রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

প্রতিপক্ষকে ফাঁসিয়ে জমি দখলের ছক, নিজের মাকে হত্যার অভিযোগ মেয়ের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রতিপক্ষকে ফাঁসিয়ে জমি দখলের ছক, নিজের মাকে হত্যার অভিযোগ মেয়ের বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সংঘটিত হালিমা (৬৫) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীদের হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বিরোধপূর্ণ জমি দখলের পথ সুগম করতে সহযোগীদের নিয়ে নিজের মাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মেয়ে চাম্পা (৪৮)-এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে ও মামলার বাদী চাম্পাকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। সংস্থাটির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে গত ১৮ আগস্ট কিশোরগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম বুলবুলের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।

পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার সিন্দ্বীপ গ্রামের মোছা. হালিমা নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। পরদিন সকালে ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল লাগানো দেখতে পান তাঁর মেয়ে চাম্পা। পরে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে মাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তিনি।

একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরের একটি পতিত জমিতে হালিমার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে স্বজনরা দেখতে পান, মরদেহের মাথার অংশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে। তাঁর নাক ও মুখে রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন ছিল এবং গলায় সাদা রশি প্যাঁচানো ছিল।

পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে চাম্পা বাদী হয়ে ২০২৩ সালের ১৪ মার্চ করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় প্রতিবেশী বিল্লালসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

পরে মামলাটির তদন্তভার পিবিআই কিশোরগঞ্জ গ্রহণ করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মামলার বাদী চাম্পার কথাবার্তায় অসংগতি পান তদন্তকারীরা। একপর্যায়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার তথ্য বেরিয়ে আসে বলে দাবি করেছে পিবিআই।

পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০ বছর আগে হালিমা প্রতিবেশী বিল্লালের কাছ থেকে সাড়ে তিন শতাংশ জমি কিনেছিলেন। তবে ওই জমির কোনো দলিল করা হয়নি। পরে বিল্লাল জমিটি অন্য এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করলে জায়গাটি নিয়ে হালিমার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার ঝগড়া ও মারামারির ঘটনাও ঘটে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৫ দিন আগে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বিল্লাল হালিমাকে মারধর করেন। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পিবিআই বলছে, এ ঘটনার পর প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী বিল্লালসহ অন্যদের হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বিরোধপূর্ণ জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন চাম্পা ও তাঁর সহযোগীরা।

তদন্তে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পিবিআই জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৩ মার্চ রাত ১১টার দিকে চাম্পার সহযোগীরা তাঁদের বাড়িতে আসে। আগের বিরোধ মীমাংসার কথা বলে চাম্পা তাঁর মাকে ঘর থেকে ডেকে বের করেন।

এরপর সহযোগীদের নিয়ে হালিমাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহের মাথার অংশ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। পরদিন চাম্পাই বাদী হয়ে প্রতিবেশী বিল্লালসহ অন্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পিবিআইয়ের দাবি, প্রতিপক্ষকে মামলায় ফাঁসিয়ে বিরোধপূর্ণ জমি দখলের পথ সহজ করতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।

পিবিআই জানায়, দীর্ঘ তদন্তের একপর্যায়ে চাম্পাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে দাবি সংস্থাটির। পরে গত ১৮ আগস্ট কিশোরগঞ্জের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

পিবিআই কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে বিরোধপূর্ণ জমি দখলের উদ্দেশ্যে নিজের মাকে সহযোগীদের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আদালতে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই কিশোরগঞ্জের পরিদর্শক মো. আশরাফুল আলম, পরিদর্শক খাইরুল বাসার, পরিদর্শক নবী হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।