শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে কিশোরগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ

তোফায়েল আহমেদ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে কিশোরগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ

‘আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকেও ধ্বংস করে। তাই মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে মাদকাসক্তদের কার্যকর পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি মাদকমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা মাদকের ভয়াবহতা, প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা এবং আইন প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শরিফুল হক, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ছয় মাস পর খুলল পাগলা মসজিদের ১৩ দানসিন্দুক, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
ছয় মাস পর খুলল পাগলা মসজিদের ১৩ দানসিন্দুক, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

দীর্ঘ ছয় মাস পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানসিন্দুক খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, মসজিদ পরিচালনা কমিটি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে সিন্দুক খোলার কার্যক্রম শুরু হয়।

সিন্দুক খোলার পর এবার মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। বর্তমানে নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী গণনা ও তালিকাভুক্ত করার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ছয় মাস ধরে জমা হওয়া বিপুল দান এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুক থেকে ৩৫ বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়। গণনা শেষে নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও পাওয়া যায়।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা। সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর দানসিন্দুক খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। ফলে দানের পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দেশের অন্যতম আলোচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাগলা মসজিদে প্রতিদিন হাজারো মানুষ দান-সদকা ও মানত নিয়ে আসেন। শুধু মুসলমান নয়, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষও গভীর বিশ্বাস ও আস্থা থেকে এখানে দান করে থাকেন। অনেকের বিশ্বাস, আন্তরিক নিয়তে এখানে দান করলে আল্লাহ তাদের মনের আশা পূরণ করেন। সেই বিশ্বাস থেকেই দেশ-বিদেশের মানুষ নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কারসহ নানা মূল্যবান সামগ্রী দান করেন।

শুধু অর্থই নয়, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, কবুতর, ধান, চাল, ফলমূলসহ বিভিন্ন সামগ্রীও নিয়মিত দান করা হয়। এসব সামগ্রী নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে মসজিদের তহবিলে জমা দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আড়াই শতাব্দী প্রাচীন এই মসজিদটি ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ এস্টেটের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। মসজিদের নামকরণ নিয়ে প্রচলিত রয়েছে আধ্যাত্মিক সাধক ‘পাগলা সাহেব’-এর স্মৃতি। তাঁর নাম থেকেই ‘পাগলা মসজিদ’ নামটির উৎপত্তি হয়েছে বলে ইতিহাসবিদদের ধারণা।

এদিকে, প্রতিবারের মতো এবারও দানসিন্দুক থেকে ঠিক কত টাকা পাওয়া যায়, তা জানতে দেশজুড়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করবে জেলা প্রশাসন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

বর্ষার শুরুতেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত পর্যটনকেন্দ্র নিকলী। অথৈ জলরাশি, দিগন্তজোড়া হাওর, ঢেউয়ের দোলা আর মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। তবে পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই নিকলী হাওরের অন্যতম আকর্ষণীয় এলাকাগুলো ময়লা-আবর্জনা, খড়ের স্তূপ ও গোবরের তৈরি জ্বালানিতে (ঘুঁটে) দখল হয়ে পড়ায় নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও জুলাই শুরুর আগ থেকেই থেকে নিকলী হাওর রূপ নিয়েছে এক বিশাল জলরাশির রাজ্যে। উপজেলা পরিষদ চত্বর, মহারকোনা বেড়িবাঁধ, ছাতিরচর এবং আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা। বিশেষ করে বিকেলের সূর্যাস্ত উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কিন্তু এই পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই বেড়িবাঁধ ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, রাস্তা ও বাঁধজুড়ে শুকাতে দেওয়া খড় এবং গোবরের তৈরি জ্বালানি (ঘুঁটে) পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে নষ্ট হচ্ছে এলাকার নান্দনিকতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পর্যটকদের কাছে নিকলী হাওরের সৌন্দর্যই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলা এবং সরকারি জায়গা দখল করে খড় ও ঘুঁটে শুকানোর কারণে পর্যটকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে নিকলীর সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পর্যটকরা বলেন, এত সুন্দর একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্রের এমন নোংরা পরিবেশ হতাশাজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বেড়িবাঁধে দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

স্থানীয় ট্রলার মালিক, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালক, রেস্টুরেন্ট এবং আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমই তাদের আয়ের প্রধান সময়। পর্যটকদের ওপরই নির্ভর করে তাদের অধিকাংশ ব্যবসা।

তারা বলেন, “সারা বছর আমরা বর্ষার অপেক্ষায় থাকি। পর্যটক এলে আমাদের ব্যবসা সচল থাকে। পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

এ বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আগমনে নিকলীর অর্থনীতি সচল থাকে। এই পর্যটন সম্ভাবনাকে কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে মাইকিং করে ময়লা-আবর্জনা, খড় ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করে বেড়িবাঁধ ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, শুধু মৌসুমি অভিযান নয়, নিকলী হাওরের পর্যটন এলাকা রক্ষায় স্থায়ী পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই হাওর পর্যটনকেন্দ্রের আকর্ষণ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে।

কিশোরগঞ্জে সরকারি পুকুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা প্রশাসনের বড় উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে সরকারি পুকুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, সৌন্দর্যবর্ধনে জেলা প্রশাসনের বড় উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শহরের খরমপট্টি এলাকায় অবস্থিত একটি সরকারি পুকুরে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে পুকুরের কচুরিপানা অপসারণসহ পরিবেশ পুনরুদ্ধারে অংশ নেন বিডি ক্লিন কিশোরগঞ্জের ৭৫ জন স্বেচ্ছাসেবক।

আয়োজকরা জানান, সরকারি পুকুরটি পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব পরিবেশে রূপান্তর এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। অভিযানের অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করা হয়।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কচুরিপানা অপসারণের পর পুকুরের পানিতে চুন প্রয়োগ করা হবে। এরপর সেখানে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে জলাশয়টি কার্যকরভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণও উপকৃত হতে পারেন।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, পুকুরের চারপাশে গাইড ওয়াল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ জলাশয়কে কেন্দ্র করে সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজনেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে একদিকে যেমন ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহারও নিশ্চিত হবে।

তিনি জেলার সব সরকারি ও বেসরকারি স্থানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেওয়ায় বিডি ক্লিন কিশোরগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল হাসান মারুফ, বিডি ক্লিন কিশোরগঞ্জের স্বেচ্ছাসেবীরা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

পরিবেশ রক্ষা ও সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন।