শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩

কটিয়াদীতে নিজের নামে মাদরাসার অনুষ্ঠানে দাওয়াত পায়নি প্রতিষ্ঠাতা!

মোঃ জজ মিয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে নিজের নামে মাদরাসার অনুষ্ঠানে দাওয়াত পায়নি প্রতিষ্ঠাতা!

কটিয়াদিী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাঁচগাতিয়া গ্রামে আলহাজ্ব এম এ আব্দুল মান্নান মহিলা দাখিল মাদরাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা ও ইউনিয়নের জামায়াত নেতারা দাওয়াত পেলেও পায়নি খোদ প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার এম এ মান্নান। দাওয়াত না পেয়েও অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিষয়টি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে মাদরাসাটির সুপারিনটেন্ট মো. গোলাম মোস্তফার নামে তুলেন নানা অভিযোগ।

এসময় স্থানীয় অনেক অভিভাবককেও দাওয়াত না পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। দাওয়াতপত্রের মাধ্যমে মূলত দাওয়াত দেওয়া হয় সবাইকে।  ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে অভিভাবক সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় মাদাসাটির হলরুমে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাহমুদুল হাসান ও জামায়াত মনোনীত স্থানীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মোড়লসহ ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিকে দেখা যায় বক্তব্য দিতে।

প্রতিষ্ঠাতা অভিযোগ করে বলেন, “১১ বছর আগে বহিষ্কার করা হয় সুপার গোলাম মোস্তফাকে। ১১ টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের মাধ্যমে ২০১৪ সালে প্রাথমিক বহিষ্কার করা হলেও সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায় ২০১৭ সালে তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়।”

তিনি আরো বলেন, “তৎকালীন সময়ে শিক্ষকরা এই সুপারকে বহিষ্কার করার জন্য অনাস্থাপত্র জমা দেয় কমিটির কাছে।”

প্রতিষ্ঠাতা এম এ মান্নান অভিযোগ করে বলেন, “সম্প্রতি এই বহিষ্কৃত সুপার স্থানীয় জামায়াতের নেতাদের যোগসাজশে প্রতিষ্ঠানটিতে একরকম জোর করেই প্রবেশ করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও থেম নেই তার কার্যক্রম।”

জানা যায়, মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে। এম এ মান্নান নিজের জায়গায় নিজের নামে সম্পূর্ণ নিজ খরচায় ১২ বছর প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। ২০১০ সালের দিকে তার প্রচেষ্টায় এমপিওভুক্ত হয় প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি আরো বলেন, “বহিষ্কৃত সুপার বহিষ্কারাদেশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটি চলমান রয়েছে। ১১ বছর ধরেই তিনি প্রতিষ্ঠানে আসেননি। হঠাৎ করে সরকার পরিবর্তনের পর জামায়াতের লোকজন নিয়ে মাদরাসায় জোর করে প্রবেশ করে।”

সুপারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, ঠিকমতো মাদরাসায় না আসা, অভিভাবকদের কাছ থেকে অনৈতিক আর্থিক সুবিধা নেওয়াসহ নানা অভিযোগ তুলেন এই প্রতিষ্ঠাতা।

এ নিয়ে সুপার গোলাম মোস্তফা দাবি করেন সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়ায় ইউএনও মো: মাঈদুল ইসলামের অনুমতি নিয়েই তিনি মাদরাসার কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করছেন। তিনি বৈধ সুপার বলেও দাবি করেন।

স্থানীয় অভিভাবক ও লোকজনের ভাষ্য, একজন বহিষ্কৃত বিতর্কিত ব্যক্তিকে সুপার হিসেবে তারা দেখতে চান না।

এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সুপারের পক্ষে বিপক্ষে দুটি গ্রুপকে সক্রিয় দেখা গেছে। স্থানীয়রা দাবি করেন সুপারের যোগদান নিয়ে বড় ধরণের সংঘাত হতে পারে এলাকায়।

প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার এম এ মান্নান তার নিজের নামেই এ মাদরাসটি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি এলাকায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। মাদারাসা গেইটের সামনেই তার নিজস্ব অফিসে কথা হয় সংবাদকর্মীদের।

 তিনি বলেন, “মহিলা দাখিল মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত করেছি এলাকার কল্যাণে। সুপার নিয়ে যেনো কোনো দ্বন্ধের সৃষ্টি না হয়। বহিষ্কৃত ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে নতুন কাউকে সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি ও স্থানীয়রা।”

বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার বকেয়া পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় পৌরসভা কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসিন খন্দকার। তিনি বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বকেয়া কর আদায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে উৎসবমুখর পরিবেশে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেলায় করদাতাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, যাতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে বকেয়া পরিশোধে আগ্রহী হন।

পৌর প্রশাসক বলেন, “পৌরসভা আমাদের সবার। সময়মতো পৌরকর পরিশোধ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা চাই, এই মেলার মাধ্যমে মানুষ সহজ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের বকেয়া পরিশোধ করুক।” এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মেলার প্রচার-প্রচারণা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও মিঠামইন ফেরিঘাটে দীর্ঘদিনের টোল আদায় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিন এই দুটি ফেরিঘাট দিয়ে কৃষকদের যাতায়াতে কোনো প্রকার টোল বা টাকা নেওয়া হবে না।

সম্প্রতি বালিখোলা ফেরিঘাটে অতিরিক্ত ও অবৈধ টোল আদায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বোরো মৌসুমে ধান পরিবহনের সময় এমন হয়রানিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

কৃষকদের এই দুর্ভোগ লাঘবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের সমন্বয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে টোলমুক্ত রাখার এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল সরেজমিনে ফেরিঘাট পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন। তিনি জানান, বোরো মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান নির্বিঘ্নে পরিবহনের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের স্বার্থে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত টোল আদায় বা জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার ঘটনা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, ধান কাটার মৌসুমে ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছিল, যা তাদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল। টোলমুক্ত সিদ্ধান্তে তাদের খরচ কমবে এবং ফসল পরিবহন সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় কৃষকের লাভের অংশ কমিয়ে দেয় এবং বাজার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক স্বস্তিই নয়, বরং কৃষিবান্ধব নীতিনির্ধারণের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ধারিত টোল কাঠামো এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত উপজেলা অষ্টগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি সরাসরি কৃষকদের জমিতে গিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে তাদের অধিকাংশ জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেকেই সারা বছরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল কৃষকদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, সরকার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “হাওরের কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি।”

প্রশাসকের এই মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি ও আশ্বাসে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান স্বপন,সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু,ইটনা উপজেলা বিএনপির সিনয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ইয়াকুব, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. আলী রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়াসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।