বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

করিমগঞ্জে সেচ পাম্পের বিরোধে প্রাণ গেল ১ জনের, আহত ১৭

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
করিমগঞ্জে সেচ পাম্পের বিরোধে প্রাণ গেল ১ জনের, আহত ১৭

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় সেচ পাম্পের ইজারা ও লভ্যাংশ বণ্টনকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় হারেছ মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় কয়েকটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।

গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চারিতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হারেছ মিয়ার ভাই মো. হারুন মিয়া বাদী হয়ে ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সেচ পাম্পের ইজারা ও লভ্যাংশ বণ্টন নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযুক্তদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ২ অক্টোবর নিয়ামতপুর বাজার বণিক সমিতির কার্যালয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সেচ পাম্পের খরচ ও লভ্যাংশ বাদীপক্ষ ছয় আনা এবং অভিযুক্তপক্ষ ১০ আনা হারে ভাগ করে নেবে। তবে এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সিদ্ধান্ত অমান্য করে অভিযুক্তরা সেচ পাম্পটি এককভাবে দখলে নেন। এর প্রতিবাদ করলে বাদীপক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে অভিযুক্তরা রামদা, বল্লম, লোহার রড, হাতুড়ি ও লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চারিতলা গ্রামের সৈয়দ উদ্দিনের বসতবাড়িতে হামলা চালান। এ সময় সৈয়দ উদ্দিনকে ধাওয়া করা হলে তিনি আত্মরক্ষার্থে ঘরে আশ্রয় নেন। তাঁর চিৎকার শুনে হারেছ মিয়া এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁর ওপর চড়াও হন।

অভিযোগে বলা হয়, মামলার ৩ নম্বর আসামি কাছম আলী লোহার রড দিয়ে হারেছ মিয়ার বুকে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর আসামি তাঁকে চেপে ধরেন এবং ১ ও ২ নম্বর আসামি লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা তাঁর বুকে পা দিয়ে চাপ দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় হারেছ মিয়াকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে আরও অন্তত ১৭ জন হামলার শিকার হন। তাঁদের রামদা, বল্লম ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তাঁরা গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, মো. আবুল খায়ের, মো. এনায়েত হোসেন, মো. আসাদ উল্লাহ, মো. শহীদ, মো. লিমন, মুনতাজ, মো. উজ্জ্বল, মো. শিবলু, বেদেনা আক্তার, মো. আকরাম হোসাইন ও হোসনা আক্তারসহ আরও অনেকে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা সৈয়দ উদ্দিন, নাজমুল ও আবুল খায়েরের বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। এ ছাড়া মোনতাজের বাড়িতে ভাঙচুর করে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়। এ সময় এক নারীর গলা থেকে আড়াই ভরি ওজনের একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতাল ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হারেছ মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ অক্টোবর রাত ৩টা ৫০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা-পুলিশ হারেছ মিয়ার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। ওই দিনই তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

 

কুলিয়ারচরে যুবদল নেতা মামুনের ওপর হামলা, ছাত্রদল নেতা নিরব কারাগারে

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে যুবদল নেতা মামুনের ওপর হামলা, ছাত্রদল নেতা নিরব কারাগারে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মামুন ভূইয়া (৩৫) নামে এক যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নিরব নামে এক ছাত্রদল নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলার অপর আসামি আজিমকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করতে গেলে আদালত এ আদেশ দেন। কারাগারে পাঠানো নিরব কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বলে জানা গেছে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর কুলিয়ারচর থানায় দায়ের করা ৫ নম্বর মামলায় নিরবকে ৩ নম্বর এবং আজিমকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২ অক্টোবর রাত আনুমানিক সোয়া ৯টার দিকে কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের দ্বাড়িয়াকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মামুন ভূইয়ার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। মামুন ভূইয়া ছয়সূতী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি উত্তর কান্দিগ্রামের মৃত আব্দুর রউফের ছেলে।

মামুন ভূইয়ার অভিযোগ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন। এর জেরে ঘটনার দিন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে রাতে বৃষ্টির মধ্যে বাসস্ট্যান্ড থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি চায়ের দোকানের পাশে একদল লোক তাঁকে ঘিরে ধরে হামলা চালায়।

মামুনের অভিযোগ, দক্ষিণ কান্দিগ্রামের জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন তাঁকে ঘিরে ধরেন। জাহাঙ্গীর ওই এলাকার মাদক কারবারি হিসেবে অভিযুক্ত ফরিদের ছেলে। এ সময় জাহাঙ্গীরসহ একই এলাকার অহিদের ছেলে অন্তর, নিখিল মিয়ার ছেলে নিরব এবং আক্কাস মিয়ার ছেলে আজিম তাঁর ওপর হামলা করেন। একপর্যায়ে সুইস গিয়ার দিয়ে তাঁর গালে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ করেন মামুন।

পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ভাগলপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পর পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করে।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় নিরবকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক।

কুমিল্লায় কর্ণফুলী কমিউটার লাইনচ্যুত, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় কর্ণফুলী কমিউটার লাইনচ্যুত, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

কুমিল্লার লাকসামে নাওটি রেলওয়ে স্টেশনের আউটারে কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ডাউনলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব চন্দ্র কর। তিনি জানান, ট্রেনটির ইঞ্জিনসহ তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ওসি আরও জানান, লাইনচ্যুত ট্রেনটি উদ্ধারে রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর কাজ শুরু হবে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপলাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে ডাউনলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

গুজব ও উগ্রতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে তরুণদের: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
গুজব ও উগ্রতার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে তরুণদের: রাষ্ট্রপতি

তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গুজব, অপপ্রচার ও ধর্মীয় উগ্রতার মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে দৃঢ় ও আপসহীন থাকতে হবে।

আজ সকালে শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, এই দেশ সবার। সবাইকে মিলেই দেশ গড়তে হবে। কোনো অপশক্তিকে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য ও অগ্রগতি বিনষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আজকের এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে আপনাদের স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যখন যুদ্ধ, সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, তখন বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ উৎসব পালন করছেন। এটি দেশের সবচেয়ে বড় অর্জন। এ সম্প্রীতি বাংলাদেশের শক্তি ও অস্তিত্বের অংশ, যা যেকোনো মূল্যে অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক। হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সব ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণকে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, দুর্গাপূজার অন্তর্নিহিত বাণী হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়।

ধর্ম, বর্ণ বা গোষ্ঠীগত পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক বৈষম্য বা নিপীড়নের শিকার হওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার। হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—আমরা সবাই এ দেশের নাগরিক। সংবিধান প্রত্যেককে সমান অধিকার, মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা দিয়েছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

সব ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

এর আগে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত হলে ‘হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট’, ‘বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট’, ‘বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ’ এবং ‘মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি’র নেতারা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে আসা অতিথি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তাঁর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন, প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।