রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অষ্টগ্রামে বিএনপির দোয়া মাহফিল, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ শহীদ জিয়াকে

অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অষ্টগ্রামে বিএনপির দোয়া মাহফিল, শ্রদ্ধাভরে স্মরণ শহীদ জিয়াকে

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলীয় উপজেলা অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে শনিবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আলী রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুল হক আতিক, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক সেলিমুল হক ইমন, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হেপী আক্তার এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাক।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রধান স্থপতি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে তাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তারা আরও বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শ ও কর্মদর্শনকে ধারণ করে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা। দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে তাঁর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে হবে বলেও বক্তারা মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল মিয়া, কলমা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জারু মিয়া, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সজু মিয়া, উপজেলা বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক আকছার মিয়াসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

শহীদ জিয়ার অবদান ইতিহাসে অম্লান: কটিয়াদীতে বিএনপির আলোচনা সভা

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
শহীদ জিয়ার অবদান ইতিহাসে অম্লান: কটিয়াদীতে বিএনপির আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের প্রণেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় কটিয়াদী উপজেলার স্বপ্নকুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর অবদান, স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাঁর ভূমিকা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ঐতিহাসিক অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান কাঞ্চন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, সৈয়দ সামসুল আরেফিন তারা ও মো. আতিকুর রহমান আতিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আজিজুল হক শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান মাসুদ ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান ও সদস্য সচিব আব্দুল আজিজ প্রিন্স, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুশফিকুর রহমান উবায়দুর এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অনন্য রাষ্ট্রনায়ক। স্বাধীনতার ঘোষণা, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, যুবসমাজকে কর্মমুখী করে তোলা এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার বিভিন্ন পদক্ষেপ আজও দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ নেতা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ছিলেন আপসহীন।

বক্তারা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাসুদুল আলম মাসুদ।

দোয়া মাহফিল শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী ও অতিথিদের মাঝে মিষ্টি ও তবারক বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

‘জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি’- কিশোরগঞ্জে ভিপি সোহেল

রেজাউল হক প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
‘জিয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করছে বিএনপি’- কিশোরগঞ্জে ভিপি সোহেল

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ মে) বিকেল ৫টায় শহরের আখড়া বাজার ব্রিজ সংলগ্ন মুক্তমঞ্চে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান (ভিপি সোহেল)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাঁরা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ভিপি সোহেল বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন আজও দেশের মানুষের কাছে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি বিএনপির চেয়ারম্যান, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন উন্নয়নমুখী ও জনবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন।”

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি হাওরাঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় কৃষকরা নগদ সহায়তার চেয়ে খাল খননের দাবি বেশি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। খাল পুনঃখনন করা গেলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হবেন। তিনি বলেন, কৃষিবান্ধব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ভিপি সোহেল বলেন, “যারা দীর্ঘ ১৭ বছর প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও দলের পাশে থেকেছেন, তাদের অবদান কখনোই মূল্যহীন হবে না। বিএনপি এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করবেন, ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল হুসাইন, জেলা যুবদলের সভাপতি মুশতাক আহমেদ শাহীন, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন উজ্জ্বল, রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক, সাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দীন, যশোদল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজুয়ানুল আলম জোসেফ, সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ নেভীন, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশপ্রেম ও উন্নয়ন দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাঁরা তাঁর আত্মত্যাগ ও কর্মময় জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে যৌথ উদ্যোগে মাঠে নামল জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে যৌথ উদ্যোগে মাঠে নামল জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও পৌরসভা

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় জেলা শহরের ঐতিহাসিক রথখলা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের কোনো বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়; এ ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও জরুরি। বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন ও জমে থাকা পানির স্থানগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা যায়।

আয়োজকরা জানান, অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা অপসারণ, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, ঝোপঝাড় পরিষ্কার, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ জনগণকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও ডেঙ্গুমুক্ত কিশোরগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। জনসচেতনতা এবং ধারাবাহিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মশাবাহিত রোগের বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যাবে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।