লাইসেন্স পেতে ১২–১৫ হাজার টাকা, ফেল করেও পাসের অভিযোগ
দেশের সড়কে প্রতিদিন বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। সেই সঙ্গে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি। নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালক তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হলেও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া নথি দিয়ে আবেদন, পরীক্ষাকেন্দ্রে দালালদের প্রভাব, অস্বচ্ছ পদ্ধতি ও অস্বাভাবিক পাসের হারের চিত্র উঠে এসেছে এক অনুসন্ধানে।
অনুসন্ধানে পাওয়া ১৬টি ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন ফরমের প্রতিটিতেই জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বাইরে একাধিক ভুয়া নথি ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি রাজধানীর চারটি মেট্রো সার্কেল ও ঢাকা জেলা সার্কেলের ১০টি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী ৪ হাজার ৯৩০ জনের মধ্যে ৪ হাজার ৪৭৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরীক্ষাগুলোতে পাসের হার ৮৪ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে। চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের পরীক্ষার ফলাফলও একই ধরনের উচ্চ পাসের হারের ইঙ্গিত দেয়।
শুধু ভুয়া নথি কিংবা অস্বাভাবিক পাসের হার নয়, লাইসেন্স দেওয়ার নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। একাধিক দালালের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি লাইসেন্স করিয়ে দিতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে বিআরটিএর জন্য ‘টেবিল খরচ’ হিসেবে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার দাবি করেছেন তাঁরা। পরীক্ষায় ফেল করা প্রার্থীর ফলাফল পরিবর্তন করে পাস করানোর তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথাও জানিয়েছে অনুসন্ধানী সূত্র। তবে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, পরীক্ষার্থীর পরিচয় যাচাই, পরীক্ষা গ্রহণের ভিডিও সংরক্ষণ এবং ফলাফল তৈরির প্রতিটি ধাপে নজরদারি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো পরীক্ষক বা বোর্ডের অধীনে ধারাবাহিকভাবে অস্বাভাবিক ফলাফল পাওয়া গেলে তার কারণও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, শুধু দালালদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; দালালদের সঙ্গে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা-ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে।
অনুসন্ধানে পাওয়া ১৬টি আবেদন ফরমের মধ্যে ১১টি অপেশাদার ও পাঁচটি পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন। বিধি অনুযায়ী, অপেশাদার লাইসেন্সের আবেদনে এনআইডির পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে ইউটিলিটি বিল এবং মেডিক্যাল সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে ডোপ টেস্টের রিপোর্টও বাধ্যতামূলক।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পাঁচটি পেশাদার লাইসেন্সের আবেদনের কোনোটিতেই আবেদনকারীর নামের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের নামের মিল পাওয়া যায়নি। মেডিক্যাল সার্টিফিকেটে চিকিৎসকের সিল থাকলেও স্বাক্ষর ছিল না। সংশ্লিষ্ট পাঁচ আবেদনকারীর কেউই ডোপ টেস্টের জন্য হাসপাতালে যাননি বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ১১টি অপেশাদার লাইসেন্সের আবেদনের কয়েকটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সঠিক থাকলেও মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও ইউটিলিটি বিলের অনুলিপি ভুয়া পাওয়া গেছে। নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন করার সময় অনলাইনে জমা দেওয়া নথিগুলো পরীক্ষার দিন উপস্থাপন করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব নথি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
বিআরটিএ কর্মকর্তারা বলছেন, মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও ডোপ টেস্টের রিপোর্টের সত্যতা যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা তাঁদের হাতে নেই। বর্তমানে ঢাকার মাত্র একটি হাসপাতালের ডোপ টেস্টের রিপোর্ট অনলাইনে যাচাই করা যায়। অন্য হাসপাতালের রিপোর্ট যাচাইয়ে জটিলতা রয়েছে।
ডোপ টেস্টের জন্য বিআরটিএর দেওয়া চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ইমেইলে রিপোর্ট পাঠানোর অনুরোধ থাকলেও হাসপাতালগুলো থেকে তা পাঠানো হচ্ছে না। ফলে আবেদনকারীদের আপলোড করা রিপোর্টের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। কর্মকর্তাদের দাবি, সমন্বিত অনলাইন যাচাইব্যবস্থা চালু হলে জাল নথি শনাক্ত করা সহজ হবে।
এ বিষয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সনদ ও ডোপ টেস্টের রিপোর্ট যাচাইয়ের জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রাজধানী ও ঢাকা জেলার পাঁচটি সার্কেলে অক্টোবরের বিভিন্ন দিনে অনুষ্ঠিত ১০টি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতিটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৮৪ শতাংশের বেশি উত্তীর্ণ হয়েছেন। সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
ঢাকা মেট্রো-১ (মিরপুর) সার্কেলের জোয়ারসাহারা কেন্দ্রে ১৪ অক্টোবর ১ হাজার ৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হন ৯০৬ জন, পাসের হার ৯০ দশমিক ৩৩ শতাংশ। একই কেন্দ্রে ১৮ অক্টোবর ৯৪৪ জনের মধ্যে ৮৬৯ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ।
ঢাকা মেট্রো-২ (ইকুরিয়া) সার্কেলের তেজগাঁও বিআরটিসি বাস ডিপো কেন্দ্রে ৫ অক্টোবর ৩৫৫ জনের মধ্যে ৩০৩ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ। একই কেন্দ্রে ১২ অক্টোবর ৩৬২ জনের মধ্যে ৩২০ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪০ শতাংশ।
ঢাকা মেট্রো-৩ (দিয়াবাড়ী) সার্কেলের মিরপুর-১২ নম্বর বিআরটিসি বাস ডিপো কেন্দ্রে ৭ অক্টোবর ৪২১ জনের মধ্যে ৩৮০ জন এবং ১৪ অক্টোবর ৪১০ জনের মধ্যে ৩৭৮ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার যথাক্রমে ৯০ দশমিক ২৬ ও ৯২ দশমিক ২০ শতাংশ।
ঢাকা মেট্রো-৪ (পূর্বাচল) সার্কেলের তেজগাঁও কেন্দ্রে ৮ অক্টোবর ৪২৮ জনের মধ্যে ৩৭৪ জন এবং ১৪ অক্টোবর ৪২৯ জনের মধ্যে ৪০৬ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার যথাক্রমে ৮৭ দশমিক ৩৮ ও ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
ঢাকা জেলা সার্কেলের গাবতলী বিআরটিসি বাস ডিপো কেন্দ্রে ১৩ অক্টোবর ৪১০ জনের মধ্যে ৩৪৭ জন এবং ১৮ অক্টোবর ২১৩ জনের মধ্যে ১৯০ জন উত্তীর্ণ হন। পাসের হার যথাক্রমে ৮৪ দশমিক ৬৩ ও ৮৯ দশমিক ২০ শতাংশ।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রো-৪ সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক অনিমেষ মণ্ডল বলেন, ‘পরীক্ষা গ্রহণের জন্য বোর্ড রয়েছে। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হয়। অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা হয় তিন ধাপে—লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক। অধিকাংশ পরীক্ষার্থী প্রথম দুই ধাপে উত্তীর্ণ হলেও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অনেকে অনুত্তীর্ণ হন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দালালচক্রের সঙ্গে যোগাযোগ বা তদবির ছাড়া নিজ উদ্যোগে পরীক্ষা দিতে যাওয়া প্রার্থীদের কেউ কেউ শেষ ধাপে বাদ পড়েন বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
এমনকি শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের কার্ডে ফেল লেখা থাকলেও পরে বিশেষ ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ দেখানোর তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে অনুসন্ধানী সূত্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পরীক্ষায় অনিয়মের পেছনে দালালচক্রের পাশাপাশি প্রভাবশালীদের সুপারিশও ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়, উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকেও সুপারিশ আসে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব সুপারিশের ভিত্তিতে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ দেখাতে হয় বলে দাবি সূত্রটির।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা গ্রহণের জন্য রয়েছে ড্রাইভিং কমপিটেন্সি টেস্ট বোর্ড। এর চেয়ারম্যান হন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। সদস্য হিসেবে থাকেন পুলিশ, চিকিৎসা, সড়ক ও জনপথ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি। সংশ্লিষ্ট মোটরযান পরিদর্শক সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে বোর্ডের সব সদস্য পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকেন না; কেউ কেউ অধীনস্থ ব্যক্তিদের পাঠান। অথচ উত্তীর্ণদের তালিকা অনুমোদনের জন্য সদস্যদের স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। ফলে পরীক্ষা শেষে তালিকা নিয়ে সদস্যদের কার্যালয়ে গিয়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেন বিআরটিএর কর্মচারীরা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বোর্ডের প্রতিনিধিদের আলাদা কক্ষে আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে মূলত মোটরযান পরিদর্শকরাই পরীক্ষা পরিচালনা করেন।
একাধিক দালালের দাবি, একটি লাইসেন্স করিয়ে দিতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। অথচ সরকারি ফি অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৪৯৭ টাকা এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৭৭২ টাকা। অপেশাদার লাইসেন্সের মেয়াদ ১০ বছর এবং পেশাদার লাইসেন্সের মেয়াদ পাঁচ বছর।
দালালদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি ফির বাইরে নেওয়া অর্থের একটি অংশ সংশ্লিষ্ট মোটরযান পরিদর্শকদের কাছে যায়, যা তাঁদের ভাষায় ‘টেবিল খরচ’। প্রতিটি লাইসেন্সের জন্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা দিতে হয় বলে দাবি করেছেন তাঁরা। এই অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষায় পাস করানোসহ লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অর্থ লেনদেনের স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ২৫ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনেও বিআরটিএর সেবায় দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে দেশের সেবা খাতগুলোর মধ্যে দুর্নীতির দিক থেকে বিআরটিএ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিআরটিএর সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হওয়ার হার ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ঘুষ দেওয়ার হার ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ। গ্রামাঞ্চলে ঘুষের হার ৬১ দশমিক ৫ শতাংশ, শহরাঞ্চলে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে দুর্নীতির শিকার হওয়ার হার গ্রামাঞ্চলে ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং শহরাঞ্চলে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
বুয়েটের অ্যাক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘দেশের সড়কে আড়াই লাখ ভারী যানবাহন চলে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতিটি ভারী যানবাহনের জন্য দেড়জন চালক প্রয়োজন। সে হিসেবে ৩ লাখের বেশি দক্ষ চালক প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন করেও দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। এর জন্য দায়ী বিআরটিএ ও বিআরটিসি। সরকারি এ দুই প্রতিষ্ঠানই চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। দক্ষ চালক তৈরিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর তেমন কোনো ভূমিকা দেখছি না।’
বিআরটিএর পরীক্ষা পদ্ধতির ত্রুটিও দক্ষ চালক তৈরির পথে বাধা বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনে ভুয়া নথি ব্যবহারের বিষয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। ভুয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ও ডোপ টেস্টের রিপোর্ট ঠেকাতে পরীক্ষাকেন্দ্রেই নমুনা সংগ্রহের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিগগিরই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে সড়ক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে জানান বিআরটিএ চেয়ারম্যান।












Disqus comments are not configured yet.