বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি-র বার্ষিক নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে বিজয়ী হয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। অপরদিকে ৫টি পদে জয় পেয়েছেন  আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থীরা।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. ইদ্রিস আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ১৯৯ ভোট পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ১৭৫ ভোট।

সহসভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট এম. এ. সাজাদ্দুল হক ২৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। একই পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মুফতি মো. জাকির খান ২৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম রতন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট আতিকুল হক বুলবুল পেয়েছেন ১৬৬ ভোট।

সহসাধারণ সম্পাদক পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. আবু সাইম ২২৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল হক ভূঁইয়া ২৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

লাইব্রেরিয়ান পদে অ্যাডভোকেট মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক মিলন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম এবং অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া উৎপল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তারা সবাই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী।

সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট মো. আবু হানিফ ৩৬০ ভোট, অ্যাডভোকেট মো. সারওয়ার আলম ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. সোহাগ মিয়া ২৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া সদস্য পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. কোরবান আলী ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম ৩৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ, ষড়যন্ত্র মোকাবিলার ঘোষণা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ, ষড়যন্ত্র মোকাবিলার ঘোষণা

পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমাবেশস্থলে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন।

এ সময় জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সারাদেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সংসদের ভেতরে ও বাইরে ষড়যন্ত্র চলছে।

তিনি বলেন, বিএনপি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। এ সময়ে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিপুলসংখ্যক মামলা হয়েছে এবং লাখ লাখ নেতাকর্মী আসামি হয়েছেন। আন্দোলন করতে গিয়ে দলের নেতাকর্মীদের কারাবরণ, নির্যাতন ও নানা ত্যাগ স্বীকারের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সংসদ কচু পাতার পানি, ধাক্কা দিলেই পড়ে যাবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা রাজপথে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকব। সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।’

সমাবেশে বিএনপির নেতারা দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার পাশাপাশি দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে আহ্বান জানান।

পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদক সেবনের দায়ে পলিন (৩০) নামে এক যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।

দণ্ডপ্রাপ্ত পলিন উপজেলার বুরুদিয়া ইউনিয়নের নরপতি গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ওই এলাকায় অভিযান চালায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. এনাময়েত হোসেনের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এ সময় মাদক সেবনরত অবস্থায় মাদক সেবনের উপকরণসহ ওই যুবককে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে পলিনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে দণ্ড দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গাড়ি আনতে গিয়ে স্বামী নিখোঁজ, সন্তান কোলে পৌরসভার সামনে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
গাড়ি আনতে গিয়ে স্বামী নিখোঁজ, সন্তান কোলে পৌরসভার সামনে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী

স্বামীর সঙ্গে কিশোরগঞ্জে এসে পৌরসভার সামনে সন্তান কোলে নিয়ে অসহায় অবস্থায় অপেক্ষা করছেন রিনা আক্তার মনি নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী। তাঁর কোলে রয়েছে এক কন্যাসন্তান। রিনার দাবি, তিনি বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্বামী সেলিম মিয়া গাড়ি আনতে যাওয়ার কথা বলে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আর ফিরে আসেননি বলে জানান তিনি।

রিনা আক্তার মনি সেন্টমার্টিন, টেকনাফ এলাকার বাসিন্দা। তাঁর স্বামী সেলিম মিয়া। সেলিম মিয়ার বাবার নাম আবু কালাম এবং তাঁদের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। প্রায় পাঁচ বছর আগে রিনা ও সেলিমের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বর্তমানে রিনা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

রিনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে রিনা, তাঁর স্বামী সেলিম মিয়া ও তাঁদের সন্তান কিশোরগঞ্জে পৌঁছান। পরে সেলিম তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সামনে রেখে রিনার কাছে থাকা ১ হাজার টাকা নিয়ে গাড়ি আনার কথা বলে সেখান থেকে চলে যান।

কিন্তু দুপুর পেরিয়ে গেলেও সেলিম আর ফিরে আসেননি বলে জানান রিনা। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও স্বামীর কোনো সন্ধান না পেয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি। রিনা জানান, কিশোরগঞ্জে স্বামীর সঠিক ঠিকানা কিংবা তাঁর পরিচিতজনদের সম্পর্কেও তিনি বিস্তারিত জানেন না।

একদিকে কোলে ছোট সন্তান, অন্যদিকে গর্ভে আরেক সন্তান—এ অবস্থায় স্বামীর অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সামনে বসে আছেন রিনা। তাঁর এই অবস্থায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

রিনার স্বামী সেলিম মিয়ার সন্ধান পেতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন রিনা আক্তার মনি।