বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩

বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

বঙ্গভবন থেকে বিদায় নিয়েছেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবন ত্যাগ করেন। এ সময় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে বিদায় জানান।

বিদায় অনুষ্ঠানের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন। পরে উপস্থিত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বিদায়ী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বঙ্গভবনে আয়োজিত বিদায় অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রপতির সামরিক ও বেসামরিক সচিবসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদায় নেওয়ার আগে হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সরকারের সাফল্য কামনা করেন। পরে নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী গাড়িবহর নিয়ে বঙ্গভবন এলাকা ত্যাগ করেন তিনি।

বঙ্গভবন থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর বঙ্গভবন থেকে বের হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতের পক্ষ থেকে অলি আহমেদের নাম রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চলছে, সংসদে ভোট দিচ্ছেন এমপিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চলছে, সংসদে ভোট দিচ্ছেন এমপিরা

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ নির্বাচনের মতো দেশের সাধারণ ভোটাররা ভোট দেন না। এ নির্বাচনের ভোটার কেবল জাতীয় সংসদ সদস্যরা। ভোটগ্রহণের পদ্ধতিও অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় ভিন্ন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ।

বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট দেওয়ার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপারে দুটি অংশ থাকে। একটি অংশে ব্যালটের ক্রমিক নম্বর, ভোটারের নাম, বিভক্তি নম্বর এবং ভোটারের স্বাক্ষরের জন্য নির্ধারিত স্থান থাকে। অন্য অংশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নামের পাশে স্বাক্ষরের জন্য নির্দিষ্ট স্থান রাখা হয়।

সংসদ সদস্যরা পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। এরপর নির্ধারিত নিয়মে ব্যালটটি ভোটের বাক্সে জমা দেবেন।

ইসি সচিব জানান, ভোটগ্রহণের জন্য কোনো আলাদা বুথ থাকবে না। জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে তিনটি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসেই ব্যালট গ্রহণ করবেন এবং ভোট দেওয়ার পর সুবিধাজনক কাছের যেকোনো একটি ব্যালট বাক্সে তা জমা দেবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। তাকে সহায়তা করছেন নির্বাচন কমিশনের সহকারী কর্মকর্তারা।

ইসি সচিব জানান, বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সংসদ কক্ষেই তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা করা হবে। মোট কতটি ব্যালট কাস্ট হয়েছে, এর মধ্যে কতটি বৈধ এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী কে কত ভোট পেয়েছেন—গণনা শেষে তা ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা সিইসি।

পরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এর পর রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় ৬ আগস্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ মনোনয়নপত্র জমা দেন।

যাচাই-বাছাইয়ে দুজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। নির্ধারিত সময়ে কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় রাষ্ট্রপতি পদে এবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর আবারও সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনাতেই নির্ধারিত হবে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; ভোট চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; ভোট চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ভোটগ্রহণ শুরুর আগে প্রধান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানের নিয়ম ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করেন।

এরপর সংসদের অধিবেশন কক্ষে নির্ধারিত স্থানে রাখা ব্যালট বাক্সে প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। এরপর জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। পরে সংসদ সদস্যরা একে একে ভোট প্রদান করছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর বিক্রম।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ নির্বাচনের মতো জনগণের সরাসরি ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদ সদস্যরাই এ নির্বাচনের ভোটার এবং সংসদ অধিবেশন কক্ষেই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ব্যালট গণনা করা হবে।

গণনা শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা কে কত ভোট পেয়েছেন, বাতিল বা নষ্ট ভোটের সংখ্যা এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। পরে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির নামে গেজেট প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুরের মামলা আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
ইউনূস-আসিফসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি ৩২ ভাঙচুরের মামলা আবেদন

ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি জাদুঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তামান্না চৌধুরী প্রিয়াংকা নামে এক নারী বাদী হয়ে এ আবেদন করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী এ কে এম শরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ড. রেজওয়ানা হাসান, সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, সাবেক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, মাহফুজ আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও ডা. তাসনিম জারাসহ আরও অনেকে।

মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এবং কোনো উসকানি ছাড়াই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভবনের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

পরে ১ থেকে ৯ নম্বর আসামির উসকানি, দায়িত্বহীনতা ও নির্দেশনায় বুলডোজার ব্যবহার করে ভবনটিতে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় রাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবান দলিলপত্র, সংগৃহীত স্মৃতিচিহ্নসহ বিভিন্ন সম্পদ লুটপাট করা হয়। পরে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে এসব সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারার পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানিয়েছে।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর মামলার বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য রেখেছেন।