বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় কাল শুরু কলেরা টিকাদান, আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার মানুষ

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলায় কাল শুরু কলেরা টিকাদান, আওতায় ৭ লাখ ২৫ হাজার মানুষ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল উপজেলায় আগামীকাল শনিবার (২২ আগস্ট) শুরু হচ্ছে ‘ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (OCV) ক্যাম্পেইন-২০২৬’। এ কর্মসূচির আওতায় তিন উপজেলায় এক বছর বা তার বেশি বয়সী ৭ লাখ ২৫ হাজার ১৩৮ জনকে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গর্ভবতী নারীরা এ টিকার আওতায় থাকবেন না।

এর মধ্যে করিমগঞ্জে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪৮১, হোসেনপুরে ২ লাখ ৭ হাজার ১৪১ এবং তাড়াইলে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫১৬ জনকে টিকা দেওয়া হবে।

আগামীকাল থেকে প্রথম ডোজ দেওয়া শুরু হয়ে এ কার্যক্রম চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। পূর্ণ সুরক্ষার জন্য প্রথম ডোজ গ্রহণের কমপক্ষে ১৪ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করতে হবে।

টিকাদান কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত দিনগুলোতে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকা দেওয়া হবে। অন্যান্য দিনে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মোবাইল টিকাদান দলের মাধ্যমে সব বয়সী উপযুক্ত নাগরিককে টিকার আওতায় আনা হবে।

আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এর উদ্বোধন করবেন। এ সময় জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জনসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

উদ্বোধনী কার্যক্রমের জন্য করিমগঞ্জে চর দেহুন্দা কমিউনিটি ক্লিনিক ও জ্ঞান সিঁড়ি স্কুল, হোসেনপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং তাড়াইলে দারুল হুদা কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, টিকা গ্রহণের আগে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর দেওয়া কার্ডটি পরবর্তী সময়ে হেলথ কার্ড হিসেবে বিবেচিত হবে।

তিন উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি করে টিম টিকাদান কার্যক্রমে কাজ করবে। করিমগঞ্জের ১১টি ইউনিয়নের ৩৩টি, হোসেনপুরের ছয়টি ইউনিয়নের ১৮টি এবং তাড়াইলের সাতটি ইউনিয়নের ২১টি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (ওসিভি) ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর সমন্বয় ও অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আজিজুল হক তানজিল এবং ইউনিসেফের ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ইউনিসেফের ইপিআই বিশেষজ্ঞ ডা. তরিকুল ইসলাম।

সভায় টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সংবাদমাধ্যম, ধর্মীয় নেতা, ইমাম-মুয়াজ্জিন, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. মোস্তারী কাদেরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমনসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) ও আইসিডিডিআর,বি’র (icddr,b) যৌথ ব্যবস্থাপনায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি উপজেলা ও থানায় এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয়ভাবে এ কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার তত্ত্বাবধানে গ্যাভি (Gavi), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ইউনিসেফ (UNICEF) ও আইএফআরসি (IFRC)-এর সহযোগিতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের তিন উপজেলা ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, মুন্সীগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগর উপজেলায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পূর্ণ সুরক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয়—দুই ডোজ টিকা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।