বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

দীর্ঘদিনের আলোচনা, বিতর্ক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে নিয়ে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে অধ্যাদেশ জারি হলে বিশ্ববিদ্যালয়টি কার্যক্রম শুরু করবে। তখন ঢাকা কলেজসহ সাতটি সরকারি কলেজ নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত কলেজ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একাডেমিক কার্যক্রমও চালু থাকবে। এতদিন এসব কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে।

ঢাকার সাত কলেজকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংকট দীর্ঘদিনের। ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে গত বছরের জানুয়ারিতে সরকার সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে পৃথক করার ঘোষণা দেয়। পরে এসব কলেজকে একত্র করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঠামো নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যাদেশের খসড়া পুনর্বিবেচনা ও সংশোধন করে, যা এবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, নতুন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য হলো সাত কলেজকে একটি অভিন্ন একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে প্রতিটি কলেজের স্বকীয়তা, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অপরিবর্তিত থাকবে।

প্রাথমিক খসড়ায় প্রতিটি কলেজে পৃথক স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম চালুর যে প্রস্তাব ছিল, সংশোধিত খসড়ায় তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত খসড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। এতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থাকবে। রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা, গবেষণা, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করতে পারবে।

কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পৃথক স্কুল থাকবে, যার নেতৃত্ব দেবেন হেড অব স্কুল। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত অভিন্ন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, বর্ণ বা বিশেষ চাহিদার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য ছাড়াই দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল সুবিধা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনার পাশাপাশি ক্যাম্পাস প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

একই বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা সংক্রান্ত ট্রাস্ট অধ্যাদেশের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে পরিচালককে স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে পরিষদের সদস্যসচিব করার বিধান রাখা হয়েছে।

এই দুটি ট্রাস্টের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান করা হয়, যা পৃথক পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।

কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে যখন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ ও দোয়া-ইবাদতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকায় সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দুই ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গাইটাল পুকুরপাড়ে ভূঁইয়া প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সেমি-পাকা মার্কেটের মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্স এবং বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার দোকানে আগুন লাগে। এতে দুটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেলসহ দোকান দুটির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এশার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও আলোচনা চলাকালীন সময়ে রাস্তায় চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বন্ধ থাকা দোকানের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা দোকান মালিক ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খালিদ জানান, ঘটনার সময় দমকল কর্মীরা নামাজ শেষে নামাজের পোশাকেই ছিলেন। গাইটালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল কাদির জানান, তার দোকানে একটি নতুন ও একটি পুরাতন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া তার প্রতিবেশী বন্ধু গোলাপের একটি মোটরসাইকেলও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। দোকানের হিসাব সংক্রান্ত কিছু খাতাও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যারের মালিক শরিফুল ইসলাম রুবেল মুঠোফোনে জানান, তার দোকানে থাকা রং, স্যানিটারি পাইপসহ বিভিন্ন ধরনের লোহার সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের কেউ কেউ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কথা বললেও বাস্তবে মালিকপক্ষ, এলাকাবাসী কিংবা দমকল বাহিনীর কেউই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। জানা যায়, দোকানে কয়েকটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার ও ড্রাম ভর্তি টারপিন থাকলেও সেগুলো অক্ষত ছিল।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বরকতময় এই রজনীতে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড সত্ত্বেও জানমালের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের পাশে একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল, আবাসিক ভবন ও পাকা মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী দিনে হয়তো এমন কথাও শোনা যাবে—জামায়াতে ইসলামী এ দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল। বর্তমানে দেশে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চকরিয়ার মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী—যারা একাত্তরে এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে। তাদের দলের আমির যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ তা দিয়েছেন—যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের দ্বারা ইতিহাস বিকৃতি অস্বাভাবিক নয়। তবে বাংলাদেশের মানুষ সব জানে। জনগণ জানে, আজ তারা নতুন রূপে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে চেষ্টা করছে, তা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও ভণ্ডামি।

জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে যুক্ত করে কার্যত ‘ভাড়া’ করে একটি সাইনবোর্ড দেখাতে চাইছে—যেন তাদেরও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। ওই মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনোই এটি মেনে নেবে না। আমরা বিশ্বাস করি, তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন।

নারীদের কর্মসংস্থান ধ্বংসের পরিকল্পনা চলছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সম্প্রতি তারা দেশের নারী সমাজকে চরমভাবে অপমান করেছে। কর্মজীবী নারীদের পতিতাদের সঙ্গে তুলনা করে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেফাজুতুর রহমান চৌধুরী টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এই ভোটদান কার্যক্রম আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিকে, প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) থেকে দেশের অভ্যন্তরে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ইসি জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পৌঁছানো ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নামও উল্লেখ থাকবে।

একই সঙ্গে দেশে ও দেশের বাইরে থাকা মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভোটার দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।