শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৯৭ এমপির গেজেট প্রকাশ, তিন দিনের মধ্যে শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৯৭ এমপির গেজেট প্রকাশ, তিন দিনের মধ্যে শপথ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন নির্বাচনী ফলাফল অনুমোদনের পর ইসি সচিব আখতার আহমেদ শুক্রবার রাতে এ গেজেট জারি করেন।

গেজেটে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম, পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ধাপে তাঁদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের আয়োজন করা হবে।

২৯৯টি সংসদীয় আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল এখনো গেজেটভুক্ত হয়নি। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। ফলে মোট ২৯৭টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, বেসরকারি ফলাফল যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নাম ও পরিচয় সংবলিত অফিসিয়াল গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন সাংসদদের শপথ অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে জাতীয় সংসদ ভবনে পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও অবকাঠামোগত সংস্কারের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর প্রয়োজনীয় মেরামতও সম্পন্ন করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠান, প্রটোকল, নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। স্পিকার ও রাষ্ট্রপতির দপ্তর, সরকারি ও বিরোধীদলীয় সভাকক্ষ, অধিবেশন কক্ষ এবং শপথ কক্ষ ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছে।

২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল

  • বিএনপি: ২০৯

  • জামায়াতে ইসলামী: ৬৮

  • জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি): ৬

  • বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস: ২

  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: ১

  • গণঅধিকার পরিষদ: ১

  • বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি): ১

  • গণসংহতি আন্দোলন: ১

  • খেলাফত মজলিস: ১

  • স্বতন্ত্র: ৭

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল সম্প্রতি বলেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি। তিনি আরও জানান, নির্বাচিত হওয়ার তিন দিনের মধ্যে কেউ শপথ গ্রহণ না করলে সে ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ শুক্রবার বলেন, “সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের ৩ ধারায় বলা হয়েছে—স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে অসমর্থ হলে বা অনুপস্থিত থাকলে, চতুর্থ দিন থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারবেন।”

তিনি বলেন, “সামনে রমজান থাকায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইসির দায়িত্ব গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার। রমজানের আগেই চাইলে সরকার গঠন সম্ভব।”

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এই হার ২৯৭ আসনের প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে নির্ধারিত। আর জাতীয় গণভোটে ভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ, যা ২৯৯ আসনের একীভূত ফলাফলের ভিত্তিতে গণনা করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থেকে দুই মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জন, রাষ্ট্রপতির তালিকায় ড. ওসমান ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ থেকে দুই মন্ত্রী হওয়ার গুঞ্জন, রাষ্ট্রপতির তালিকায় ড. ওসমান ফারুক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি যখন সরকার গঠনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন কিশোরগঞ্জ জেলার রাজনীতিতে বইছে আনন্দের সুবাতাস। গুঞ্জন উঠেছে, অবহেলিত এই জনপদ থেকে এবার দুজন পূর্ণমন্ত্রী এবং একজন রাষ্ট্রপতি বা সমমর্যাদার দায়িত্ব পেতে পারেন। জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত নামগুলো হলো—সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম। দলীয় নীতিনির্ধারণী সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে যে ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠিত হতে যাচ্ছে, সেখানে কিশোরগঞ্জের এই তিন নেতা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন।

সূত্রমতে, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিজয়ী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. এম ওসমান ফারুককে নিয়ে সবচেয়ে বড় গুঞ্জনটি শোনা যাচ্ছে। তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেলেও, দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবেও তার নাম জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসন থেকে ৭৪ হাজার ৬৪৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অথবা কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৫৮ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী মো. শরীফুল আলমকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টিও দলের হাইকমান্ডের বিবেচনায় রয়েছে।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে বিতর্কিত কাউকে স্থান না দেওয়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। যারা বিগত দিনের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং যাদের সততা ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরীক্ষিত, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সেই বিবেচনায় কিশোরগঞ্জের এই তিন নেতাই এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় এবং জোটের শরিকদের মধ্য থেকেও মন্ত্রিসভায় সদস্য নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে কিশোরগঞ্জবাসী এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন নতুন মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে।

ভাইরাল ভিডিওতে ভুয়া তথ্য: গোডাউন ঘর হয়ে গেলো আওয়ামী কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
ভাইরাল ভিডিওতে ভুয়া তথ্য: গোডাউন ঘর হয়ে গেলো আওয়ামী কার্যালয়

পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান।

শুক্রবার রাতে জেলা শহরের মিডিয়া হাউসে আয়োজিত তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “একটি গোডাউন ঘরকে কেন্দ্র করে আমাকে বিতর্কিত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ভিডিওতে আমার পাশে দাঁড়িয়ে কে কী বক্তব্য দিয়েছেন, তা আমি জানি না। বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।” তিনি এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানান।

এর আগে শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়ের তালা বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান খুলে দিয়েছেন—এমন দাবি তুলে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে আবু দাউদ প্রধানের পাশে দাঁড়িয়ে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, “সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জননেতা আবু দাউদ প্রধান প্রথম যে কাজটি করেছেন, তা হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে আজ তালামুক্ত করা।”

ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।

ভোটের অঙ্কে পিছিয়ে কিশোরগঞ্জে অধিকাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
ভোটের অঙ্কে পিছিয়ে কিশোরগঞ্জে অধিকাংশ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় ৩৪ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

ইসি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট পেতে হয়। এ শর্ত পূরণে ব্যর্থ হন ৩৪ জন প্রার্থী।

তবে ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জামায়াতে ইসলামীর পাঁচজন প্রার্থী এবং অপর একটি আসনে জামায়াত–এনসিপি সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এক প্রার্থী জামানত রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়া এক বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর জামানতও রক্ষা পেয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন এনপিপি প্রার্থী তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, ১১ দলীয় জোটের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করা খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী, বাসদ (মার্ক্সবাদী) প্রার্থী আলাল মিয়া, সিপিবি প্রার্থী মো. এনামুল হক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) প্রার্থী মো. মাসুদ মিয়া।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া): জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) নূর উদ্দীন আহমেদ, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন ভূঁইয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ময়ূর) আনিসুজ্জামান খোকন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী আবুল বাসার রেজওয়ান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন এবং গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) একেএম আলমগীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলমগীর হোসাইন, গণতন্ত্রী পার্টির প্রার্থী দেলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া, এনপিপি প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আবু বকর সিদ্দিক।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম): এখানে জামানত হারিয়েছেন ১১ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী খায়রুল ইসলাম ঠাকুর, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী নুরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) কাজী রেহা কবির, স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) ডা. শাহীন রেজা চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী বিল্লাল আহমেদ মজুমদার এবং এনপিপি প্রার্থী মো. জয়নাল আবদিন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী): জামানত হারিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ) ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. অলি উল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. মাহবুবুল আলম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. সাজ্জাদ হোসেন।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর): এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী নাঈমুল হাসান, সিপিবি প্রার্থী ডা. মো. হাবিল মিয়া, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আয়ূব হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মুছা খান, এনপিপি প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. রুবেল হোসেন এবং গণফোরাম প্রার্থী শাফি উদ্দিন আহাম্মদ।

যাঁদের জামানত রক্ষা পেয়েছেঃ ছয়জন বিজয়ী প্রার্থীর বাইরে যাঁরা জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন তাঁরা হলেন— কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ১১ দলসমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু; কিশোরগঞ্জ-২ আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম; কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী ডা. জেহাদ খান; কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী রোকন রেজা শেখ; কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা ও জামায়াতের জেলা আমির মো. রমজান আলী; এবং কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে ১১ দলীয় প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমীন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।