শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

দেড়যুগ ধরে স্কুল-ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গরুর হাট, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দেড়যুগ ধরে স্কুল-ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে গরুর হাট, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা

দেড়যুগ ধরে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর ও আঠারোবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়মিত গরু-ছাগলের হাট বসছে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা প্রদানেও সৃষ্টি হচ্ছে চরম প্রতিবন্ধকতা। পাশাপাশি সড়কে তৈরি হচ্ছে ভয়াবহ যানজট, বাড়ছে জনদুর্ভোগ।

ইউনিয়ন পরিষদের চত্বর ও বিদ্যালয়ের মাঠে সারি সারি গরু-ছাগল, ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় এবং পশুর হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। হাট বসার দিন বিদ্যালয়ে নামমাত্র পাঠদান চলে। একইসঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা গ্রহণের ন্যূনতম পরিবেশও থাকে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে প্রতি বুধবার জারইতলা ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদ চত্বর ও আঠারোবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিয়মিত এই হাট বসছে। শুরুতে গোপী রায়ের বাজার নামে প্রায় ৩৬ শতাংশ ইজারাকৃত জমি এবং কিছু ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে হাট বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরে জোরপূর্বক বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদের মাঠেই হাট বসানো শুরু হয়। বর্তমানে এটি জেলার অন্যতম বড় গরুর হাটে পরিণত হয়েছে।

হাটের দিন বিদ্যালয়টি নামমাত্র খোলা থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় সব নাগরিক সেবা বন্ধ থাকে বলে সরেজমিনে দেখা গেছে। পরিষদের কক্ষগুলোর দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায়।

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বুধবার হাট বসার কারণে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। হাট শেষে পুরো মাঠ গোবর ও মলমূত্রে ভরে যায়, ফলে খেলাধুলা তো দূরের কথা, স্বাভাবিক চলাচলও কষ্টকর হয়ে ওঠে। বিদ্যালয়ের মূল ফটক দখল করে গরু বেঁধে রাখায় আতঙ্কে থাকতে হয় বলেও অভিযোগ করে তারা।


নিকলী–বাজিতপুর আঞ্চলিক সড়কসংলগ্ন সাজনপুর গরুর হাটে প্রবেশের জন্য সড়কের দুই পাশে গরুবাহী ট্রাক ও পিকআপ দাঁড়িয়ে থাকে। ফলে প্রতি বুধবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিকলী, বাজিতপুর, ভৈরব ও কটিয়াদি সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরসহ আশপাশের এলাকায় যাতায়াতে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এমনকি পাশের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সও সময়মতো চলাচল করতে পারে না।

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “বুধবার হাটের দিন আধা কিলোমিটার এলাকায় ভয়াবহ যানজট থাকে। জরুরি রোগী নিয়ে যাতায়াতে অনেক সময় লাগে, এতে রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়ে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাট বসানোর ফলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটের দিন ইউনিয়ন পরিষদের সব কক্ষ বন্ধ ছিল।

এ বিষয়ে জারইতলা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ইসহাক রানা বলেন, “হাটের দিন সাধারণ মানুষ কম আসে। গরু এলোপাতাড়ি দৌড়ানোর কারণে অনেকে ভয়ে পরিষদে আসেন না। তবে উদ্যোক্তারা দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরিষদে ছিলেন।”

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জোবেদা বেগম বলেন, “হাটের দিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকে। এতে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ বিষয়ে কোনো অভিভাবক লিখিত অভিযোগ করেননি।”

একজন শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, হাটের দিন মেয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যায়। অনেক সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের কুরুচিপূর্ণ আচরণ ও ইভটিজিংয়ের শিকার হয় শিক্ষার্থীরা।

নিকলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সিদ্দিক বলেন, “বুধবার হাটের দিন সরেজমিনে পরিদর্শন করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।”

হাটের ইজারাদার জমশেদ আলী বলেন, “সরকারি বিধি অনুযায়ী হাট পরিচালিত হচ্ছে। ইজারাকৃত ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি রয়েছে। বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশের জন্য বিকল্প পথ আছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, কিছু লোক অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করছে।

নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলাম না। এখন জেনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কুলিয়ারচরে বিক্রয় প্রতিনিধি ও ডিলারদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে বিক্রয় প্রতিনিধি ও ডিলারদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) ও ডিলারদের ঐক্যবদ্ধ করতে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করাই এ সংগঠনের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) বিকেলে উপজেলার বাজরা-তারাকান্দি বাজারে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো. জাহিদুল ইসলাম হৃদয় এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. আতিকুর রহমান জাকির।

কমিটির অন্যান্য পদে রয়েছেন— সহ-সভাপতি: মো. সোহেল রানা (বাজরা-তারাকান্দি), মো. শাকিল মিয়া (দারিয়াকান্দি) ও মো. আজিজুর রহমান আপেল (ছয়সূতী)।
সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. সালাহ উদ্দীন (বাজরা)। প্রচার সম্পাদক: মো. মিলন মিয়া (মনোহরপুর), মো. আল-আমিন মিয়া (আগরপুর) ও মো. শরিফ মিয়া (চর কামালপুর)। সহকারী প্রচার সম্পাদক: মো. রতন মিয়া (তারাকান্দি) ও মো. আহসানুল হাবীব আশিক (পৈলানপুর)। সম্মানিত সদস্য: কুলিয়ারচর উপজেলার সকল বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) ও ডিলারবৃন্দ।

সভায় বক্তারা বলেন, সংগঠনটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক থাকবে এবং পেশাগত ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করবে। পাশাপাশি সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করাই হবে সংগঠনের অন্যতম লক্ষ্য।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে কুলিয়ারচরের বিক্রয় প্রতিনিধি ও ডিলাররা অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং সংগঠনের কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

হোসেনপুরে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পৃথক দুটি অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাতে হোসেনপুর থানা পুলিশ-এর একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঢেকিয়া গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় মো. খাইরুল ইসলাম (৩৮) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

একই দিনে অপর অভিযানে উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের চরকাটিহারী গ্রাম থেকে মোছা. নাছিমা আক্তার নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্থানীয় রিটন মেম্বারের বোন বলে জানা গেছে। এ সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৬০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে হোসেনপুরসহ আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিক্রি করে আসছিলেন।

অভিযান পরিচালনা করেন হোসেনপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন ও এসআই ঈদুল হোসেনসহ পুলিশের একটি দল।

এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ০৭/০৯। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে হোসেনপুর থানা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জে মেডিকেল বর্জ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প উদ্বোধন, পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মেডিকেল বর্জ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প উদ্বোধন, পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর উদ্যোগে ‘মেডিকেল বর্জ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার নতুন জেলখানা রোড এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন মো. মাজহারুল ইসলাম, যিনি কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান, হাসপাতালের পরিচালক রিয়াদ আহমেদ তুষার, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও হয়বতনগর ইউএল কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক সাইফুল হক মোল্লা দুলু, কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাব-এর সভাপতি এ কে নাছিম খান এবং কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম-এর সভাপতি নূর মোহাম্মদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।

পরে শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে প্রকল্পটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মেডিকেল বর্জ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব ও কার্যপ্রণালী তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নুরুন্নাহার আফরিন।

অনুষ্ঠানে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা অংশ নেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি মাজহারুল ইসলাম বলেন, “মেডিকেল বর্জ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে তা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করা হবে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আধুনিক ও নিরাপদ পদ্ধতিতে মেডিকেল বর্জ সংগ্রহ, পরিবহন ও নিষ্পত্তির মাধ্যমে শহরের পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।