুলোর মধ্যে ছিল—‘জালাল ভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের পক্ষে হোক’, ‘আমরা যদি ভোটার হতাম, ধানের শীষে ভোট দিতাম’ এবং ‘ভোট দেবো কিসে, ধানের শীষে’।

এ ঘটনায় পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রূপন দাস নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা–২০২৫-এর ১৫(খ) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

একই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের দুই প্রধান শিক্ষক ও এক সহকারী শিক্ষককেও কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কমিটি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাদের নোটিশ দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, কেন এ ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না এবং কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে আগামী রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বাজিতপুর চৌকি আদালতে নিকলী সিভিল জজ আদালতের কার্যালয়ে সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও সিভিল জজ খাদিজা আক্তার শোকজ নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।