শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

ব্যবসায়ীদের শাটডাউনে অচল শহর

হারিছ আহমেদ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ব্যবসায়ীদের শাটডাউনে অচল শহর

কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত কে দখল করবে—হকার নাকি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ, ব্যবসায়ীরা রাস্তায়, আর প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।

শহরের প্রধান সড়কগুলো গত কয়েক বছর ধরে একটি অবৈধ দখল মহোৎসবে পরিণত হয়েছে। ফুটপাত দখল, অস্থায়ী দোকান, যত্রতত্র স্টল আর প্রতিদিনের চাঁদাবাজির কারণে শহরের জনজীবন কার্যত পঙ্গু। অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে যায় হকারদের স্থাপনায়; তবুও কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ফুটপাত দখলে ‘অদৃশ্য ক্ষমতা’ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফুটপাত দখলদাররা শুধু জায়গা দখল করছে না; তারা ব্যবসা, চলাচল, নিরাপত্তা—সবকিছুতে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে।

ব্যবসায়ী সমিতি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে জানিয়েছে, ফুটপাত এখন জনতার নয়; হকার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। মার্কেট এলাকায় ক্রেতারা হাঁটতে পারে না, যানজট নিত্যদিনের। ঝগড়াঝাঁটি, ধাক্কাধাক্কি, শব্দদূষণ—এসব এখন শহরের স্বাভাবিক চিত্র হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষায়, এটি আর ফুটপাত দখল নয়—এটি প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্য সন্ত্রাস।

গতকাল রাতে ফুটপাত হকারদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের তীব্র বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা ঘোষণা দেন—কিশোরগঞ্জ মার্কেট আজ থেকে শাটডাউন। শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। স্লোগান ওঠে—‘কিশোরগঞ্জে সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নেই’, ‘হকার সন্ত্রাস বন্ধ করো’, ‘চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ভেঙে দাও’। পরে ব্যবসায়ী নেতারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।

হকারদের মুখে আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠে এসেছে। তাদের দাবি, ফুটপাতে ব্যবসা করতে হলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাঁদা দিতে হয়। ৫ আগস্টের আগে এই টাকা দিতে হতো সুমন মাহমুদকে; এখন এই টাকার বড় অংশ যায় কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমনের কাছে।

পূর্বেও ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করে বেড়ানোর অভিযোগে জাকারিয়া ও তার ভাই–ভাতিজাদের বিরুদ্ধে হারুয়া এলাকার লোকজন একাধিক মামলা করেছে। গ্রেফতারের দাবিতে মিছিল, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেছে। কিন্তু দলের নেতৃবৃন্দ কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়নি; বরং উল্টো জাকারিয়া গংদের রক্ষার জন্য থানায় তদবির করেছে বলেও অভিযোগ হারুয়া এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমন বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার নামে এসব রটানো হচ্ছে। তার দাবি, তার সঙ্গে শতাধিক হকার রয়েছে, তিনি কোনো চাঁদাবাজি করেননি, কাউকে করতে দেনওনি। তার ভাষ্য—যারা তার নামে অভিযোগ দিয়েছে তারা প্রকৃত হকার নয়; হকারদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন আখড়া বাজারের পাপন, সুজন, ওয়ালিদ গংরা।

হকাররা বলেন, “আমরা টাকা দিই বলে ফুটপাতে ব্যবসা করি। নিজেদের ক্ষমতায় কেউ এখানে বসতে পারে না। প্রতিটি দোকানের জন্য জামানত দিতে হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। প্রতিদিন টাকা না দিলে নেতাদের লোকজন এসে মারধর করে। এখন আমরা বিপদে—নেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।”

সরকার পরিবর্তনের পর চাঁদা কম দিতে চাইলে জাকারিয়া ঝুমন ও তার লোকজন মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে বলেও অভিযোগ হকারদের। মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। চাঁদা না দিলে সঙ্গে সঙ্গে ‘গুন্ডাপাণ্ডা’ বাহিনী এসে স্টল উল্টে দেয়, মালপত্র ভাঙচুর করে, দোকান বন্ধ রাখার হুমকি দেয়। এই চক্র ফুটপাত ব্যবসায়ী ও দোকানদার উভয়ের কাছ থেকেই টাকা তোলে।

এক হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আজ আমরা উচ্ছেদের মুখে পড়ে গেছি; কিন্তু যারা আমাদের কাছ থেকে প্রতিদিন টাকা নিয়েছে, তারা এখন আমাদের নামও নিচ্ছে না।”

হকারদের দাবি, শুধু ফুটপাত নয়—গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠেও প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ওঠে জাকারিয়া ঝুমনের লোকজনের মাধ্যমে। তার নাম কেউ মুখে আনলেই মারধরের ভয় দেখানো হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক হকার বলেন, “আগে ক্ষমতাসীনরা যেভাবে রাজনৈতিক ছায়ায় চাঁদাবাজি করত, এখনো একই পদ্ধতিতে চলছে। দল পাল্টায়, নেতৃত্ব পাল্টায়—কিন্তু চাঁদাবাজি থামে না।”

ব্যবসায়ীদের দাবি—ফুটপাত দখলকারীদের অবিলম্বে উচ্ছেদ, চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট ধ্বংস, স্থায়ী নজরদারি টিম গঠন, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।

শহরের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, প্রশাসন দেরি করলে কিশোরগঞ্জের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে। স্মারকলিপিতে জমা দেওয়া অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর। ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, হামলা, রাজনৈতিক প্রভাব—সবকিছুই বহুদিন ধরে চলে আসছে; কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো কঠোর অভিযান হয়নি।

এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, “অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে প্রশাসনের এক দিনের অভিযানই যথেষ্ট। কিন্তু প্রশ্ন হলো—তারা কি সত্যিই চাইছে?”

কিশোরগঞ্জ শহর এখন দুই শক্তির দ্বন্দ্বে জর্জরিত—হকার দখলদার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট বনাম সাধারণ ব্যবসায়ী জনতা।

কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদ বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের চাঁদাবাজিতে লিপ্ত থাকে, তা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির দায় সংগঠন নেবে না।

প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি আরও বিস্ফোরক হয়ে উঠতে পারে, এবং কিশোরগঞ্জ একটি স্থায়ী সংকটে জড়িয়ে পড়তে পারে—যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন হবে।

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই শহীদদের অবদান তুলে ধরা এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করার আহ্বানও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো একইভাবে উদযাপন করা হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41