বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে যখন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ ও দোয়া-ইবাদতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকায় সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দুই ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গাইটাল পুকুরপাড়ে ভূঁইয়া প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সেমি-পাকা মার্কেটের মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্স এবং বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার নামক দু’টি দোকানে আগুন লাগে। এতে দু’টি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেলসহ দোকান দু’টির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এশার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও আলোচনা চলাকালীন সময়ে রাস্তায় চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বন্ধ থাকা দোকানের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা দোকান মালিক ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খালিদের সঙ্গে কথা বলা হলে তাকে স্টেশনে ভেজা পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় পাওয়া যায়। তিনি জানান, ঘটনার সময় দমকল বাহিনীর সদস্যরা নামাজ শেষে নামাজের পোশাকেই ছিলেন। গাইটাল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা দ্রুত দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে দুটি দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল কাদির জানান, তার দোকানে একটি নতুন ও একটি পুরাতন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া তার প্রতিবেশী বন্ধু গোলাপের একটি মোটরসাইকেলও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। দোকানের হিসাব সংক্রান্ত কিছু খাতাও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যারের মালিক শরিফুল ইসলাম রুবেল মুঠোফোনে জানান, তার দোকানে থাকা রং, স্যানিটারি পাইপসহ বিভিন্ন ধরনের লোহার সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের কেউ কেউ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কথা বললেও বাস্তবে মালিকপক্ষ, এলাকাবাসী কিংবা দমকল বাহিনীর কেউই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। জানা যায়, দোকানে কয়েকটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার ও ড্রাম ভর্তি টারপিন থাকলেও সেগুলো অক্ষত ছিল।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বরকতময় এই রজনীতে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড সত্ত্বেও জানমালের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের পাশে একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল, আবাসিক ভবন ও পাকা মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

সংগ্রহীত ছবি

শ্রম আইনসংক্রান্ত একটি মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে নাভানা গ্রুপ ও আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাজেদুল ইসলাম শুভ্র বনানীর একটি ভবনে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত থেকে পুলিশ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা দীর্ঘ সময় গেট না খোলায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাতভর ভবনের বাইরে অবস্থান করতে হয়। ঘটনাস্থলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ভবনের ভেতরে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি, যার মধ্যে চালক ও দেহরক্ষীও ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতে দায়ের করা একটি শ্রম বিরোধসংক্রান্ত মামলায় আদালতের রায় দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলাটি আফতাব অটোমোবাইলসের সাবেক এক কর্মকর্তার পাওনা অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত বিরোধ থেকে উদ্ভূত বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সফিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটিকেও প্রতিপক্ষ করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, শ্রম আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় গত ৩ মে ২০২৬ সংশ্লিষ্ট আদালত সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেপ্তারের পর সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

মশিউর রহমান চন্দন প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় গাঁজা সেবনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিচার শেষে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার দ্বীপেশ্বর গ্রামের আব্দুল মোতালিবের ছেলে রফিক মিয়া (৫০), একই গ্রামের মৃত আব্দুলের ছেলে কাসেম (৫৮) এবং পূর্ব দ্বীপেশ্বর গ্রামের হাসিম উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়া (২৩)।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, রফিক মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড, কাসেমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ইমন মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকার একটি দোকানে মাদক সেবনের অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তিনজনকে আটক করা হলে তারা গাঁজা সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরবর্তীতে আদালত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “হোসেনপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে চটকদার প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে শফিক নজরুলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। তদন্তের স্বার্থে চক্রের অন্য সদস্য, অর্থ লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে শফিক নজরুল নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো প্রতারণার সঙ্গে জড়িত নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আদালতে তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে দেওয়া তার সাজেশন থেকে প্রশ্ন কমন এসেছিল এবং সে কারণে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিল ও জামিনের আবেদন জানায়। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘LAW DOCTOR’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ‘১০০টি এমসিকিউ পড়লেই নিশ্চিত পাস’—এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, শফিক নজরুল নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে পরীক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন এবং পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করতেন।

একজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তার কাছ থেকে মোট ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং ধাপে ধাপে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। তবে ১২ জুন অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি প্রতারণার অভিযোগ এনে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।