শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

দশম গ্রেড চেয়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দশম গ্রেড চেয়ে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মবিরতি পালন করেছেন কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। তাদের এই কর্মবিরতিতে চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ রোগীরা। ডাক্তার দেখাতে পারলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা, করতে পারছেন না, পাচ্ছেন না ওষুধ।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত হাসপাতাল চত্বরে এ কর্মসূচী পালন করে তারা। কর্মবিরতি শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পরবর্তী কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কর্মবিরতিতে বক্তব্য রাখেন, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ তানভীর আহমেদ, ফার্মাসিস্ট মো: আনিসুর রহমান, ফার্মাসিস্ট সাহিদা পারভীন।

হাসপাতাল ঘুরে জানা যায়, সকাল ৮টায় প্রতিদিনের ন্যায় বহির্বিভাগে সেবা প্রদান থেকে শুরু পরীক্ষা-নিরীক্ষা, রক্ত পরিসঞ্চালন শুরু হয়। এর এক ঘণ্টা পর কর্মবিরতি শুরু করেন টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। এ সময় কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তাদের এই কর্মবিরতিতে জরুরি সেবা চালু থাকলেও অন্যান্য সেবায় ব্যাহত হওয়ায় সেবা নিতে আসা রোগীরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে।

এদিকে তাদের এই কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে প্যাথলজি, ব্লাড ব্যাংক, রেডিওলোজী সহ বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। অপরদিকে ফার্মেসী বিভাগে গিয়েও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ সময় ওষুধ নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন মাহবুব আলম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সকালে চিকিৎসক দেখে ভাঙ্গা পায়ের এক্সরে করতে দিয়েছে, সাড়ে ১০ টার দিকে এসে দেখি এখানে কেউ নেই, শুনেছি তারা কর্মবিরতিতে গিয়েছে। সকাল থেকেই বসে আছি, কেউ কোনো কাজ করছে না।

এসময় বক্তারা বলেন, সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, সচিবালয় ক্লিনিক, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, বঙ্গভবন মেডিকেল সেন্টার, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত ইনস্টিটিউটে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বছরের পর বছর ধরে চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে মানবসেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

তারা আরও বলেন, অন্যান্য ডিপ্লোমাধারীরা যেমন— ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, ডিপ্লোমা নার্স ও ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা এরই মধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলেও, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা এখনো সেই ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে স্বাস্থ্য খাতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পেশার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে বাধ্য হয়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের সদিচ্ছার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও অযৌক্তিক অজুহাতের কারণে বিষয়টি ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘসূত্রতা করা হচ্ছে। এর ফলে তারা আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। দ্রুত ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে সারা দেশব্যাপী আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

ফার্মাসিস্ট মো: আনিসুর রহমান বলেন, আমরা অনেকবার আন্দোলন করেছি, অনেকবার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। আমাদের ফাইল অদৃশ্য কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আটকা পড়ে আছে। এরমধ্যে সরকারকে আমরা আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম, আমাদের কথা রাখেননি। আমাদের মর্যাদা লড়াইয়ের জন্য সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা আজ সোচ্চার। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে আগামীকাল কমপ্লিট শাটডাউনে চলে যাব। এ সময়ে রোগীদের ভোগান্তি হলে সেই দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

মেডিকেল ল্যাব ইনচার্জ তানভীর আহমেদ বলেন, আমাদের দাবি যৌক্তিক সেটি স্বাস্থ্যন্ত্রণালয়ও জানে। আমরা দেখেছি অন্যান্য সেক্টরের ডিপ্লোমাধারীদের দশম গ্রেড দিলেও আমরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও বঞ্চিত। সরকার বার বার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন করেনি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আন্তরিকতা থাকলেও শুধুমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সদিচ্ছার অভাবে আটকে আছে। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

তানভীর আহমেদ আরও বলেন, আজ আমরা দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি করেছি। এর মধ্যে দাবি মেনে না নেয়া হলে আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচি পালন করা হবে। আমরা কর্মবিরতি দিয়ে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তিতে ফেলতে চাইনা। সরকারের কাছে দাবি আমাদের ১০ গ্রেডে উন্নিত করা হোক। তা না হলে কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবো আমরা।

উল্লেখ্য, এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত একই দাবিতে কর্মবিরতি পালন করেন তারা। এদিকে দাবি বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার কমপ্লিট শাট ডাউন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

 

পানি কমায় চালু হলো কিশোরগঞ্জের বালিখোলা ও শান্তিপুর ফেরি

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
পানি কমায় চালু হলো কিশোরগঞ্জের বালিখোলা ও শান্তিপুর ফেরি

দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত চালু হয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ রক্ষায় নদীর ওপর স্থাপিত দুটি ফেরি।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার সূতারপাড়া ইউনিয়নের ধনু নদীতে বালিখলা ফেরি এবং মিঠামইন উপজেলা সদরসংলগ্ন ঘোড়াউত্রা নদীতে শান্তিপুর ফেরির চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ফেরি চলাচল উদ্বোধনের সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং ইজারাদারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, ফেরিগুলো মূলত শুকনো মৌসুমে চলাচল করে। প্রতি বছর প্রায় ছয় মাস হাওরের সাবমার্জিবল সড়ক পানির নিচে তলিয়ে থাকার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। পানি নেমে সড়ক ভেসে উঠতেই ফেরি আবার চলতে শুরু করে।

এই রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় করিমগঞ্জের বালিখলা হয়ে হাওরের তিন উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগে স্বস্তি ফিরেছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই পথ দিয়ে যাতায়াত করেন।

তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

দেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের উদ্যোগে তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়নের পাইকপাড়ায় আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পাইকপাড়া হোসাইনিয়া বাবুলউলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে দুই শতাধিক নারী–পুরুষ মেডিসিন, হৃদরোগ, চর্মরোগ, গাইনি ও স্ত্রীরোগসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘এ ধরনের ক্যাম্পের কারণে এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসা পাওয়া সহজ হয়েছে। যারা সময়মতো ডাক্তার দেখাতে পারেন না, তারা আজ সুবিধা পেয়েছেন।’
চিকিৎসা নিতে আসা শাহানারা বেগম বলেন, ‘হৃদরোগের পরীক্ষা করতে আগে দূরে যেতে হতো। আজ ক্যাম্পে এসে চেকআপ করিয়ে স্বস্তি পেয়েছি।’

হাফিজুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন চর্মরোগে ভুগছিলেন। ক্যাম্পে এসে চিকিৎসকদের কাছ থেকে সময় নিয়ে পরামর্শ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও পেয়েছেন।
রুবিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা গ্রামের মানুষ। গাইনি সমস্যায় চিকিৎসা পেতে কষ্ট হত। আজ একদম বিনা খরচে সেবা পেয়েছি।’

ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের নেতৃত্বে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. ফয়সাল আহমেদ। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন সুমন, তাড়াইল উপজেলা আমির হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আবু সাইদ, দিগদাইড় ইউনিয়ন সভাপতি শরিফুল, ধলা ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল বাতেন, সাবেক সভাপতি খায়রুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন তাড়াইল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম।

‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

কিশোরগঞ্জ–১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ হাদী বলেছেন, “দেশজুড়ে দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমার নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ এবং হোসেনপুরও এর বাইরে নয়। এমপি থেকে শুরু করে পৌরসভা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যপর্যন্ত দুর্নীতির বিস্তার দেখা যায়। এই দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের জনশক্তি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাদী এ মন্তব্য করেন।

সভায় জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ মোকাররম হুসাইনের সভাপতিত্ব এবং সহসভাপতি মুহাম্মদ মুযাক্কির হুসাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।

প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শাহরিয়ার আলম।