মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্যবসায়ীদের শাটডাউনে অচল শহর

হারিছ আহমেদ প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ব্যবসায়ীদের শাটডাউনে অচল শহর

কিশোরগঞ্জ শহরের ফুটপাত কে দখল করবে—হকার নাকি চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুঁজতে সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ, ব্যবসায়ীরা রাস্তায়, আর প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।

শহরের প্রধান সড়কগুলো গত কয়েক বছর ধরে একটি অবৈধ দখল মহোৎসবে পরিণত হয়েছে। ফুটপাত দখল, অস্থায়ী দোকান, যত্রতত্র স্টল আর প্রতিদিনের চাঁদাবাজির কারণে শহরের জনজীবন কার্যত পঙ্গু। অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত আটকে যায় হকারদের স্থাপনায়; তবুও কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ফুটপাত দখলে ‘অদৃশ্য ক্ষমতা’ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফুটপাত দখলদাররা শুধু জায়গা দখল করছে না; তারা ব্যবসা, চলাচল, নিরাপত্তা—সবকিছুতে ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে।

ব্যবসায়ী সমিতি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে জানিয়েছে, ফুটপাত এখন জনতার নয়; হকার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে। মার্কেট এলাকায় ক্রেতারা হাঁটতে পারে না, যানজট নিত্যদিনের। ঝগড়াঝাঁটি, ধাক্কাধাক্কি, শব্দদূষণ—এসব এখন শহরের স্বাভাবিক চিত্র হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের ভাষায়, এটি আর ফুটপাত দখল নয়—এটি প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্য সন্ত্রাস।

গতকাল রাতে ফুটপাত হকারদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের তীব্র বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা ঘোষণা দেন—কিশোরগঞ্জ মার্কেট আজ থেকে শাটডাউন। শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। স্লোগান ওঠে—‘কিশোরগঞ্জে সন্ত্রাসীদের ঠাঁই নেই’, ‘হকার সন্ত্রাস বন্ধ করো’, ‘চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ভেঙে দাও’। পরে ব্যবসায়ী নেতারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেন।

হকারদের মুখে আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠে এসেছে। তাদের দাবি, ফুটপাতে ব্যবসা করতে হলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাঁদা দিতে হয়। ৫ আগস্টের আগে এই টাকা দিতে হতো সুমন মাহমুদকে; এখন এই টাকার বড় অংশ যায় কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমনের কাছে।

পূর্বেও ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করে বেড়ানোর অভিযোগে জাকারিয়া ও তার ভাই–ভাতিজাদের বিরুদ্ধে হারুয়া এলাকার লোকজন একাধিক মামলা করেছে। গ্রেফতারের দাবিতে মিছিল, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালন করেছে। কিন্তু দলের নেতৃবৃন্দ কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়নি; বরং উল্টো জাকারিয়া গংদের রক্ষার জন্য থানায় তদবির করেছে বলেও অভিযোগ হারুয়া এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমন বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তার নামে এসব রটানো হচ্ছে। তার দাবি, তার সঙ্গে শতাধিক হকার রয়েছে, তিনি কোনো চাঁদাবাজি করেননি, কাউকে করতে দেনওনি। তার ভাষ্য—যারা তার নামে অভিযোগ দিয়েছে তারা প্রকৃত হকার নয়; হকারদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করেন আখড়া বাজারের পাপন, সুজন, ওয়ালিদ গংরা।

হকাররা বলেন, “আমরা টাকা দিই বলে ফুটপাতে ব্যবসা করি। নিজেদের ক্ষমতায় কেউ এখানে বসতে পারে না। প্রতিটি দোকানের জন্য জামানত দিতে হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। প্রতিদিন টাকা না দিলে নেতাদের লোকজন এসে মারধর করে। এখন আমরা বিপদে—নেতারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।”

সরকার পরিবর্তনের পর চাঁদা কম দিতে চাইলে জাকারিয়া ঝুমন ও তার লোকজন মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে বলেও অভিযোগ হকারদের। মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। চাঁদা না দিলে সঙ্গে সঙ্গে ‘গুন্ডাপাণ্ডা’ বাহিনী এসে স্টল উল্টে দেয়, মালপত্র ভাঙচুর করে, দোকান বন্ধ রাখার হুমকি দেয়। এই চক্র ফুটপাত ব্যবসায়ী ও দোকানদার উভয়ের কাছ থেকেই টাকা তোলে।

এক হকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আজ আমরা উচ্ছেদের মুখে পড়ে গেছি; কিন্তু যারা আমাদের কাছ থেকে প্রতিদিন টাকা নিয়েছে, তারা এখন আমাদের নামও নিচ্ছে না।”

হকারদের দাবি, শুধু ফুটপাত নয়—গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠেও প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ওঠে জাকারিয়া ঝুমনের লোকজনের মাধ্যমে। তার নাম কেউ মুখে আনলেই মারধরের ভয় দেখানো হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক হকার বলেন, “আগে ক্ষমতাসীনরা যেভাবে রাজনৈতিক ছায়ায় চাঁদাবাজি করত, এখনো একই পদ্ধতিতে চলছে। দল পাল্টায়, নেতৃত্ব পাল্টায়—কিন্তু চাঁদাবাজি থামে না।”

ব্যবসায়ীদের দাবি—ফুটপাত দখলকারীদের অবিলম্বে উচ্ছেদ, চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট ধ্বংস, স্থায়ী নজরদারি টিম গঠন, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।

শহরের সাধারণ মানুষ মনে করছেন, প্রশাসন দেরি করলে কিশোরগঞ্জের পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে। স্মারকলিপিতে জমা দেওয়া অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর। ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, হামলা, রাজনৈতিক প্রভাব—সবকিছুই বহুদিন ধরে চলে আসছে; কিন্তু এখনো দৃশ্যমান কোনো কঠোর অভিযান হয়নি।

এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, “অবৈধ দখল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে প্রশাসনের এক দিনের অভিযানই যথেষ্ট। কিন্তু প্রশ্ন হলো—তারা কি সত্যিই চাইছে?”

কিশোরগঞ্জ শহর এখন দুই শক্তির দ্বন্দ্বে জর্জরিত—হকার দখলদার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট বনাম সাধারণ ব্যবসায়ী জনতা।

কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদ বলেন, দলের নাম ভাঙিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের চাঁদাবাজিতে লিপ্ত থাকে, তা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজির দায় সংগঠন নেবে না।

প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ছাড়া এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি আরও বিস্ফোরক হয়ে উঠতে পারে, এবং কিশোরগঞ্জ একটি স্থায়ী সংকটে জড়িয়ে পড়তে পারে—যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন হবে।

কিশোরগঞ্জে ৩৯ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদককারবারি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ৩৯ পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদককারবারি আটক

কিশোরগঞ্জে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে ৩৯ পিস ইয়াবাসহ আ. মান্নান (৩৫) নামে এক শীর্ষ মাদককারবারিকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কামাল ভূঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার জালুয়াপাড়া এলাকায় ফাল্গুনী সিনেমা হলের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আ. মান্নান কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের জালুয়াপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিনি এলাকায় তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ মাদককারবারি।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার এসআই মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সোমবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। দীর্ঘ নজরদারির পর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আ. মান্নান পালানোর চেষ্টা করলে চারদিক থেকে ঘেরাও করে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৩৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী এসআই মামুনুর রশিদ জানান, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন এবং তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছিলেন। মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ওসি মোহাম্মদ আবুল কামাল ভূঞা বলেন, “মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জালুয়াপাড়া এলাকা থেকে চিহ্নিত মাদককারবারি মান্নানকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভৈরবে ৭৫ লিটার দেশীয় মদসহ মাদককারবারি আটক

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ৭৫ লিটার দেশীয় মদসহ মাদককারবারি আটক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৭৫ লিটার দেশীয় মদসহ সোরাপ মিয়া (৩২) নামে এক মাদককারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে ভৈরব–কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের ভৈরব লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের লিখিত বক্তব্যে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সোরাপ মিয়া র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি ইজিবাইক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার হেফাজতে দেশীয় মদ থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ইজিবাইকের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৭৫ (পঁচাত্তর) লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ইজিবাইকটিও জব্দ করা হয়েছে।

আটক মাদককারবারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিকলীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস–২০২৬ অনুষ্ঠিত

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
নিকলীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস–২০২৬ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ‘পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন Program on Agricultural and Rural Transformation for Nutrition, Entrepreneurship and Resilience in Bangladesh (PARTNER) প্রকল্পের আওতায় এ কংগ্রেস আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানটি বেলা ২টায় শেষ হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাদ্দাম হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করেন। এতে কৃষিবিদরা স্থানীয় কৃষির উন্নয়ন, অধিক ফলন নিশ্চিতকরণ, উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার, আধুনিক কৃষিযন্ত্রের সর্বোচ্চ প্রয়োগ এবং নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে গুণগত মান বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিমুখী কৃষি উন্নয়নের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও তথ্য সংগ্রহ এবং তার সঠিক প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

বর্তমান বোরো মৌসুমে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কৃষকদের ৮০ শতাংশ ধান পাকার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ফসল কেটে নেওয়ার পরামর্শ দেন উপস্থিত অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুস সামাদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ছালেহা খাতুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক আবীর, দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আনোয়ার হোসেন এবং নিকলী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ উবাইদুল হক সম্রাটসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।