শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩

বাজিতপুরে নদীর ওপর বহুতল ভবনের পাইলিং: পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাজিতপুরে নদীর ওপর বহুতল ভবনের পাইলিং: পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া বাজার সংলগ্ন কাদাঙ্গী নদীর ওপর নির্মিত গুরুই–নিকলী সড়কের ব্রিজের পাশ ঘেঁষে বহুতল ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে পাইলিং কাজ চলায় পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই নদীর ওপর এ ধরনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

জানা যায়, হিলচিয়া মৌজার ৭৮৩ নম্বর খতিয়ানের ৯৬২ নম্বর দাগের মৃত জগতীশ চন্দ্র সাহার ছেলে ঝুন্টু লাল সাহার ৯১ শতাংশ জমিতে নদী ও ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে সাততলা ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে কয়েক মাস ধরে পাইলিং কার্যক্রম চলছে। এলাকাটি হিলচিয়া বাজার থেকে নিকলী–বাজিতপুর সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও মানুষের চলাচল রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ অভিযোগ করে বলেন, “নদীর ওপর শ্রেণি পরিবর্তন ছাড়া এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা না করেই ব্রিজের গা ঘেঁষে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। পাইলিংয়ের কারণে ভবিষ্যতে ব্রিজের স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।”

একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ড্রাইভার রহমত আলী। তিনি বলেন, “নদীর ওপর এভাবে ভবন নির্মাণের ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক সময় হুমকির মুখেও পড়তে হয়। তাই অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চান না।”

গুরুই ইউনিয়নের বাসিন্দা মতিউর রহমান জানান, বর্ষা মৌসুমে এই নদীটি তিনটি উপজেলার পানি প্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ। তিনি বলেন, “কটিয়াদী, বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার ভললার বিলের পানি কাদাঙ্গী নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে গিয়ে মিশে। বর্ষা মৌসুমে শত শত নৌকা ও জেলেরা মাছ নিয়ে হিলচিয়া মাছের আড়তে আসে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে কৃষি, মৎস্য ও নৌ-যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

এ বিষয়ে হিলচিয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সবুজ মিয়া বলেন, “বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়টি আমাদের জানা আছে এবং রেকর্ডপত্রে মালিকানার তথ্যও রয়েছে। তবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে কি না—সে বিষয়ে আমি অবগত নই। ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে পাইলিংয়ের ফলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাজহারুল হক নাহিদ জানান, “আমার পরিষদ থেকে এ ধরনের বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে জমির মালিক ঝুন্টু লাল সাহা বলেন, “জমিটি আমার নিজস্ব মালিকানাধীন। এখনো শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়নি, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও নেওয়া হয়নি এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। আমি মূলত এলাকার উন্নয়নের কথা ভেবেই ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। যদি এলাকাবাসী এতে আপত্তি করে, তাহলে আমি কাজ বন্ধ করে দেব।”

তিনি আরও বলেন, “ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে মাটির সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করার পর ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে নিয়ম মেনে শ্রেণি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব। কোনোভাবেই ব্রিজ বা পরিবেশের ক্ষতি করার মতো কিছু করা হচ্ছে না। প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশনা থাকলে আমরা তা মেনে চলব।”

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “বর্তমান সরকার নদীর নাব্যতা রক্ষা ও পুনরুদ্ধারে কাজ করছে। জমির মালিকের দাবি অনুযায়ী এটি তার নিজস্ব জমি হলেও বিষয়টি যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে মাপজোক ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নদীর ওপর বা গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে বহুতল ভবন নির্মাণের আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA), যথাযথ শ্রেণি পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে সড়ক যোগাযোগ, নৌ-চলাচল ও জননিরাপত্তায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
বকেয়া কর আদায়ে ভিন্ন পথ: কুলিয়ারচরে সপ্তাহব্যাপী মেলার ঘোষণা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার বকেয়া পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় পৌরসভা কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর পৌরসভার প্রশাসক মো. ইয়াসিন খন্দকার। তিনি বলেন, পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বকেয়া কর আদায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নাগরিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে উৎসবমুখর পরিবেশে কর পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতেই এই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, মেলায় করদাতাদের জন্য বিশেষ ছাড় বা প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে, যাতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে বকেয়া পরিশোধে আগ্রহী হন।

পৌর প্রশাসক বলেন, “পৌরসভা আমাদের সবার। সময়মতো পৌরকর পরিশোধ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। আমরা চাই, এই মেলার মাধ্যমে মানুষ সহজ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের বকেয়া পরিশোধ করুক।” এ লক্ষ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মেলার প্রচার-প্রচারণা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, ফেরিঘাটে ১০ দিন টোলমুক্ত পারাপার

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা ও মিঠামইন ফেরিঘাটে দীর্ঘদিনের টোল আদায় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ দিন এই দুটি ফেরিঘাট দিয়ে কৃষকদের যাতায়াতে কোনো প্রকার টোল বা টাকা নেওয়া হবে না।

সম্প্রতি বালিখোলা ফেরিঘাটে অতিরিক্ত ও অবৈধ টোল আদায়কে কেন্দ্র করে স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বোরো মৌসুমে ধান পরিবহনের সময় এমন হয়রানিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন কৃষকরা। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

কৃষকদের এই দুর্ভোগ লাঘবে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলের সমন্বয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে আলোচনা করে টোলমুক্ত রাখার এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল সরেজমিনে ফেরিঘাট পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে বিষয়টির নিষ্পত্তি করেন। তিনি জানান, বোরো মৌসুমে কৃষকদের উৎপাদিত ধান নির্বিঘ্নে পরিবহনের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের স্বার্থে কোনো ধরনের অনিয়ম, অতিরিক্ত টোল আদায় বা জোরপূর্বক টাকা নেওয়ার ঘটনা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানান, ধান কাটার মৌসুমে ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছিল, যা তাদের জন্য বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছিল। টোলমুক্ত সিদ্ধান্তে তাদের খরচ কমবে এবং ফসল পরিবহন সহজ হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে পরিবহন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেরিঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায় কৃষকের লাভের অংশ কমিয়ে দেয় এবং বাজার ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রশাসনের এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক স্বস্তিই নয়, বরং কৃষিবান্ধব নীতিনির্ধারণের একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ফেরিঘাট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নির্ধারিত টোল কাঠামো এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করার ওপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রাম হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে জেলা পরিষদ প্রশাসক

কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত উপজেলা অষ্টগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। তিনি সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি সরাসরি কৃষকদের জমিতে গিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখেন এবং সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, টানা বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার কারণে তাদের অধিকাংশ জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেকেই সারা বছরের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল কৃষকদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, সরকার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাসের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “হাওরের কৃষকরা আমাদের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি।”

প্রশাসকের এই মাঠপর্যায়ের উপস্থিতি ও আশ্বাসে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান স্বপন,সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু,ইটনা উপজেলা বিএনপির সিনয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ রহমান, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক নিজামুল হক নজরুল, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ইয়াকুব, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. আলী রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়াসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।