বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩

কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণে উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণে উদ্যোগ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী-পাকুন্দিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী উপজেলা বাসস্ট্যান্ড থেকে পাকুন্দিয়া উপজেলার থানার ঘাট হয়ে টোক, কাপাসিয়া ও রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিনের পাঠানো ডিও পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, কটিয়াদী উপজেলার মহাসড়ক বাসস্ট্যান্ড থেকে পাকুন্দিয়া উপজেলার থানার ঘাট হয়ে টোক, কাপাসিয়া এবং রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত প্রধান সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিষয়টি বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব স্বাক্ষরিত চিঠিটি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়।

এদিকে, সড়কটি চার লেনে উন্নীত হলে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার সঙ্গে ঢাকা এবং আশপাশের এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পায়ন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কটিয়াদী-পাকুন্দিয়াবাসীর প্রত্যাশা ছিল গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই উপজেলার যোগাযোগব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হবে।

ছাদ-বিমে ফাটল, খসে পড়ছে আস্তর; ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
ছাদ-বিমে ফাটল, খসে পড়ছে আস্তর; ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান

কিশোরগঞ্জ শহরের নগুয়া এলাকায় নগুয়া আয়েশা আহাদ দাখিল মাদ্রাসার জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ একাডেমিক ভবনেই চলছে পাঠদান। প্রায় এক দশক আগে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও এখনো নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। ফলে বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনেই পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এতে আতঙ্কে রয়েছেন প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে নগুয়া আয়েশা আহাদ দাখিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিনের পুরোনো ভবনটির বিভিন্ন স্থানে ছাদ ও বিমে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও খসে পড়েছে আস্তর। ভবনের বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় এটি এখন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই ভবনটি পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়। আবেদনে বলা হয়, একাডেমিক ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষিত হওয়ায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পরিচালনা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পরবর্তী সময়ে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও নতুন ভবন নির্মাণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

কর্তৃপক্ষের দাবি, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ১০ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চলছে। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী, ১৬ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী রয়েছেন।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ফলাফলও সন্তোষজনক। কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ শ্রেণিকক্ষের সংকট থাকায় শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে।

মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী চিত্রামনি ও মোহাম্মদ ওমা বলেন, ‘আমাদের মাদ্রাসার ভবনটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই ভবনেই ক্লাস করতে হয়। কখন যে বিম বা ছাদের কোনো অংশ ভেঙে মাথায় পড়ে যায়, সেই ভয় সব সময় কাজ করে। আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করতে হয়।’

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. খাদিজা বলেন, ‘এই শ্রেণিকক্ষে ক্লাস করতে আমাদের খুব ভয় হয়। এর আগেও ছাদের আস্তর ভেঙে পড়েছে। সব সময় মনে হয়, কখন কী হয়।’

মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল খায়ের সানাউল্লাহ বলেন, ‘কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় এটি একমাত্র দাখিল মাদ্রাসা। এখানে প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী, ১৬ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী রয়েছেন। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ। ২০১৬ সালে ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ২০০১ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ শহরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের প্রতিষ্ঠান থেকে বারবার আবেদন করা হলেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, নগুয়া আয়েশা আহাদ দাখিল মাদ্রাসায় দ্রুত নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়া হোক।’

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছু নাহার মাকসুদা বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করব।’

জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমি প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাব। এরপর যত দ্রুত সম্ভব ঊর্ধ্বতন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি অপসারণ করে সেখানে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যেকোনো সময় ভবনের কোনো অংশ ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি, হাওরের প্রবেশদ্বার বালিখোলায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি, হাওরের প্রবেশদ্বার বালিখোলায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সারাদেশের মতো কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলাতেও শুরু হয়েছে দেশের প্রথম ‘নৌযান শুমারি ২০২৬’। নৌযানের সংখ্যা, ধরন, মালিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দেশের নৌযান খাতের একটি নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যানভিত্তিক তথ্যভান্ডার তৈরির লক্ষ্যে এ শুমারি পরিচালনা করা হচ্ছে।

আগামী ২০ আগস্ট থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন নদী, ঘাট ও জলাশয়ে মাঠপর্যায়ে নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন এবং সাধারণ মানুষকে শুমারি সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে হাওরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত বালিখোলা ঘাট এলাকায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও উদ্বোধনী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে মুসলিমা। র‍্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় ও করিমগঞ্জ উপজেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে মুসলিমা বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌপথ ও নৌযানের সঠিক পরিসংখ্যান দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নৌযান শুমারির মাধ্যমে নৌযান সম্পর্কিত নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ নৌযান শুমারি সফল করতে তথ্য সংগ্রহকারীদের সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা নৌযান মালিকদের দায়িত্ব। শুমারি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি নৌযান মালিক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে তথ্য সংগ্রহকারীরা করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ঘাট, নদী ও জলাশয়ে গিয়ে নৌযানের তথ্য সংগ্রহ করবেন। এ সময় শুমারির নির্ধারিত প্রশ্নমালা অনুযায়ী নৌযানের ধরন, সংখ্যা, মালিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নৌযান শুমারির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলাচলকারী ছোট-বড় নৌযানের প্রকৃত সংখ্যা ও ধরন সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যাবে। সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতে নৌপথ ব্যবস্থাপনা, নৌপরিবহন খাতের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং সরকারি পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ ছাড়া নৌযান খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেলে এ খাতের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাবনা নিরূপণ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ আরও সহজ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

স্থানীয়ভাবে নৌপথনির্ভর মানুষের জীবন-জীবিকা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নৌযান ব্যবস্থার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন যোগাযোগে নৌযানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফলে এ শুমারি থেকে পাওয়া তথ্য হাওরাঞ্চলের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ভৈরবে বুকের ভেতর লুকিয়ে হাজার ইয়াবা, নারী আটক

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২১ অপরাহ্ণ
ভৈরবে বুকের ভেতর লুকিয়ে হাজার ইয়াবা, নারী আটক

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পারভীন আক্তার (৩৪) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে ভৈরবপুর এলাকায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম পাশে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের টোল প্লাজার সামনে এ অভিযান চালানো হয়।

আটক পারভীন আক্তার ঢাকার উত্তর খান থানার চামুর খান এলাকার বাসিন্দা। তিনি মনির হোসেনের স্ত্রী এবং মো. বাবুলের মেয়ে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে পারভীন আক্তারের কাছ থেকে অ্যামফিটামিনযুক্ত কমলা রঙের ১ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ইয়াবাগুলো তাঁর বুকের ভেতর বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ছিল। স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো একটি সাদা কাগজের প্যাকেটের ভেতর পাঁচটি নীল রঙের জিপারযুক্ত পলিপ্যাকে ইয়াবাগুলো রাখা ছিল। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০টি করে মোট ১ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধার করা ইয়াবার মোট ওজন ১০০ গ্রাম বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ভৈরব থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41