বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কটিয়াদীতে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ অব্যাহত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আদালতের ১৪৪ ধারা জারির পরও একটি জমি দখলের চেষ্টা এবং স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকপক্ষের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আদালতের আদেশের পরও দখলচেষ্টা অব্যাহত থাকায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পূর্ব ভিটাদিয়া গ্রামের রইছ উদ্দীন ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে হাজী আবুল হাসেম, মো. আব্দুল মোতালিব ও মো. আবদুর রাশিদের কাছে মোট ৩৫ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। পরবর্তী সময়ে ওই জমি আবুল হাসেম গং বা হাজী আবুল হাসেমের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়।

১৯৯১ সালে হাজী আবুল হাসেম ওই জমি থেকে ১৫ শতাংশ তমিজ উদ্দীন, রমিজ উদ্দীন ও মো. হাফিজ উদ্দীনের কাছে এওয়াজের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন। পরে ১৯৯২ সালে ওই ১৫ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ জমি রমিজ উদ্দীন ও হাফিজ উদ্দীন মো. রুহুল আমীনের কাছে বিক্রি করেন। বাকি ৫ শতাংশ তমিজ উদ্দীন ও তাঁর ওয়ারিশরা ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রুহুল আমীনের ১০ শতাংশ এবং তমিজ উদ্দীনের ৫ শতাংশের মধ্য থেকে ২ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি ২০২২ সালে হুমায়ুন কবির ক্রয় ও দানপত্রের মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়ে নামজারি ও জমা খারিজ করেন। এরপর থেকে তিনি ওই জমিতে গাছপালা রোপণসহ ভোগদখল করে আসছেন। ব্যবসায়িক কারণে হুমায়ুন কবির নরসিংদীতে বসবাস করায় তাঁর বড় ভাই মো. আসাদ মিয়া জমিটি দেখভাল করে আসছেন।

জমির মালিকপক্ষের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কটিয়াদী বাজারসংলগ্ন আচমিতা পূর্ব ভিটাদিয়া গ্রামের মৃত ফালু মিয়ার ছেলে খুর্শিদ উদ্দীন এবং তাঁর তিন ছেলে সিদ্দিক মিয়া, কালাম মিয়া ও মকবুল হোসেন ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছেন।

এর ধারাবাহিকতায় গত ২৫ জুন দুপুরে জমিতে কাজ করার সময় হুমায়ুন কবিরের বড় ভাই মো. আসাদ মিয়ার সঙ্গে খুর্শিদ উদ্দীন ও তাঁর তিন ছেলের বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দে প্রতিবেশী মৃত আবদুল আউয়ালের ছেলে জাকির হোসেন, হানিফা এবং মৃত সুলতান উদ্দীনের ছেলে বাবুল মিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এ সময় জমির মালিক হুমায়ুন কবির ও তাঁর ভাই রতন মিয়াও সেখানে উপস্থিত হন।

মালিকপক্ষের দাবি, এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন প্রকাশ্যে তাঁদের হুমকি দিয়ে বলেন, তাঁরা জমি জোর করে দখলে নেবেন এবং কেউ বাধা দিলে প্রয়োজনে হত্যার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেছেন জমির মালিকপক্ষের সদস্যরা।

পরে গত ২৯ জুন কিশোরগঞ্জ জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দীনের মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রসিডিং স্থাপনের আবেদন করেন আসাদ মিয়া। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগ রয়েছে, এর পরদিন ৩০ জুন দুপুর ১২টার দিকে জমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করা হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শামীম মিয়ার সামনেই দখলচেষ্টাকারীরা বাদীপক্ষকে হুমকি-ধমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, আদালতের ১৪৪ ধারার আদেশ বহাল থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ সময়ে সময়ে ওই জমিতে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় দায়িত্বহীনতার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। তবে জমির দখল ও আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার এএসআই শামীম মিয়া বলেন, “ইতিমধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। ঘটনার দিন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। দুই পক্ষই নিজেদের জায়গায় অনড় থাকায় জমি নিয়ে বিরোধটি জটিল আকার ধারণ করেছে। প্রতিবেদন দেখে আদালত যে আদেশ দেবেন, পুলিশ সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।”

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, “বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ কাজ করবে। বিষয়টি নিয়ে আদালতের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

এদিকে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আসাদ মিয়া, হুমায়ুন কবিরসহ তাঁদের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করে বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি নিশ্চিত করা হোক।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।