বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘একটি স্কুল দেখে যেতে চাই’- তাড়াইলের দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘একটি স্কুল দেখে যেতে চাই’- তাড়াইলের দুই গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তালজাঙ্গা ইউনিয়নের ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়া গ্রামে কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। দুই গ্রামের জনসংখ্যা চার হাজারের বেশি। ফলে প্রায় দুই শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কুন্দ্রাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কার্তিকখিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুই গ্রামের শিশুদের জন্য একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে এ ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। কাদামাখা ও দুর্ভোগপূর্ণ সড়ক পেরিয়ে শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। এতে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারে না; কমে যায় উপস্থিতির হারও।

তাড়াইল উপজেলায় মোট ৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তবে এর কোনোটিই ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়া গ্রামের শিশুদের জন্য সহজে যাতায়াতযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন কোমলমতি শিশুদের দীর্ঘ পথ হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে কোনোভাবে যাতায়াত করা সম্ভব হলেও বর্ষায় পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়ে। কাদামাখা রাস্তা দিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় শিশুদের পোশাক ও বই-খাতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকে।

অনেক সময় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে সময়মতো পৌঁছাতে পারে না। ফলে বর্ষাকালে বিদ্যালয়ে তাদের উপস্থিতির হারও কমে যায় বলে জানান অভিভাবকেরা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দূরত্বের কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের বাড়ির কাছাকাছি গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাঁদের মাসিক বেতনসহ বিভিন্ন অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হচ্ছে।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকলেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে বাধ্য হয়ে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করতে হচ্ছে। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে।

বান্দুলদিয়া গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ হাজী রমজান আলী বলেন, ‘জীবন সায়াহ্নে এসে এখনও স্বপ্ন দেখি, এই গ্রামে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের যেন আর কষ্ট করে দূরের স্কুলে যেতে না হয়। আমরা অনেক বছর ধরে এই দাবি করে আসছি। জীবিত থাকা অবস্থায় যদি এই গ্রামের শিশুদের জন্য একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেখে যেতে পারি, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ।’

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নতুন নয়। এ দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর পক্ষে ইদিলপুর গ্রামের আবদুল কদ্দুস ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর আবেদন করেন। ওই আবেদনের অনুলিপি তৎকালীন জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও দেওয়া হয়।

একই দাবিতে ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসীর পক্ষে বান্দুলিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডেট কলেজ কর্মকর্তা শাহ আবুল হাশেম (মানিক) ঢাকার শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালক বরাবর আবেদন করেন। ওই আবেদনের অনুলিপি তৎকালীন শিক্ষা উপদেষ্টা, জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব আবেদনের পরও সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর থেকে তাঁরা এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সাড়া পাননি।

ইদিলপুর গ্রামের বাসিন্দা ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রযোজক সাদিকুল ইসলাম নিয়োগী পন্নী বলেন, ‘আমাদের দুই গ্রামের শিশুদের দীর্ঘদিন ধরে দূরের বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশোনা করতে হচ্ছে। বর্ষাকালে কাদামাখা রাস্তা পেরিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ আরও সহজ হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘আমিও স্বীকার করি, ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়া—এই দুটি গ্রামের মাঝামাঝি একটি বিদ্যালয় থাকা দরকার। কিন্তু এই মুহূর্তে সরকারিভাবে নতুন করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। তবে নতুন করে কিন্ডারগার্টেন করা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমার যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন, আমি করব।’

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, চার হাজারের বেশি মানুষের বসবাস এবং প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুযোগ না থাকলে অন্তত একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান তাঁরা।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বছরের পর বছর আবেদন-নিবেদনের পর এবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। এতে ইদিলপুর ও বান্দুলদিয়ার কোমলমতি শিশুদের দীর্ঘদিনের শিক্ষা-ভোগান্তির অবসান হবে। আর হাজী রমজান আলীর মতো প্রবীণদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নও একদিন বাস্তবে রূপ নেবে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।