শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

দশম গ্রেড চেয়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দশম গ্রেড চেয়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালন করেছেন কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তাদের এই কর্মবিরতিতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা। ডাক্তার দেখাতে পারলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, করতে পারছেন না, পাচ্ছেন না ওষুধ।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে এ কর্মসূচী পালন করে তারা। কর্মবিরতি শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পরবর্তী কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মবিরতিতে বক্তব্য রাখেন, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ তানভীর আহমেদ, ফার্মাসিস্ট মো: আনিসুর রহমান, ফার্মাসিস্ট সাহিদা পারভীন।

হাসপাতাল ঘুরে জানা যায়, সকাল ৮টায় প্রতিদিনের ন্যায় বহির্বিভাগে সেবা প্রদান থেকে শুরু পরীক্ষা-নিরীক্ষা, রক্ত পরিসঞ্চালন শুরু হয়। এর এক ঘণ্টা পর কর্মবিরতি শুরু করেন টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। এ সময় কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তাদের এই কর্মবিরতিতে জরুরি সেবা চালু থাকলেও অন্যান্য সেবায় ব্যাহত হওয়ায় সেবা নিতে আসা রোগীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে।

এদিকে তাদের এই কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে প্যাথলজি, ব্লাড ব্যাংক, রেডিওলোজী সহ বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। অপরদিকে ফার্মেসী বিভাগে গিয়েও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ সময় ওষুধ নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন মাহবুব আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সকালে চিকিৎসক দেখে ভাঙ্গা পায়ের এক্সরে করতে দিয়েছে, সাড়ে ১০ টার দিকে এসে দেখি এখানে কেউ নেই, শুনেছি তারা কর্মবিরতিতে গিয়েছে। সকাল থেকেই বসে আছি, কেউ কোনো কাজ করছে না।

এসময় বক্তারা বলেন, সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, সচিবালয় ক্লিনিক, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, বঙ্গভবন মেডিকেল সেন্টার, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত ইনস্টিটিউটে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বছরের পর বছর ধরে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে মানবসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

তারা আরও বলেন, অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীরা যেমন— ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা নার্স ও ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা এরই মধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলেও, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এখনো সেই ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে স্বাস্থ্য খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পেশার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে বাধ্য হয়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের সদিচ্ছার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অযৌক্তিক অজুহাতের কারণে বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘসূত্রতা করা হচ্ছে। এর ফলে তারা আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। দ্রুত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে সারা দেশব্যাপী আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ফার্মাসিস্ট মো: আনিসুর রহমান বলেন, আমরা অনেকবার আন্দোলন করেছি, অনেকবার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। আমাদের ফাইল অদৃশ্য কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আটকা পড়ে আছে। এরমধ্যে সরকারকে আমরা আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম, আমাদের কথা রাখেননি। আমাদের মর্যাদা লড়াইয়ের জন্য সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা আজ সোচ্চার। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে আগামীকাল কমপ্লিট শাটডাউনে চলে যাব। এ সময়ে রোগীদের ভোগান্তি হলে সেই দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

মেডিকেল ল্যাব ইনচার্জ তানভীর আহমেদ বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক সেটি স্বাস্থ্যন্ত্রণালয়ও জানে। আমরা দেখেছি অন্যান্য সেক্টরের ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড দিলেও আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও বঞ্চিত। সরকার বার বার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন করেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতা থাকলেও শুধুমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সদিচ্ছার অভাবে আটকে আছে। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

তানভীর আহমেদ আরও বলেন, আজ আমরা দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি করেছি। এর মধ্যে দাবি মেনে না নেয়া হলে আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে। আমরা কর্মবিরতি দিয়ে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তিতে ফেলতে চাইনা। সরকারের কাছে দাবি আমাদের ১০ গ্রেডে উন্নিত করা হোক। তা না হলে কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো আমরা।

উল্লেখ্য, এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এদিকে দাবি বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

 

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই শহীদদের অবদান তুলে ধরা এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করার আহ্বানও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো একইভাবে উদযাপন করা হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41