গোবিন্দপুর স্কুল মাঠে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বেগম খালেদা জিয়া-এর স্মরণে এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় গোবিন্দপুর হাই স্কুল মাঠে ৬নং ওয়ার্ড বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সভাপতি মো. বাচ্চু মিয়ার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মাসুদ আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মাসুদ আলম বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেত্রী এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আলোকবর্তিকা। তাঁর অবদান এ দেশের মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।” তিনি আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
ইফতারের আগে এক স্মরণসভায় বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া হিমেল, হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, হোসেনপুর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরে আলম এরশাদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়া উদ্দিন জিয়া, জেলা যুবদলের সদস্য মো. আজহারুল ইসলাম স্বপন, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিক হোসেন মেম্বার, হোসেনপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিকচন খাঁন নাঈম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. সোহেল রানা, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন নবীনদলের সভাপতি মো. মাজহারুল ইসলাম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শরিফ আহমেদ শরিফ, সাবেক ছাত্রনেতা মো. মামুন মিয়া ও মো. বুলবুল আহমেদ, জনপ্রিয় ছাত্রনেতা মো. সাগর আহমেদ এবং গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফকরুল ইসলাম শরিফসহ আরও অনেকে।
মাহফিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। ইফতারের আগ মুহূর্তে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।




