বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মাছের সংকটে কিশোরগঞ্জের হাওরের জেলেরা, বিলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মাছের সংকটে কিশোরগঞ্জের হাওরের জেলেরা, বিলুপ্তির পথে দেশি প্রজাতি

সংগ্রহীত ছবি

একসময় মাছের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত ছিল কিশোরগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরাঞ্চল। হাওরের নদী, খাল-বিল ও জলমহাল ঘিরে গড়ে উঠেছিল হাজারো জেলে পরিবারের জীবন-জীবিকা। তবে মাছের উৎপাদন কমে যাওয়ায় এখন সংকটে পড়েছে এসব পরিবারের জীবন-জীবিকা। আয় কমে যাওয়ায় অনেকেই পৈতৃক পেশা ছেড়ে অন্য কাজে যুক্ত হচ্ছেন।

জেলেদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল, রিং জাল ও কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহার, নির্বিচারে পোনা মাছ নিধন, জলমহালের অপরিকল্পিত ইজারা এবং নদ-নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় হাওরে মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। এর ফলে একদিকে মৎস্যজীবীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে দেশি নানা প্রজাতির মাছও বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে।

কিশোরগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরজুড়ে এখনো জেলেদের বিচরণ চোখে পড়ে। কোথাও দলবদ্ধভাবে জাল টেনে মাছ ধরছেন জেলেরা, আবার কোথাও একাকী নৌকায় মাছ শিকারে ব্যস্ত কেউ। হাওরাঞ্চলের স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন এই মৎস্য আহরণ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় ভোরে জাল নিয়ে হাওরে বের হলে জেলেরা মাছভর্তি নৌকা নিয়ে বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু সেই চিত্র এখন অনেকটাই বদলে গেছে। দিনের পর দিন হাওরে অবস্থান করেও কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না অনেক জেলে। এতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাঁদের।

এক জেলে বলেন, “সারাদিন পানিতে ডুবে মাছ ধরি। এখন মাছই পাই না। মাছ না পেলে সংসার চালানোর আর কোনো উপায় থাকে না।”

আরেক জেলের ভাষ্য, বর্তমানে মাছ পাওয়া গেলেও তা দিয়ে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলানো কঠিন। দৈনিক আয় থেকে নৌকা, জাল ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে হাতে খুব সামান্য অর্থ থাকে।

হাওরের মাছের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসায়ীদেরও একই অভিযোগ। কয়েক বছর আগেও যেখানে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই কোটি টাকার মাছ কেনাবেচা হতো, সেখানে এখন তার চার ভাগের এক ভাগও হচ্ছে না বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, “কয়েক বছর আগেও এখান থেকে কোটি কোটি টাকার মাছ সারা বাংলাদেশে যেত। এখন সেই তুলনায় মাছের সরবরাহ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।”

জেলেদের ভাষ্য, আগে চিংড়ি, রানি, মহাশোল, সরপুঁটি, রিটা, পাঙ্গাস, আইড়, চিতল, পাবদা, কালিবাউশ, গাংমাগুর ও শালবাইমসহ বিভিন্ন দেশি প্রজাতির মাছ প্রচুর পাওয়া যেত। এখন এসব মাছের অনেক প্রজাতিই আগের তুলনায় খুব কম পাওয়া যায়। কোনো কোনো প্রজাতি স্থানীয়ভাবে প্রায় বিলুপ্তির পথে বলে দাবি তাঁদের।

জেলেদের অভিযোগ, মাছের প্রজনন মৌসুমে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার এবং নির্বিচারে পোনা মাছ ধরার কারণে হাওরের মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে চায়না দুয়ারি, রিং ও কারেন্ট জালের ব্যবহার বন্ধ করা না গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

তাঁদের আরও দাবি, জলমহালের অপরিকল্পিত ইজারা বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র রক্ষায় অভয়াশ্রম বাড়ানোর পাশাপাশি বিদ্যমান অভয়াশ্রমগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে অভিযান চালানো হলেও পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রমের সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এক কর্মকর্তা বলেন, “মৎস্য আইনে নিষিদ্ধ যেসব জাল রয়েছে, সেগুলোর ব্যবহার পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে জেলায় ২১টি মৎস্য অভয়াশ্রম রয়েছে। আরও ২৫টি অভয়াশ্রম স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।”

মৎস্য উৎপাদন বাড়াতে হাওরের জলজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর নজরদারির ওপর জোর দিচ্ছেন মৎস্যসংশ্লিষ্টরা।

তাঁদের মতে, শুধু অভিযান চালিয়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। হাওরের জলমহাল ব্যবস্থাপনা, মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণ, প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা নিয়ন্ত্রণ, পোনা নিধন বন্ধ এবং নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

এ উদ্যোগ কার্যকর করা গেলে একদিকে যেমন হাওরের মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে সংকটে থাকা জেলেদের জীবন-জীবিকাও ঘুরে দাঁড়াবে। পাশাপাশি দেশি মাছের বৈচিত্র্য ও হাওরের জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষার পথও তৈরি হবে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।