মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি বাতিলের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আইএমএফের ঋণ কর্মসূচি বাতিলের কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে করা ঋণ চুক্তি বাতিলের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়ার বিষয়টি ভুলে যেতে হবে। আইএমএফের শর্ত বাংলাদেশের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আইএমএফ টাকা দেবে, বিশ্বব্যাংক টাকা দেবে—এটা ভুলে যান। আমি আইএমএফের প্রোগ্রাম ক্যানসেল করে দিয়েছি, আপনারা দেখেছেন। তাদের শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আইএমএফের আর কোনো শর্ত বাংলাদেশ মানবে না।’

পুঁজিবাজার পুনরুজ্জীবিত ও সম্প্রসারণে সরকার ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সামগ্রিক উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী এক বছরের মধ্যে আপনারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের পরিবর্তিত চেহারা দেখতে পাবেন।’

পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অটোমেশন, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান সভাপতিত্ব করেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক) তানভীর শাহরিয়ার গনি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে কয়েক দফা আলোচনার পর ২০২৩ সালের শুরুতে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ। পরবর্তী সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঋণের পরিমাণ বেড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের নিজেদের প্রতিভা ও যোগ্যতা বিকাশের পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া গেলে দেশের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ যেমন সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ওপর নির্ভর করে, তেমনি একটি দেশের অগ্রগতিও নির্ভর করে শিশুদের যথাযথ বিকাশের ওপর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আয়োজনের মূল কেন্দ্রবিন্দু শিশুরাই। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনার ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনিও সেখানে শিশু হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আজ তোমরা যেমন শিশু হিসেবে এখানে এসেছ, একসময় আমিও ঠিক এভাবেই শিশু হিসেবে শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম। একজন শিশু অতিথি হিসেবেই তখন এখানে উপস্থিত হয়েছিলাম।’

শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, শিশু একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তার ও তার ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের লেখা একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখতে পেয়ে পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে পড়ে যায় বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীত চর্চার সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘আজ আমি তোমাদের পড়াশোনার কথা বলব না। বরং বলব, তোমাদের খেলাধুলা করতে হবে।’

শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কেউ ভালো ছবি আঁকে, কেউ কবিতা আবৃত্তি করে, আবার কেউ গান, নাচ কিংবা বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে। প্রতিটি শিশুর মধ্যেই কোনো না কোনো বিশেষ গুণ রয়েছে। সেই গুণ বিকশিত করার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ।

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি বা অন্য কোনো বাদ্যযন্ত্র পছন্দ করে, তাদের সেটি ভালোভাবে শেখা উচিত। গান বা নাচের প্রতি যাদের আগ্রহ রয়েছে, তাদেরও নিজেদের প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দিতে হবে। একইভাবে কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াতে আগ্রহী শিশুদেরও তা সুন্দরভাবে শেখার পরামর্শ দেন তিনি।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে। এই আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চালু রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, শিশুদের শুধু শিল্প ও সংস্কৃতিতে নয়, খেলাধুলাতেও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। একটি শিশুর শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত কিংবা খেলাধুলার অন্তত একটি ক্ষেত্রে নিজেকে বিকশিত করার সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, দেশের বেশিরভাগ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যাতে শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই কোনো না কোনো গুণ রয়েছে। আমাদের কাজ হলো সেই গুণ প্রকাশ ও বিকাশের জন্য তাকে প্রয়োজনীয় সুযোগ করে দেওয়া।’

তিনি আরও জানান, এ-সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো মোটামুটি গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন শাখা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকেই অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান ও জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্যে থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা শেখার সুযোগ পাবে।

তারেক রহমানের মতে, তৃতীয় একটি ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে শিশুদের বাড়তি সুবিধা দেবে।

তবে শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও ভাষাজ্ঞানে দক্ষ করে তুললেই হবে না, তাদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘শিশুদের অবশ্যই মানবিক হতে হবে। দেশের প্রকৃতি, পশুপাখি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতিও তাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে।’

প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছপালার যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় আচরণ করতে হবে। প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি দায়িত্বশীলতা ও মমত্ববোধ একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

দুর্নীতি ঠেকাতে লটারিতে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০৫ অপরাহ্ণ
দুর্নীতি ঠেকাতে লটারিতে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি

সরকারি অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করতে লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে আইন মন্ত্রণালয় এ পদ্ধতি চালু করেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আইন মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের জন্য ১৮ জনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারদের বদলি নিয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে। এ নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে বদলি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার জন্য লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ১৮ জনকে তাদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপ বিবেচনায় বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অফিসে দুর্নীতির যে আখড়া, সেটা ভাঙতেই লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

বদলি হওয়া সাব-রেজিস্ট্রারদের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে জানিয়ে আইনমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারা দেশে ৩৭২টি সাব-রেজিস্ট্রার পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

বাবরি মসজিদের আদলে মসজিদ নির্মাণ: উপনির্বাচনের দিন আটক হুমায়ুন কবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
বাবরি মসজিদের আদলে মসজিদ নির্মাণ: উপনির্বাচনের দিন আটক হুমায়ুন কবির

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরুর পর বাবরি মসজিদের আদলে মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত প্রধান উদ্যোক্তা ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রেজিনগর আসনে ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পর তাকে আটক করা হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ভোটগ্রহণ শুরুর পরপরই হুমায়ুন কবির ভোটে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ করেন। এরপর একটি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে রেজিনগরে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির কার্যালয় থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে রেজিনগর থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশের গাড়িতে ওঠানোর সময় কবির বলেন, তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, নাকি শুধু আটক করা হচ্ছে—তা তিনি জানেন না।

এদিকে বিজেপি প্রার্থী শঙ্করাভ সরকার অভিযোগ করেছেন, ভোটের কয়েক দিন আগে হুমায়ুন কবির ভোটের দিন ১০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কার কথা বলেছিলেন। তার দাবি, কবির উত্তেজনা ও সহিংস পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন।

পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজের অভিযোগে কবিরকে আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন বিজেপি প্রার্থী।