শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

এডাব এর উদ্যোগে কিশোরগঞ্জে এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর সেমিনার অনুষ্ঠিত

মো: মিজনুর রহমান রিপন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৫১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
এডাব এর উদ্যোগে কিশোরগঞ্জে এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ওপর সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাসমূহের একটি সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান এসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ (এডাব) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে কিশোরগঞ্জ জেলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের অগ্রগতিকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে আজ ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সোমবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এডাব কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও র‍্যাক-বাংলাদেশ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইবাদুর রহমান বাদলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েপ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান রিপনের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুল হাসান মারুফ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ মঈনুর রহমান মনির ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ কামরুল হাসান মারুফ বলেন, “এসডিজি বাস্তবায়ন একটি জাতীয় প্রতিশ্রুতি। সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দারিদ্র্যতা হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা, লিঙ্গ সমতা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাস্তব অগ্রগতি অর্জন করতে পারবো।” তিনি এ লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ, তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জনাব এবাদুর রহমান বাদল বলেন, “এডাব দেশব্যাপী সুশীল সমাজ ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে এনে এসডিজি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে। কিশোরগঞ্জেও আমরা উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে পারস্পরিক সমন্বয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছি।”

সেমিনারে সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন কর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় এসডিজির ১৭টি লক্ষ্য বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অভিন্ন মত প্রকাশ পাওয়া যায় যে, একযোগে কাজ ও পরিকল্পিত উদ্যোগই দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে।
সেমিনারে কোরান তেলাওয়াত করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের মসজিদের ঈমাম মোঃ আব্দুল মতিন ভূঁঞা। এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি বিষয়ক সেমিনারের উপর প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন এডাব সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়কারী মু. বাবুল আখতার। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্য থেকে বক্তব্য প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিটের সভাপতি মোঃ ফাইজুল হক গোলাপ, আরডিও’র নির্বাহী পরিচালক ও এডাব কার্যকরি সদস্য রুবিনা আক্তার, উইডু’র সমন্বয়কারী ও এডাব কার্যকরি সদস্য খায়রুল ইসলাম, তৃষ্ণা সমাজকল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তারিকুল আলম, এফএইচপি’র এরিয়া ম্যানেজার মোহন নাগ ও কুড়িমারা আলোকিত যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হাওর বাচাঁও আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান খান লিপন, আইনজীবি আসাউজ্জামান জুয়েল, আলোকিত সামাজিক সংঘের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কালের নতুন সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার রিতু আক্তার, ছাত্রী সাবরিনা রহমান পূর্ণ ও রৌদিয়া রহমান প্রাপ্তিসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ প্রমুখ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ডিএসও’র প্রতিনিধি মো আজিজুল হক ফাহিম।

বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার বকেয়া পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় পৌরসভা কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসিন খন্দকার। তিনি বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বকেয়া কর আদায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে উৎসবমুখর পরিবেশে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেলায় করদাতাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, যাতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে বকেয়া পরিশোধে আগ্রহী হন।

পৌর প্রশাসক বলেন, “পৌরসভা আমাদের সবার। সময়মতো পৌরকর পরিশোধ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা চাই, এই মেলার মাধ্যমে মানুষ সহজ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের বকেয়া পরিশোধ করুক।” এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মেলার প্রচার-প্রচারণা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও মিঠামইন ফেরিঘাটে দীর্ঘদিনের টোল আদায় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিন এই দুটি ফেরিঘাট দিয়ে কৃষকদের যাতায়াতে কোনো প্রকার টোল বা টাকা নেওয়া হবে না।

সম্প্রতি বালিখোলা ফেরিঘাটে অতিরিক্ত ও অবৈধ টোল আদায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বোরো মৌসুমে ধান পরিবহনের সময় এমন হয়রানিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

কৃষকদের এই দুর্ভোগ লাঘবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের সমন্বয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে টোলমুক্ত রাখার এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল সরেজমিনে ফেরিঘাট পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন। তিনি জানান, বোরো মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান নির্বিঘ্নে পরিবহনের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের স্বার্থে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত টোল আদায় বা জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার ঘটনা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, ধান কাটার মৌসুমে ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছিল, যা তাদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল। টোলমুক্ত সিদ্ধান্তে তাদের খরচ কমবে এবং ফসল পরিবহন সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় কৃষকের লাভের অংশ কমিয়ে দেয় এবং বাজার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক স্বস্তিই নয়, বরং কৃষিবান্ধব নীতিনির্ধারণের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ধারিত টোল কাঠামো এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত উপজেলা অষ্টগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি সরাসরি কৃষকদের জমিতে গিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে তাদের অধিকাংশ জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেকেই সারা বছরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল কৃষকদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, সরকার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “হাওরের কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি।”

প্রশাসকের এই মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি ও আশ্বাসে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান স্বপন,সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু,ইটনা উপজেলা বিএনপির সিনয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ইয়াকুব, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. আলী রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়াসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।