বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণ আমাকে এমপি নির্বাচন করেছে, আমি কারো পকেটের হতে চাই না

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জনগণ আমাকে এমপি নির্বাচন করেছে, আমি কারো পকেটের হতে চাই না

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) সংসদীয় আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেছেন, জনগণ আমাকে এমপি নির্বাচন করেছে, আমি কারো পকেটের হতে চাই না। আপনারা কেউ দলে নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের অপকর্মে জড়াবেন না। কেউ এর দায় নেবে না, এমনকি তারেক রহমান সাহেবও এর দায় নেবেন না।

শনিবার রাতে কটিয়াদী স্বপ্নকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরও বলেন, আমরা যে ঐক্য করেছি, সেই ঐক্যে কেউ ফাটল ধরানোর চেষ্টা করলে তার দায় সে নিজেই নেবে। সাবধান করে দিচ্ছি—কথা থাকলে সরাসরি আমার সঙ্গে কথা বলবেন। কোনো ধরনের ‘সিন্ডিকেট’ আমি টলারেট করবো না। আমার নেতা তারেক রহমানও এটা টলারেট করবেন না।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এরপর যদি কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হয়, আমি কিন্তু তা বরদাশত করবো না। জনগণ আমাকে এমপি বানিয়েছে কারো পকেটে ঢোকার জন্য নয়।

অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন, বিগত কিছুদিন একটি পক্ষ আমাদের দলের নামে চাঁদাবাজির অপপ্রচার চালিয়েছিল। কিন্তু দলের বড় কোনো নেতার সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ তারা দিতে পারেনি। আমরা অপপ্রচারের শিকার হয়েছিলাম। আপনারা কেউ এমন কাজ করবেন না, যাতে দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়।

অপকর্মে জড়িতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বিকল্প ব্যবসার কথা ভাবুন। আমি আপনাদের কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার চেষ্টা করবো। তবে কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও ঐক্যের কারণেই আমি নির্বাচিত হয়েছি। এই ঐক্য যারা নষ্ট করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজন হলে আমি নিজেই ব্যবস্থা নেবো।

সভায় উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আ. ছোবান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কৃষিবিদ গোলাম ফারুক চাষি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম জাইদুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আজিজুল হক শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. শহিদুল ইসলাম সেলিমসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ভুলে গেল মেসিকে  ‘অকৃতজ্ঞ’ বার্সা! বিদায়লগ্নে কমেন্ট ডিলিট করে চরম বেইমানির নজির কাতালানদের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
ভুলে গেল মেসিকে  ‘অকৃতজ্ঞ’ বার্সা! বিদায়লগ্নে কমেন্ট ডিলিট করে চরম বেইমানির নজির কাতালানদের

৩১ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে ফুটবল বিশ্বকে কাঁদিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের ঘোষণা দেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৭ ম্যাচে রেকর্ড ১২৫টি গোল করা এই কিংবদন্তির ঐতিহাসিক বিদায়ের পর যখন পুরো বিশ্ব তাকে শ্রদ্ধায় ভাসাচ্ছে, তখন তার সাবেক ক্লাব এফসি বার্সেলোনা দেখাল চরম উদাসীনতা ও অকৃতজ্ঞতা।মেসির অবসরের পোস্টে বার্সার অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে করা একটি মন্তব্য কিছুক্ষণ পরেই রহস্যজনকভাবে ডিলিট করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এমনকি ক্লাবের বর্তমান কোচ কিংবা খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক যৌথ বিবৃতি বা ট্রিব্যুট দেওয়া হয়নি। চিরদিনের জন্য ক্লাবের চেহারাই বদলে দেওয়া এই মহাতারকার বিদায়লগ্নে বার্সার এমন আচরণে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন ফুটবল ভক্তরা।নিচে বার্সেলোনার ইতিহাসে মেসির অনন্য প্রভাব ও তিন যুগের অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হলো:মেসি-পূর্ব যুগ (১৮৯৯–২০০৪): লিওনেল মেসির অভিষেকের আগে দীর্ঘ ১০৫ বছরের ইতিহাসে বার্সেলোনা ইউরোপের শীর্ষ পরাশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। এই দীর্ঘ সময়ে ক্লাবটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে পেরেছিল মাত্র ১টি (১৯৯২ সালে)। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ট্রফি, সাফল্য ও বৈশ্বিক জনপ্রিয়তায় তারা অনেকটাই পিছিয়ে ছিল।মেসি-যুগ (২০০৪–২০২১): মেসি আসার পর বার্সেলোনার ভাগ্য পুরোপুরি বদলে যায়। বার্সার জার্সিতে তিনি রেকর্ড ৭৭৮টি ম্যাচ খেলে ৬৭২টি গোল ও ৩০৩টি অ্যাসিস্ট করার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েন। এই সোনালী যুগে তিনি ক্লাবটিকে এনে দেন ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ১০টি লা লিগাসহ মোট ৩৫টি অফিশিয়াল ট্রফি। বার্সেলোনা পরিণত হয় বিশ্বের সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় ক্লাবে।মেসি-পরবর্তী যুগ (২০২১–২০২৬): ২০২১ সালে মেসির বিদায়ের পর বার্সেলোনা তাদের সেই চেনা ছন্দ ও আধিপত্য হারায়। মেসির প্রস্থানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ইউরোপের মঞ্চে তারা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। এই সময়ে তারা কোনো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিততে পারেনি; উল্টো একাধিকবার গ্রুপ পর্ব ও ইউরোপা লিগ থেকে ছিটকে যাওয়ার লজ্জা পেয়েছে। ঘরোয়া ফুটবলে মাত্র দুইটি লা লিগা ও একটি স্প্যানিশ সুপার কাপের বাইরে তাদের ঝুলি শূন্য।

হোসেনপুরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩২ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

‘খেলবো মোরা গড়বো দেশ, বিশ্বজয়ে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোসেনপুর মিনি স্টেডিয়ামে বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টের প্রতিযোগিতা শেষে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি, হোসেনপুর উপজেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রেকসোনা খাতুন বলেন, “লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আজকের এই তরুণরাই আগামী দিনে জাতীয় পর্যায়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে। মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।”

তিনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এবং বিজয়ী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে হোসেনপুর উপজেলার ক্রীড়া উন্নয়নে ভবিষ্যতেও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ইউএনও আরও বলেন, “গ্রীষ্মকালীন এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো আবার প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। কাবাডি, ফুটবলসহ বিভিন্ন ইভেন্টে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের আশান্বিত করেছে।”

অনুষ্ঠানে হোসেনপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, হোসেনপুর মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খায়রুল ইসলাম, গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফাজুর রহমান খান, পিতলগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ সরকারসহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ক্রীড়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী ও বিজিত দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ট্রফি, মেডেল ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় বিজয়ী শিক্ষার্থী ও দলগুলোর মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

প্রতিযোগিতার ফুটবল ও কাবাডি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলগুলো পরবর্তী সময়ে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় হোসেনপুর উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।

ব্রিকস আউটরিচে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এখনো অনিশ্চিত দিল্লি সফর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ব্রিকস আউটরিচে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এখনো অনিশ্চিত দিল্লি সফর

ভারতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ভারত।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য দিল্লি সফর বা ব্রিকস আউটরিচ সেশনে তাঁর অংশগ্রহণ নিয়ে জানানোর মতো নতুন কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ভারত এবার ব্রিকসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। সম্মেলনের অংশ হিসেবে আমন্ত্রিত অ-ব্রিকস দেশ ও আঞ্চলিক জোটের নেতাদের নিয়ে একটি আউটরিচ সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তাঁর বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যানের দায়িত্বের সূত্রে আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এ আমন্ত্রণকে ব্রিকসের প্রচলিত রীতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি।

এর আগে গত ৪ আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্য পৃথকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

গত ১৪ আগস্ট জয়সওয়াল আরও জানিয়েছিলেন, ব্রিকস আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হলে ভারত তা জানাবে। তবে ৮ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ ব্রিফিংয়েও এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দিতে পারেনি নয়াদিল্লি।

এদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর বা ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ সরকার পর্যালোচনা করছে।

ফলে সম্মেলন শুরুর মাত্র চার দিন আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকসের আউটরিচ সেশনে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।