নিহত জামায়েত কর্মীর পরিবারের খবর নিতে নিকলীর হাওড়ে ডা. শফিকুর রহমান
কিশোরগঞ্জের নিকলীর প্রত্যন্ত হাওড় জনপদ ছাতিরচরে বাস দুর্ঘটনায় নিহত এক কর্মীর কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে হঠাৎ ছুটে এলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হাওড়ে এই প্রথম কোনো বড় নেতার আগমনে স্থানীয়দের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। যৌথবাহিনীর নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ডা. শফিকুর রহমানের কাছাকাছি চলে যান সাধারণ মানুষ, তাকে এক নজর দেখতে।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি কটিয়াদী উপজেলার কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর এক নির্বাচনী জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমানের বক্তৃতা শেষে নিকলী উপজেলার ছাতিরচর গ্রামের আব্দুস সালাম (৬৫) নামের এক জামায়েত কর্মী বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে উজান চর এলাকায় তাকে একটি বাস চাপা দেয়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাগলপুরে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে আব্দুস সালাম মারা যান বলে জানা যায়।
আজ রোববার দুপুর ১২টায় ডা. শফিকুর রহমান ছাতিরচরে আসার খবর পেয়ে স্থানীয় ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীসহ হাজার-হাজার সাধারণ মানুষের ঢল নামে হাওড়ের নদীপাড়ে। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের সফরসঙ্গী ছিলেন নিকলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আবুল হোসেন, সেক্রেটারি মো. রফিকুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ জেলা আমির মো. রমজান আলী, জামায়াতে ইসলামীর ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ডা. সামিউল হক ফারুকী, গাজীপুর থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাউদ্দীন আইয়ুবীসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
ডা. শফিকুর রহমান নিহতের পরিবারের খোঁজ-খবর নেন এবং ছাতিরচর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে কবর জিয়ারত করে নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। কবর জিয়ারত শেষে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের আয়োজনে এক পথসভায় তিনি বক্তৃতা করেন।
এর আগে, জামায়াতে ইসলামীর এক নির্বাচনী জনসভায় স্ট্রোকজনিত কারণে জেলার ইটনা উপজেলায় নিহত এক জামায়েত কর্মীর কবর জিয়ারতসহ তার পরিবারের খোঁজ-খবর নেন ডা. শফিকুর রহমান ও তার সঙ্গীয় নেতাকর্মীরা।







