বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

গোবিন্দপুর স্কুল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
গোবিন্দপুর স্কুল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বেগম খালেদা জিয়া-এর স্মরণে এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় গোবিন্দপুর হাই স্কুল মাঠে ৬নং ওয়ার্ড বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সভাপতি মো. বাচ্চু মিয়ার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মাসুদ আলম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাসুদ আলম বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আলোকবর্তিকা। তাঁর অবদান এ দেশের মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।” তিনি আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ইফতারের আগে এক স্মরণসভায় বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া হিমেল, হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরে আলম এরশাদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়া উদ্দিন জিয়া, জেলা যুবদলের সদস্য মো. আজহারুল ইসলাম স্বপন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিক হোসেন মেম্বার, হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিকচন খাঁন নাঈম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. সোহেল রানা, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন নবীনদলের সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শরিফ আহমেদ শরিফ, সাবেক ছাত্রনেতা মো. মামুন মিয়া ও মো. বুলবুল আহমেদ, জনপ্রিয় ছাত্রনেতা মো. সাগর আহমেদ এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফকরুল ইসলাম শরিফসহ আরও অনেকে।

মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। ইফতারের আগ মুহূর্তে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি-র বার্ষিক নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে বিজয়ী হয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। অপরদিকে ৫টি পদে জয় পেয়েছেন  আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থীরা।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. ইদ্রিস আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ১৯৯ ভোট পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ১৭৫ ভোট।

সহসভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট এম. এ. সাজাদ্দুল হক ২৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। একই পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মুফতি মো. জাকির খান ২৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম রতন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট আতিকুল হক বুলবুল পেয়েছেন ১৬৬ ভোট।

সহসাধারণ সম্পাদক পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. আবু সাইম ২২৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল হক ভূঁইয়া ২৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

লাইব্রেরিয়ান পদে অ্যাডভোকেট মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক মিলন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম এবং অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া উৎপল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তারা সবাই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী।

সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট মো. আবু হানিফ ৩৬০ ভোট, অ্যাডভোকেট মো. সারওয়ার আলম ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. সোহাগ মিয়া ২৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া সদস্য পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. কোরবান আলী ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম ৩৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

অষ্টগ্রামে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের মতবিনিময়

মোঃ আলী রহমান প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের মতবিনিময়

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রাম উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।

সভায় বক্তব্য দেন অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শহিদুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেব খাঁন, উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত সরকার, সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গিয়াস উদ্দিন আশরাফী, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও জার্নাল অব কান্ট্রি বিডি ডটকমের সম্পাদক নজরুল ইসলাম সাগর এবং রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি শাহিন মিয়া প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নদী খনন, সমাজসেবা, কৃষি ও সেচসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধানে করণীয় বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান উত্থাপিত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

সভা শেষে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জে গাঁজাসহ তিন যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে তিন মাসের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে গাঁজাসহ তিন যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে তিন মাসের কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জ জেলা-এ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা আক্তার রুপা এবং মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পাবইকান্দি গ্রামের মিনু মিয়ার ছেলে মো. মেহেদী হাসান মুরাদ (১৯), একই উপজেলার দক্ষিণ লতিবাবাদ গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মো. রুমান (২৪) এবং  লতিবাবাদ গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে মো. দেলোয়ার (২১)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিকট প্রসিকিউশন দায়ের করেন। পরে মোবাইল কোর্টে তিনজনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে মোট ৩০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।