বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

ভোটের অঙ্কে পিছিয়ে কিশোরগঞ্জে অধিকাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভোটের অঙ্কে পিছিয়ে কিশোরগঞ্জে অধিকাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ৩৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ইসি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। এ শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন ৩৪ জন প্রার্থী।

তবে ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন প্রার্থী এবং অপর একটি আসনে জামায়াত–এনসিপি সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এক প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়া এক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর জামানতও রক্ষা পেয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন এনপিপি প্রার্থী তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ১১ দলীয় জোটের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করা খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী, বাসদ (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী আলাল মিয়া, সিপিবি প্রার্থী মো. এনামুল হক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী মো. মাসুদ মিয়া।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া): জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) নূর উদ্দীন আহমেদ, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন ভূঁইয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ময়ূর) আনিসুজ্জামান খোকন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী আবুল বাসার রেজওয়ান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) একেএম আলমগীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলমগীর হোসাইন, গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী দেলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া, এনপিপি প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম): এখানে জামানত হারিয়েছেন ১১ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খায়রুল ইসলাম ঠাকুর, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী নুরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) কাজী রেহা কবির, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) ডা. শাহীন রেজা চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী বিল্লাল আহমেদ মজুমদার এবং এনপিপি প্রার্থী মো. জয়নাল আবদিন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী): জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ) ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. অলি উল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. মাহবুবুল আলম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. সাজ্জাদ হোসেন।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী নাঈমুল হাসান, সিপিবি প্রার্থী ডা. মো. হাবিল মিয়া, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আয়ূব হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুছা খান, এনপিপি প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. রুবেল হোসেন এবং গণফোরাম প্রার্থী শাফি উদ্দিন আহাম্মদ।

যাঁদের জামানত রক্ষা পেয়েছেঃ ছয়জন বিজয়ী প্রার্থীর বাইরে যাঁরা জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন তাঁরা হলেন— কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ১১ দলসমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু; কিশোরগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম; কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. জেহাদ খান; কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী রোকন রেজা শেখ; কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ও জামায়াতের জেলা আমির মো. রমজান আলী; এবং কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে ১১ দলীয় প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমীন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী মো. নাজমুল ইসলাম হোসেনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ আদালতের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আলোকে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের মেচেড়া (আটকাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৪৮) তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে দখল ও বসতঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে থানায় আবেদন করেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের শহীদ মিয়া, সোহাগ মিয়া, মো. ফজলু গংসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

আরও বলা হয়, বিবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে দখল নেওয়া এবং বসতঘর নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। হোসেনপুর থানা থেকে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমিতে কেউ কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা, দখল বা অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, বিবাদীপক্ষ ওই নির্দেশনা অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতিরোধে উভয় পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ৬ নম্বর পুমদী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী নান্দানিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোশারফ হোসেনকে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

তার এই গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে পুমদী ইউনিয়নসহ হোসেনপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

জানা যায়, মোশারফ হোসেন এর আগে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-তে ওসি (ডিবি) হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

পুমদী ইউনিয়নবাসী আশা প্রকাশ করেন, তিনি নতুন কর্মস্থল সাটুরিয়া থানায়ও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

এ সময় তার সার্বিক সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়।

অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমআইএসে সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সম্মানি ভাতা বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণেরও কোনো পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রতি বছর চার হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া কোনো মুক্তিযোদ্ধা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে, স্বীকৃত হাসপাতালের বিল মন্ত্রণালয় পরিশোধ করে থাকে।

মন্ত্রী আরও জানান, ‘উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

পৃথক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) তদন্ত ও শুনানির মাধ্যমে তা যাচাই করে।

অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা বা ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১০৩টি সভার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।