মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

যৌতুকের দাবিতে নির্মম নির্যাতনের পর রাস্তায় ফেলে যাওয়া স্ত্রীকে কামড়ালো পাগলা কুকুর

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
যৌতুকের দাবিতে নির্মম নির্যাতনের পর রাস্তায় ফেলে যাওয়া স্ত্রীকে কামড়ালো পাগলা কুকুর

কিশোরগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে কোমড়ের হাড় ভেঙ্গে সড়কে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মোঃ শহীদ মিয়া ও শ্বশুর, শাশুড়ির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে অজ্ঞান অবস্থায় কুকুরে কামড়িয়ে জখম করেছে বলেও জানা গেছে। এ ঘটনায় বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) কিশোরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন ওই ভুক্তভোগী নারীর মা স্বপ্না আক্তার।

অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, স্বামী মোঃ শহীদ মিয়া, শ্বশুড় সাবান মিয়া ও শাশুড়ি মঞ্জিলা খাতুন। তাঁরা সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের চৌধুরীহাঁটি গ্রামের বাসিন্দা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ওই নারী একই এলাকার বাসিন্দা। ওই নারীর মানুষের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ভুক্তভোগীর বাবা হক মিয়া শ্রমিক।

বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহাদাত হোসেন মামুন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে, ২০২০ সালে ওই ভুক্তভোগী নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন শহীদ মিয়া। তাদের সংসারে ৪ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর শাশুরির প্ররোচনায় যৌতুকের টাকার জন্য ভুক্তভোগী ওই নারীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত তাঁর স্বামী। সন্তানের ভবিষ্যত জীবনের কথা চিন্তা করে এসব সহ্য করতেন ভুক্তভোগীর পরিবার। এসব নিয়ে অনেক দরবার সালিসিও হয় এলাকায়। গত ২৬ নভেম্বর ভুক্তভোগী ওই নারীর কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুরি। এ টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভুক্তভোগী নারীর চুলের মুঠি ধরে টানা হেচড়া করে মাটিতে ফেলে দেয়।

পরে বাঁশ দিয়ে সারা শরীরে বেধড়ক মারপিট করে। পরে শহীদ মিয়া এসএস পাইপ দিয়ে সারা শরীরে পেটায়। মারপিটে অজ্ঞান হয়ে গেলে ওই নারীকে বাড়ির সামনের সড়কে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। পরে পাগলা কুকুর ওই নারীকে কামড়িয়ে জখম করে। আশপাশের লোকজন ভুক্তভোগী নারীর মাকে খবর দিলে তিনি এসে তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভুক্তভোগী নারীর মা স্বপ্না আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে মেরে কোমড়ের হাড় ভেঙ্গে ফেলেছে ওই পাষণ্ডরা। মারপিট করে সড়কে ফেলে রাখে আমার মেয়েকে। অজ্ঞান অবস্থায় আমার মেয়েকে পাগলা কুকুরেও কামড়িয়েছিল। আমার মেয়ে বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এতেও শান্ত হয়নি তারা। আমাদের রাস্তায় পেয়ে খুন জখমের হুমকি দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আমরা ভয়ে আতঙ্কে কাটাচ্ছি। আমরা গরিব মানুষ কি তাহলে বিচার পাবো না।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, কোর্ট ছাড়া কাউকে বক্তব্য দেয়া যাবে না।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) তাজরীন তৈয়ব বলেন, কোমড়ে আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে অবস্থা উন্নতির দিকে। এছাড়া ডান পশ্চাদদেশে কুকুরে কামড় দিয়েছিল। সেই কামড়ের ক্ষতও এখন উন্নতির দিকে। কুকুরের কামড়ের ভ্যাক্সিন দেয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত স্বামী মোঃ শহীদ মিয়া বলেন, আমি মেরেছি কিন্তু এসএস পাইপ দিয়ে মারিনি। আমি স্ত্রীকে রাস্তায়ও ফেলে আসিনি। আমার স্ত্রী ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি থেকে নিজেই চলে যায়। আমাদের নামে যেসব বলা হয়েছে সব মিথ্যা।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আদালতের আদেশ আমাদের হাতে এসে এখনো পৌঁছায়নি। হাতে পেলেই তদন্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব।

হোসেনপুরে সমবায় ব্যবস্থাপনা ও আয়বর্ধন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে সমবায় ব্যবস্থাপনা ও আয়বর্ধন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে সমবায় সমিতির টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন এবং আয়বর্ধনমূলক কার্যক্রম জোরদারের লক্ষ্যে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্য, কর্মকর্তা ও সংগঠকরা অংশ নেন।

সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় হোসেনপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। দিনব্যাপী চলা এ কর্মশালায় সমবায় ব্যবস্থাপনা, আর্থিক স্বচ্ছতা, আয়বর্ধনমূলক প্রকল্প গ্রহণ, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং টেকসই উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা শাহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালার উদ্বোধন করেন হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. নবীউল ইসলাম।

প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জেলা সমবায় অফিসার অলকা আক্তার। তিনি সমবায়ের মূলনীতি, কার্যকর ব্যবস্থাপনা, আর্থিক জবাবদিহিতা এবং আয়বর্ধনমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমবায় সমিতিগুলোকে কীভাবে আরও শক্তিশালী ও লাভজনক করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, সমবায় সমিতিকে টেকসই ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হলে সঠিক হিসাবরক্ষণ, স্বচ্ছতা, সদস্যদের অংশগ্রহণ এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে সমবায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এ সময় প্রশিক্ষকরা বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন এবং নতুন আয়বর্ধনমূলক প্রকল্প গ্রহণে উৎসাহিত করেন।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমবায় সমিতিগুলোর সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

কটিয়াদীতে তিন কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

“কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করা হবে না”- এমপি জালাল উদ্দিন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
“কোনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করা হবে না”- এমপি জালাল উদ্দিন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের ঝিড়ারপাড় থেকে বাহেরচর ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে লোহাজুরী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কোনো ধরনের অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করা হবে না। জনগণের কল্যাণে কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, “এ সরকার সকল দল, মত ও ধর্মের মানুষের সরকার। আমরা এমন সরকার চাই না, যে সরকার জনগণের সম্পদ লুটপাট করে। অতীতে অনেক লুটপাট হয়েছে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে।”

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘কাজের বিনিময়ে টাকা’ (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় এ খাল পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল মতিন জুয়েল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক চান মিয়া মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন সরকার, সাবেক আইনবিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াস কাঞ্চন ভূঞা শরীফ, সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঞা বাবুল, জসিম উদ্দিন মেম্বার, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রশিদ রুবেল, ইউপি সদস্য মো. খোকন, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলী এবং লোহাজুরী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ আলীসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার আবারও খাল পুনঃখনন প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

তিনি বলেন, “এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সেচ সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া খালে মাছ চাষ এবং খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের সুযোগও তৈরি হবে।”

কটিয়াদীতে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ আটক দুই মাদক বিক্রেতা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ আটক দুই মাদক বিক্রেতা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ।

আটকরা হলেন উপজেলার মুমুরদিয়া ইউনিয়নের বাগবেড় গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৮) এবং সহশ্রাম ধূলদিয়া ইউনিয়নের কৈতরীপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে মো. সুমন মিয়া (২৬)।

পুলিশ জানায়, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাগবেড় গ্রামের মোহাম্মদ আলী চৌকিদারের বাড়ির উত্তর পাশের পাকা সড়ক থেকে রুবেল মিয়াকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

পৃথক আরেক অভিযানে গচিহাটা-কৈতরীপাড়া ইটের সলিং সড়ক এলাকায় সুমন মিয়াকে আটক করা হয়। এ সময় তার পরিহিত জিন্স প্যান্টের পকেটে থাকা সাদা পলিথিন মোড়ানো অবস্থায় ২১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোপনে মাদক কেনাবেচার অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি কটিয়াদীতে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এলাকাবাসী মাদক নির্মূলে পুলিশের চলমান অভিযানের প্রশংসা করে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কটিয়াদী মডেল থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “পৃথক দুইটি অভিযানে ইয়াবাসহ রুবেল মিয়া ও সুমন মিয়াকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”