বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২১ ১৪৩২

আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় কামরুজ্জামান সোহেল

হোসেনপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় কামরুজ্জামান সোহেল

হোসেনপুর উপজেলা-এর রাজনীতিতে নতুন করে গতি সঞ্চার হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীদের সক্রিয় উপস্থিতি বিভিন্ন এলাকায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দল, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান সোহেল। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এ সাবেক ছাত্রনেতা হোসেনপুর উপজেলা শাখা জাসাসের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল, হোসেনপুর উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে তাদের সমস্যা সরাসরি শুনে সমাধানে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কামরুজ্জামান সোহেল।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ চাইলে তিনি নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে বলে সমর্থকদের দাবি। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনে তার কাছে গেলে সহযোগিতা পাওয়া যায়- যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা করছেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে ৯ পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আর ৫ পদে সমন্বয় পরিষদ

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি-র বার্ষিক নির্বাচনে ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ৯টি পদে বিজয়ী হয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম। অপরদিকে ৫টি পদে জয় পেয়েছেন  আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থীরা।

বুধবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. ইদ্রিস আলী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ১৯৯ ভোট পেয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. শহিদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ১৭৫ ভোট।

সহসভাপতি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট এম. এ. সাজাদ্দুল হক ২৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। একই পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মুফতি মো. জাকির খান ২৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল ইসলাম রতন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট আতিকুল হক বুলবুল পেয়েছেন ১৬৬ ভোট।

সহসাধারণ সম্পাদক পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের অ্যাডভোকেট মো. আবু সাইম ২২৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুল হক ভূঁইয়া ২৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

লাইব্রেরিয়ান পদে অ্যাডভোকেট মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক মিলন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম এবং অডিটর পদে অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া উৎপল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তারা সবাই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থী।

সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে অ্যাডভোকেট মো. আবু হানিফ ৩৬০ ভোট, অ্যাডভোকেট মো. সারওয়ার আলম ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. সোহাগ মিয়া ২৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এছাড়া সদস্য পদে আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. কোরবান আলী ৩৩৭ ভোট এবং অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম ৩৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

অষ্টগ্রামে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের মতবিনিময়

মোঃ আলী রহমান প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংসদ সদস্যের মতবিনিময়

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রাম উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবনের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।

সভায় বক্তব্য দেন অষ্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শহিদুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেব খাঁন, উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত সরকার, সমাজসেবা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গিয়াস উদ্দিন আশরাফী, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও জার্নাল অব কান্ট্রি বিডি ডটকমের সম্পাদক নজরুল ইসলাম সাগর এবং রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি শাহিন মিয়া প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নদী খনন, সমাজসেবা, কৃষি ও সেচসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধানে করণীয় বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান উত্থাপিত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

সভা শেষে তিনি উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জে গাঁজাসহ তিন যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে তিন মাসের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে গাঁজাসহ তিন যুবক আটক, মোবাইল কোর্টে তিন মাসের কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জ জেলা-এ মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা আক্তার রুপা এবং মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল পৃথক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পাবইকান্দি গ্রামের মিনু মিয়ার ছেলে মো. মেহেদী হাসান মুরাদ (১৯), একই উপজেলার দক্ষিণ লতিবাবাদ গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে মো. রুমান (২৪) এবং  লতিবাবাদ গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে মো. দেলোয়ার (২১)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৩০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিকট প্রসিকিউশন দায়ের করেন। পরে মোবাইল কোর্টে তিনজনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে মোট ৩০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।